প্রিন্ট এর তারিখ : ২৪ অক্টোবর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৪ অক্টোবর ২০২৬
ফতুল্লা শিয়াচরে জমি'র মালিককে প্রতিপক্ষের হুমকী, নির্মাণে বাধা
||
ফতুল্লা শিয়াচরে জমি'র মালিককে প্রতিপক্ষের হুমকী, নির্মাণে বাধা নিজস্ব প্রতিবেদক : ফতুল্লায় নিজ ক্রয় করা জমিতে স্থাপনা তৈরীতে বাধা ও মালিককে প্রাণনাশের হুমকী দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এমনকি ওই জমিতে প্রবেশ করতেও বাধা এবং প্রতিপক্ষের হয়ে পুলিশ দিয়ে হেনস্তা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ তোলেছে ভুক্তভোগী জমির মালিক শামিম। এদিকে এ ঘটনায় প্রতিপক্ষের নাম উল্লেখ করে ফতুল্লা মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরী করেছে শামিম। প্রতিপক্ষরা হলো, ফতুল্লা শিয়ারচর এলাকার বাসিন্দা মোঃ ইউসুফ আলী, মোঃ মতিন, খবির। সাধারণ ডায়রীতে উল্লেখ রয়েছে, ফতুল্লা থানাধীন শিয়াচর মৌজাস্থিত- এস.এ-১০৬, ১০৭ আর.এস-২৮৩, নামজারী জমাভাগ-৭২৭০, খতিয়ান ৭২৬৯ জোত ভূক্ত, সি.এস ও এস.এ-৮০, আর.এস-২৩০ দাগে ২০ শতাংশের মধ্যে সাড়ে ১৩ শতাংশ সম্পত্তি ০৪টি সাফ-কবলা দলিল মূলে খরিদ সূত্রে মালিক হয়েছেন জসীম মল্লিক, তার স্ত্রী মনিরা সুলতানা, শামিমসহ মোট ৩ জন। তারা নিজেদের নামে নামজারী করে সরকারী খাজনাদি পরিশোধ করে সেই সম্পত্তিতে ভোগ দখলে আছে। তবে দেয়াল নির্মাণে গেলেই প্রতিপক্ষের লোকজন হুমকী এবং বাধা প্রদান করছে। এছাড়াও তফসিল বর্ণিত সম্পত্তি সংক্রান্তে বিজ্ঞ আদালতে দেওয়ানী মোকদ্দমা নং-৪০২/২০২৫ বিচারকার্য্য শেষে বিজ্ঞ আদালত ইং-২৭/১০/২০২৬ তারিখে জমির মালিক জসিম গং ও শামিমের অনুকূলে আদেশ লিপিবদ্ধ হয়। তারপরেও সেই সম্পত্তিতে পাকা স্থাপনা স্থাপনের নির্মানের জন্য প্রবেশ করলেই প্রতিপক্ষরা অনরবত হুমকী ও বাধা দিচ্ছে। এছাড়াও নির্মান শ্রমিকদেরকে মারপিট করা সহ নির্মান কাজে বাধা প্রদান করবে মর্মে তাদেরকে বিভিন্ন প্রকার ভয়-ভীতি ও জীবন নাশের হুমকি প্রদান করেছে। এদিকে এ জমি সংক্রান্তে মোঃ ইউসুফ আলী গং বাদী হয়ে মোঃ জসীম মল্লিক গং কে বিবাদি করা হলে সেটাও নিষ্পত্তি পায়। বিজ্ঞ যুগ্ম জেলা জজ ২য় আদালতে হাইকোর্ট বিভাগ ফরম নং (জে) ১৩ ফরম অব অর্ডার শীট আদেশ নামায় ৪নং পাতায় উল্লেখ করা হয়েছে, বাদীপক্ষ আরএস রেকর্ডীয় মালিক আতরের নেছার এক পুত্র মহিউদ্দিনের চার পুত্র হতে ক্রম হস্তান্তর সূত্রে নালিশী ভূমির স্বত্ব দাবী করেন। অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্তের বর্ণনা অনুসারে মহিউদ্দিন স্ত্রী, চার পুত্র ও দুই কন্যাকে ওয়ারিশ রেখে মৃত্যু বরণ করার পর মহিউদ্দিনের চার পুত্র ও পুত্রদের চাচাগণের মধ্যে ২৫/০১/১৯৮০ তারিখের ৮২৫ নং পারিবারিক আপোষ বণ্টননামা দলিল মূলে মহিউদ্দিনের চার পুত্র নালিশী দাগের ১৩.৫০ শতাংশ ভূমি প্রাপ্ত হয়। বাদীপক্ষের স্বীকৃত মতেই মহিউদ্দিনের স্ত্রী ও দুই কন্যা উক্ত আপোষ বন্টননামা দলিলে পক্ষ ছিল না। তারা পক্ষ না থাকায় দলিলটি আইনানুগ হয়নি। ফলে উক্ত দলিল মূলে নালিশী দাগের ১৩.৫০ শতাংশ ভূমি মহিউদ্দিনের চার পুত্রের প্রাপ্তিয় সুযোগ নেই। বর্ধিতাবস্থায়, তাদের হতে ক্রম হস্তান্তর সূত্রে নালিশী সাড়ে ১৩ শতাংশ ভূমি বাদীপক্ষ প্রাপ্ত হবে না। অপরদিকে মহিউদ্দিনের দুই পুত্র হতে ২৬/০১/২০২৩ তারিখের ১৩৫৭নং সাফ কবলা দলিল মূলে নালিশী ভূমি ১-৩ নং বিবাদী প্রাপ্ত হয় মর্মে পরিলক্ষিত হয়। সার্বিক পর্যালোচনা ও পারিপার্শ্বিক অবস্থা বিবেচনায় বলা যায় যে, বাদীগণ ইউসুফ গংয়ের অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত বিবেচনাযোগ্য নয়। অতএব, বিবেচ্য বিষয় বাদীগণ/দরখাস্তকারীগণের প্রতিকূলে নিষ্পত্তি করা হলো।
সম্পাদক ও প্রকাশক: আরিফুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বি পি নিউজ