নারায়ণগঞ্জের বন্দরে মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের লক্ষ্যে মাদকবিরোধী তৎপরতা জোরদার করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্যের রাজনৈতিক সচিব ও মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কাউসার আশা। তার নেতৃত্বে সম্প্রতি ২৩ নম্বর ওয়ার্ডে অভিযানে গিয়ে মাদক ব্যবসার অভিযোগে পরিচিত দুই ব্যক্তি রমজান ও গাজীর আস্তানা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় প্রকাশ্যে মাদকের কারবার চলছিল। এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে অভিযানে নামেন আবুল কাউসার আশা। অভিযানের পর মাদকসেবী ও মাদক কারবারিদের আনাগোনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা।
এদিকে, অভিযানের পর বন্দরে আরেক আলোচিত ব্যক্তি ‘ব্লাক জনি’কে ঘিরে আলোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, একাধিক মামলার আসামি হিসেবে পরিচিত জনি এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় নানা প্রশ্ন ও গুঞ্জন দেখা দিয়েছে।
তবে ব্লাক জনির বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকেও আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সচেতন মহলের মতে, মাদকের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানে বড় সিন্ডিকেটগুলোর বিরুদ্ধেও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। তারা আশা করছেন, প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সমন্বিত উদ্যোগে মাদক নিয়ন্ত্রণে আরও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে আবুল কাউসার আশা বলেন, “বন্দরকে মাদকের অভয়ারণ্য হতে দেওয়া হবে না। যারা যুবসমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে। অপরাধী যে-ই হোক, তাকে আইনের আওতায় আসতে হবে।”

মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুন ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের লক্ষ্যে মাদকবিরোধী তৎপরতা জোরদার করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্যের রাজনৈতিক সচিব ও মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কাউসার আশা। তার নেতৃত্বে সম্প্রতি ২৩ নম্বর ওয়ার্ডে অভিযানে গিয়ে মাদক ব্যবসার অভিযোগে পরিচিত দুই ব্যক্তি রমজান ও গাজীর আস্তানা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় প্রকাশ্যে মাদকের কারবার চলছিল। এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে অভিযানে নামেন আবুল কাউসার আশা। অভিযানের পর মাদকসেবী ও মাদক কারবারিদের আনাগোনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা।
এদিকে, অভিযানের পর বন্দরে আরেক আলোচিত ব্যক্তি ‘ব্লাক জনি’কে ঘিরে আলোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, একাধিক মামলার আসামি হিসেবে পরিচিত জনি এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় নানা প্রশ্ন ও গুঞ্জন দেখা দিয়েছে।
তবে ব্লাক জনির বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকেও আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সচেতন মহলের মতে, মাদকের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানে বড় সিন্ডিকেটগুলোর বিরুদ্ধেও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। তারা আশা করছেন, প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সমন্বিত উদ্যোগে মাদক নিয়ন্ত্রণে আরও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে আবুল কাউসার আশা বলেন, “বন্দরকে মাদকের অভয়ারণ্য হতে দেওয়া হবে না। যারা যুবসমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে। অপরাধী যে-ই হোক, তাকে আইনের আওতায় আসতে হবে।”

আপনার মতামত লিখুন