নারায়ণগঞ্জ জেলা আদালত প্রাঙ্গণে গ্রেপ্তারকৃত আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক কাউন্সিলর সিরাজুল ইসলাম মন্ডলের ছবি তুলতে গিয়ে বাধার মুখে পড়েছেন সাংবাদিকরা। এ সময় ধাক্কাধাক্কি ও মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগও উঠেছে।
রোববার (৩ মে) দুপুরে আদালতপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।
ভুক্তভোগী গণমাধ্যমকর্মীদের দাবি, আদালত পুলিশের হাজত থেকে সিরাজ মন্ডলকে এজলাসে নেওয়ার সময় ছবি তুলতে গেলে পুলিশ সদস্যরা তাদের বাধা দেন। পাশাপাশি তার অনুসারীরাও সাংবাদিকদের ওপর চড়াও হন বলে অভিযোগ করা হয়।
উল্লেখ্য, গত ২৩ এপ্রিল সিদ্ধিরগঞ্জের নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তার হন সিরাজুল ইসলাম মন্ডল। তিনি নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর এবং আওয়ামী লীগের নেতা। তিনি নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত।
২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলা ও হত্যার অভিযোগে দায়ের হওয়া একাধিক মামলার আসামি তিনি। গ্রেপ্তারের পর আদালতে হাজির করার সময় তার অনুসারীরাও আদালত এলাকায় ভিড় করেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে নারায়ণগঞ্জ আদালত পুলিশের পরিদর্শক আব্দুস সামাদ বলেন, পুলিশ সাংবাদিকদের ছবি তুলতে বাধা দেয়নি এবং কোনো ধরনের তর্ক-বিতর্কও হয়নি। তার দাবি, আসামির সমর্থকদের সঙ্গে সাংবাদিকদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে এবং তারাই বাধা সৃষ্টি করে।

সোমবার, ০৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬
নারায়ণগঞ্জ জেলা আদালত প্রাঙ্গণে গ্রেপ্তারকৃত আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক কাউন্সিলর সিরাজুল ইসলাম মন্ডলের ছবি তুলতে গিয়ে বাধার মুখে পড়েছেন সাংবাদিকরা। এ সময় ধাক্কাধাক্কি ও মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগও উঠেছে।
রোববার (৩ মে) দুপুরে আদালতপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।
ভুক্তভোগী গণমাধ্যমকর্মীদের দাবি, আদালত পুলিশের হাজত থেকে সিরাজ মন্ডলকে এজলাসে নেওয়ার সময় ছবি তুলতে গেলে পুলিশ সদস্যরা তাদের বাধা দেন। পাশাপাশি তার অনুসারীরাও সাংবাদিকদের ওপর চড়াও হন বলে অভিযোগ করা হয়।
উল্লেখ্য, গত ২৩ এপ্রিল সিদ্ধিরগঞ্জের নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তার হন সিরাজুল ইসলাম মন্ডল। তিনি নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর এবং আওয়ামী লীগের নেতা। তিনি নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত।
২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলা ও হত্যার অভিযোগে দায়ের হওয়া একাধিক মামলার আসামি তিনি। গ্রেপ্তারের পর আদালতে হাজির করার সময় তার অনুসারীরাও আদালত এলাকায় ভিড় করেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে নারায়ণগঞ্জ আদালত পুলিশের পরিদর্শক আব্দুস সামাদ বলেন, পুলিশ সাংবাদিকদের ছবি তুলতে বাধা দেয়নি এবং কোনো ধরনের তর্ক-বিতর্কও হয়নি। তার দাবি, আসামির সমর্থকদের সঙ্গে সাংবাদিকদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে এবং তারাই বাধা সৃষ্টি করে।

আপনার মতামত লিখুন