নারায়ণগঞ্জের খানপুর ৩০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে পুনরায় চালু হতে যাচ্ছে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) কার্যক্রম। এ বিষয়ে অগ্রগতি পর্যালোচনায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একটি প্রতিনিধি দল সম্প্রতি হাসপাতাল পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন ভবনে আইসিইউ ওয়ার্ড স্থাপনের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে এবং বেশিরভাগ প্রস্তুতিও সম্পন্ন হয়েছে। অক্সিজেন লাইনসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো তৈরি রয়েছে, তবে কিছু যন্ত্রপাতির সার্ভিসিং শিগগিরই শুরু হবে।
উল্লেখ্য, করোনাভাইরাস মহামারির সময় ২০২০ সালে এখানে ১০ শয্যার একটি আইসিইউ ইউনিট চালু করা হয়েছিল। তখন ২০ জন বিশেষায়িত চিকিৎসক ও প্রশিক্ষিত নার্সের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালিত হলেও প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলে চিকিৎসকরা সরে যান। এরপর থেকে আইসিইউ কার্যক্রম কার্যত বন্ধ হয়ে পড়ে, যদিও জরুরি রোগীদের সীমিত পরিসরে অক্সিজেন সেবা দেওয়া হচ্ছিল।
দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয়দের পক্ষ থেকে আইসিইউ চালুর দাবি জানানো হচ্ছিল। এরই অংশ হিসেবে গত ৭ এপ্রিল গণসংহতি আন্দোলনের জেলা নেতারা স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিষয়টি তুলে ধরেন।
সংগঠনটির জেলা সমন্বয়কারী তারিকুল ইসলাম সুজন জানান, মেডিকেল কলেজ স্থাপন, আইসিইউ চালু এবং হাসপাতালগুলোতে প্রয়োজনীয় জনবল বৃদ্ধির দাবিতে তারা মন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেন। এ সময় মন্ত্রী আশ্বাস দেওয়ার পাশাপাশি দ্রুত পদক্ষেপ হিসেবে একটি প্রতিনিধি দল পাঠান।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আবুল বাসার বলেন, আইসিইউ চালুর জন্য মন্ত্রণালয় থেকে নির্দেশনা পাওয়া গেছে এবং প্রাথমিক প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। তিনি জানান, অন্তত ১০ জন চিকিৎসকের চাহিদা জানানো হয়েছে। তবে ৩ থেকে ৪ জন চিকিৎসক পেলেই প্রাথমিকভাবে আইসিইউ সেবা চালু করা সম্ভব হবে।

রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের খানপুর ৩০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে পুনরায় চালু হতে যাচ্ছে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) কার্যক্রম। এ বিষয়ে অগ্রগতি পর্যালোচনায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একটি প্রতিনিধি দল সম্প্রতি হাসপাতাল পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন ভবনে আইসিইউ ওয়ার্ড স্থাপনের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে এবং বেশিরভাগ প্রস্তুতিও সম্পন্ন হয়েছে। অক্সিজেন লাইনসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো তৈরি রয়েছে, তবে কিছু যন্ত্রপাতির সার্ভিসিং শিগগিরই শুরু হবে।
উল্লেখ্য, করোনাভাইরাস মহামারির সময় ২০২০ সালে এখানে ১০ শয্যার একটি আইসিইউ ইউনিট চালু করা হয়েছিল। তখন ২০ জন বিশেষায়িত চিকিৎসক ও প্রশিক্ষিত নার্সের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালিত হলেও প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলে চিকিৎসকরা সরে যান। এরপর থেকে আইসিইউ কার্যক্রম কার্যত বন্ধ হয়ে পড়ে, যদিও জরুরি রোগীদের সীমিত পরিসরে অক্সিজেন সেবা দেওয়া হচ্ছিল।
দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয়দের পক্ষ থেকে আইসিইউ চালুর দাবি জানানো হচ্ছিল। এরই অংশ হিসেবে গত ৭ এপ্রিল গণসংহতি আন্দোলনের জেলা নেতারা স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিষয়টি তুলে ধরেন।
সংগঠনটির জেলা সমন্বয়কারী তারিকুল ইসলাম সুজন জানান, মেডিকেল কলেজ স্থাপন, আইসিইউ চালু এবং হাসপাতালগুলোতে প্রয়োজনীয় জনবল বৃদ্ধির দাবিতে তারা মন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেন। এ সময় মন্ত্রী আশ্বাস দেওয়ার পাশাপাশি দ্রুত পদক্ষেপ হিসেবে একটি প্রতিনিধি দল পাঠান।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আবুল বাসার বলেন, আইসিইউ চালুর জন্য মন্ত্রণালয় থেকে নির্দেশনা পাওয়া গেছে এবং প্রাথমিক প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। তিনি জানান, অন্তত ১০ জন চিকিৎসকের চাহিদা জানানো হয়েছে। তবে ৩ থেকে ৪ জন চিকিৎসক পেলেই প্রাথমিকভাবে আইসিইউ সেবা চালু করা সম্ভব হবে।

আপনার মতামত লিখুন