নিরাপদ, বাসযোগ্য এবং চাঁদাবাজি ও যানজটমুক্ত নারায়ণগঞ্জ গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকার কথা জানিয়েছে গণসংহতি আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটি।
বুধবার (২২ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনটির নেতারা এ অবস্থান তুলে ধরেন। তারা বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে হকার উচ্ছেদ ইস্যুকে কেন্দ্র করে শহরে একটি উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে নির্বাহী সমন্বয়কারী অঞ্জন দাসের হকারদের মিছিলে অংশগ্রহণ সংগঠনের শৃঙ্খলার পরিপন্থী। তবে তিনি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হওয়ায় এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কেন্দ্র থেকেই নেওয়া হবে। একই সঙ্গে তার ওই অংশগ্রহণকে চাঁদাবাজির সঙ্গে যুক্ত করে যেভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে, তা ‘অগ্রহণযোগ্য ও অনভিপ্রেত’ বলে মন্তব্য করা হয়।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, অঞ্জন দাস দীর্ঘদিন ধরে পুনর্বাসনের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ছাড়া হকার উচ্ছেদের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে আসছেন। অতীত অভিজ্ঞতার আলোকে তারা মনে করেন, বিকল্প ব্যবস্থা ছাড়া উচ্ছেদ কার্যক্রম সাময়িক সমাধান দিলেও এতে চাঁদাবাজির রূপ বদল এবং নতুন করে তা বিস্তারের ঝুঁকি তৈরি হয়।
গণসংহতি আন্দোলন জানায়, তাদের মূল লক্ষ্য হলো হকারদের ঘিরে গড়ে ওঠা চাঁদাবাজির কাঠামো ভেঙে দেওয়া এবং সব নাগরিকের জন্য নিরাপত্তা ও জীবিকার নিশ্চয়তা নিশ্চিত করা। জনগণের একাংশকে আরেক অংশের বিরুদ্ধে ব্যবহার করে কোনো গোষ্ঠীর স্বার্থ হাসিলের প্রচেষ্টার বিরুদ্ধেও তারা অবস্থান অব্যাহত রাখবে।
বিবৃতিতে বলা হয়, নারায়ণগঞ্জের মানুষের সমস্যা সমাধানে অতীতের মতো ভবিষ্যতেও গণসংহতি আন্দোলনের কার্যক্রম ও আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ এপ্রিল ২০২৬
নিরাপদ, বাসযোগ্য এবং চাঁদাবাজি ও যানজটমুক্ত নারায়ণগঞ্জ গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকার কথা জানিয়েছে গণসংহতি আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটি।
বুধবার (২২ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনটির নেতারা এ অবস্থান তুলে ধরেন। তারা বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে হকার উচ্ছেদ ইস্যুকে কেন্দ্র করে শহরে একটি উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে নির্বাহী সমন্বয়কারী অঞ্জন দাসের হকারদের মিছিলে অংশগ্রহণ সংগঠনের শৃঙ্খলার পরিপন্থী। তবে তিনি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হওয়ায় এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কেন্দ্র থেকেই নেওয়া হবে। একই সঙ্গে তার ওই অংশগ্রহণকে চাঁদাবাজির সঙ্গে যুক্ত করে যেভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে, তা ‘অগ্রহণযোগ্য ও অনভিপ্রেত’ বলে মন্তব্য করা হয়।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, অঞ্জন দাস দীর্ঘদিন ধরে পুনর্বাসনের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ছাড়া হকার উচ্ছেদের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে আসছেন। অতীত অভিজ্ঞতার আলোকে তারা মনে করেন, বিকল্প ব্যবস্থা ছাড়া উচ্ছেদ কার্যক্রম সাময়িক সমাধান দিলেও এতে চাঁদাবাজির রূপ বদল এবং নতুন করে তা বিস্তারের ঝুঁকি তৈরি হয়।
গণসংহতি আন্দোলন জানায়, তাদের মূল লক্ষ্য হলো হকারদের ঘিরে গড়ে ওঠা চাঁদাবাজির কাঠামো ভেঙে দেওয়া এবং সব নাগরিকের জন্য নিরাপত্তা ও জীবিকার নিশ্চয়তা নিশ্চিত করা। জনগণের একাংশকে আরেক অংশের বিরুদ্ধে ব্যবহার করে কোনো গোষ্ঠীর স্বার্থ হাসিলের প্রচেষ্টার বিরুদ্ধেও তারা অবস্থান অব্যাহত রাখবে।
বিবৃতিতে বলা হয়, নারায়ণগঞ্জের মানুষের সমস্যা সমাধানে অতীতের মতো ভবিষ্যতেও গণসংহতি আন্দোলনের কার্যক্রম ও আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন