নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা মডেল থানায় দায়ের হওয়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের একটি মামলার ৩ নম্বর আসামি রাসেল মিয়া ওরফে ‘কইতর রাসেল’ (৪০)-কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (৮ জুলাই) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ আদালত প্রাঙ্গণের বাইরে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
পুলিশ জানায়, ভুক্তভোগী সুমাইয়া আক্তারের দায়ের করা মামলায় যৌতুকের দাবিতে নির্যাতন, মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে। এ ঘটনায় ফতুল্লা মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা (নং-৩০) দায়ের করা হয়েছে।
মামলার অপর আসামিরা হলেন মেহেদী (২৬), পিংকি (৩০), রনি (৪৬) ও আবুল কালাম (৫৫)।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, বিয়ের পর ভুক্তভোগীর কাছে বিদেশে পাঠানোর কথা বলে পাঁচ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করা হয়। দাবি পূরণে অস্বীকৃতি জানালে তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হয়। এছাড়া গত ৩০ জুন আসামিরা তার বাড়িতে গিয়ে মারধর, হত্যাচেষ্টা এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ফতুল্লা মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শহিদুল ইসলাম জানান, আদালত প্রাঙ্গণের বাইরে অভিযান চালিয়ে রাসেল মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাকে আদালতে হাজির করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।

বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুলাই ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা মডেল থানায় দায়ের হওয়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের একটি মামলার ৩ নম্বর আসামি রাসেল মিয়া ওরফে ‘কইতর রাসেল’ (৪০)-কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (৮ জুলাই) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ আদালত প্রাঙ্গণের বাইরে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
পুলিশ জানায়, ভুক্তভোগী সুমাইয়া আক্তারের দায়ের করা মামলায় যৌতুকের দাবিতে নির্যাতন, মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে। এ ঘটনায় ফতুল্লা মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা (নং-৩০) দায়ের করা হয়েছে।
মামলার অপর আসামিরা হলেন মেহেদী (২৬), পিংকি (৩০), রনি (৪৬) ও আবুল কালাম (৫৫)।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, বিয়ের পর ভুক্তভোগীর কাছে বিদেশে পাঠানোর কথা বলে পাঁচ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করা হয়। দাবি পূরণে অস্বীকৃতি জানালে তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হয়। এছাড়া গত ৩০ জুন আসামিরা তার বাড়িতে গিয়ে মারধর, হত্যাচেষ্টা এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ফতুল্লা মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শহিদুল ইসলাম জানান, আদালত প্রাঙ্গণের বাইরে অভিযান চালিয়ে রাসেল মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাকে আদালতে হাজির করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন