ঈদুল আজহার পরপরই সম্ভাব্য ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলায় রাজনৈতিক পরিবেশ ধীরে ধীরে সরগরম হয়ে উঠছে। যদিও এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হয়নি, তবুও সম্ভাব্য চেয়ারম্যান ও সদস্য প্রার্থীরা আগেভাগেই মাঠে নেমে পড়েছেন।
জেলার রূপগঞ্জ, সোনারগাঁও, আড়াইহাজার ও সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ঘুরে দেখা গেছে—চায়ের দোকান, হাট-বাজার থেকে শুরু করে সামাজিক অনুষ্ঠানেও এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ইউপি নির্বাচন। সম্ভাব্য প্রার্থীরা নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে এলাকায় নিয়মিত গণসংযোগ চালাচ্ছেন এবং দলীয় সমর্থন নিশ্চিত করতে বিভিন্ন পর্যায়ে লবিং করছেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, অনেক প্রার্থী ইতোমধ্যে এলাকায় পোস্টার ও ব্যানার টানাতে শুরু করেছেন। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও চলছে নির্বাচনী প্রচারণা। বিশেষ করে তরুণ প্রার্থীরা নতুন ভোটারদের আকৃষ্ট করতে ভিন্নধর্মী ও আধুনিক প্রচারণায় বেশি মনোযোগ দিচ্ছেন।
অন্যদিকে রাজনৈতিক দলগুলোর ভেতরেও চলছে প্রার্থী বাছাই ও সমর্থন নিয়ে নানা হিসাব-নিকাশ। দলীয় প্রতীক ছাড়া নির্বাচন হওয়ায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও কঠিন হবে বলে অনেকে মনে করছেন। তবে দলীয় সমর্থন পেলে লড়াইয়ে সুবিধা পাওয়া যাবে—এমন ধারণাও রয়েছে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে।
এদিকে বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ঘরানার প্রার্থীরা দলীয় প্রতীক না থাকায় কিছুটা বেকায়দায় পড়তে পারেন বলে আলোচনা রয়েছে। একই সঙ্গে বিদ্রোহী প্রার্থীদের উপস্থিতি নির্বাচনী লড়াইকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
প্রার্থীরা বলছেন, এবারের নির্বাচন হবে তুলনামূলকভাবে বেশি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। তাই এখন থেকেই মাঠে সক্রিয় না হলে পিছিয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
অন্যদিকে ভোটারদের মধ্যেও বাড়ছে আগ্রহ ও প্রত্যাশা। তারা চান, এবার এমন জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হোক যিনি এলাকার উন্নয়ন, সেবা ও জনসম্পৃক্ততায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন।

সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
ঈদুল আজহার পরপরই সম্ভাব্য ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলায় রাজনৈতিক পরিবেশ ধীরে ধীরে সরগরম হয়ে উঠছে। যদিও এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হয়নি, তবুও সম্ভাব্য চেয়ারম্যান ও সদস্য প্রার্থীরা আগেভাগেই মাঠে নেমে পড়েছেন।
জেলার রূপগঞ্জ, সোনারগাঁও, আড়াইহাজার ও সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ঘুরে দেখা গেছে—চায়ের দোকান, হাট-বাজার থেকে শুরু করে সামাজিক অনুষ্ঠানেও এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ইউপি নির্বাচন। সম্ভাব্য প্রার্থীরা নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে এলাকায় নিয়মিত গণসংযোগ চালাচ্ছেন এবং দলীয় সমর্থন নিশ্চিত করতে বিভিন্ন পর্যায়ে লবিং করছেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, অনেক প্রার্থী ইতোমধ্যে এলাকায় পোস্টার ও ব্যানার টানাতে শুরু করেছেন। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও চলছে নির্বাচনী প্রচারণা। বিশেষ করে তরুণ প্রার্থীরা নতুন ভোটারদের আকৃষ্ট করতে ভিন্নধর্মী ও আধুনিক প্রচারণায় বেশি মনোযোগ দিচ্ছেন।
অন্যদিকে রাজনৈতিক দলগুলোর ভেতরেও চলছে প্রার্থী বাছাই ও সমর্থন নিয়ে নানা হিসাব-নিকাশ। দলীয় প্রতীক ছাড়া নির্বাচন হওয়ায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও কঠিন হবে বলে অনেকে মনে করছেন। তবে দলীয় সমর্থন পেলে লড়াইয়ে সুবিধা পাওয়া যাবে—এমন ধারণাও রয়েছে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে।
এদিকে বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ঘরানার প্রার্থীরা দলীয় প্রতীক না থাকায় কিছুটা বেকায়দায় পড়তে পারেন বলে আলোচনা রয়েছে। একই সঙ্গে বিদ্রোহী প্রার্থীদের উপস্থিতি নির্বাচনী লড়াইকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
প্রার্থীরা বলছেন, এবারের নির্বাচন হবে তুলনামূলকভাবে বেশি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। তাই এখন থেকেই মাঠে সক্রিয় না হলে পিছিয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
অন্যদিকে ভোটারদের মধ্যেও বাড়ছে আগ্রহ ও প্রত্যাশা। তারা চান, এবার এমন জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হোক যিনি এলাকার উন্নয়ন, সেবা ও জনসম্পৃক্ততায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন।

আপনার মতামত লিখুন