নারায়ণগঞ্জে ইসলামী পোশাক ও নিকাবকে অবমাননা করে আয়োজিত কথিত র্যাম্প শো বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন জেলার সচেতন নাগরিকবৃন্দ।
সোমবার (২৮ এপ্রিল) জেলা প্রশাসক, নারায়ণগঞ্জ বরাবর এ স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। এতে দাবি করা হয়, সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জ কেয়াঘাট এলাকায় একটি ফেসবুক পেজের ব্যানারে ইসলামী পর্দার পবিত্র বিধানকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে একটি ‘র্যাম্প শো’ আয়োজন করা হয়, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, ইসলাম ধর্মে নিকাব ও পর্দা নারীর সম্মান, নিরাপত্তা ও মর্যাদার প্রতীক। অথচ ওই আয়োজনের মাধ্যমে এই ধর্মীয় বিধানকে প্রদর্শনীর বিষয়বস্তুতে পরিণত করে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করা হয়েছে। এতে ইসলামী মূল্যবোধ অবমাননার পাশাপাশি পর্দানশীল নারীদের জন্যও সামাজিকভাবে অস্বস্তিকর পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।
সচেতন নাগরিকরা বলেন, নারায়ণগঞ্জ একটি ঐতিহ্যবাহী জেলা। এ ধরনের অপসংস্কৃতির চর্চা সামাজিক সম্প্রীতি ও ধর্মীয় সংবেদনশীলতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। তাই বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, কেয়াঘাট কর্তৃপক্ষ এবং এ ধরনের বিতর্কিত আয়োজনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ও উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের দায়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের ঘটনা পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে বিষয়ে কঠোর প্রশাসনিক নজরদারিরও দাবি জানানো হয়।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬
নারায়ণগঞ্জে ইসলামী পোশাক ও নিকাবকে অবমাননা করে আয়োজিত কথিত র্যাম্প শো বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন জেলার সচেতন নাগরিকবৃন্দ।
সোমবার (২৮ এপ্রিল) জেলা প্রশাসক, নারায়ণগঞ্জ বরাবর এ স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। এতে দাবি করা হয়, সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জ কেয়াঘাট এলাকায় একটি ফেসবুক পেজের ব্যানারে ইসলামী পর্দার পবিত্র বিধানকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে একটি ‘র্যাম্প শো’ আয়োজন করা হয়, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, ইসলাম ধর্মে নিকাব ও পর্দা নারীর সম্মান, নিরাপত্তা ও মর্যাদার প্রতীক। অথচ ওই আয়োজনের মাধ্যমে এই ধর্মীয় বিধানকে প্রদর্শনীর বিষয়বস্তুতে পরিণত করে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করা হয়েছে। এতে ইসলামী মূল্যবোধ অবমাননার পাশাপাশি পর্দানশীল নারীদের জন্যও সামাজিকভাবে অস্বস্তিকর পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।
সচেতন নাগরিকরা বলেন, নারায়ণগঞ্জ একটি ঐতিহ্যবাহী জেলা। এ ধরনের অপসংস্কৃতির চর্চা সামাজিক সম্প্রীতি ও ধর্মীয় সংবেদনশীলতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। তাই বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, কেয়াঘাট কর্তৃপক্ষ এবং এ ধরনের বিতর্কিত আয়োজনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ও উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের দায়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের ঘটনা পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে বিষয়ে কঠোর প্রশাসনিক নজরদারিরও দাবি জানানো হয়।

আপনার মতামত লিখুন