নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার বক্তাবলী খেয়াঘাটে দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, যাত্রীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার এবং রাতের বেলায় বাড়তি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগে ক্ষোভ ছিল সাধারণ মানুষের মধ্যে। অবশেষে ২৯ এপ্রিল উপজেলা প্রশাসন সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে বক্তাবলী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম প্রধানের হাতে ঘাটের নতুন ইজারা হস্তান্তর করায় যাত্রীদের মাঝে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে।
স্থানীয় যাত্রীদের অভিযোগ, পূর্ববর্তী ব্যবস্থাপনায় ঘাটে নিয়মিত পারাপারের পাশাপাশি ‘স্পেশাল ট্রলার’ সার্ভিস চালু থাকায় তাদের অতিরিক্ত খরচ বহন করতে হতো। সাধারণভাবে ঘাটে ৫ টাকা এবং ট্রলারে আরও ৫ টাকা দিতে হওয়ায় প্রতিদিনের যাতায়াতে বাড়তি ভোগান্তির শিকার হয়েছেন হাজারো মানুষ। বিশেষ করে রাত ৯টা বা ১০টার পর পারাপারে যাত্রীদের কাছ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত আদায়ের অভিযোগ রয়েছে।
নতুন ইজারা গ্রহণের পর যাত্রীরা আশা করছেন, নজরুল ইসলাম প্রধানের নেতৃত্বে খেয়াঘাটে শৃঙ্খলা ফিরবে এবং দীর্ঘদিনের অনিয়ম দূর হবে।
স্থানীয় বাসিন্দা পাবেল আহসান বলেন,
“নতুন ইজারাদারদের কাছে আকুল আবেদন,যাত্রীরা যেন সম্মানের সঙ্গে স্বল্প ভাড়ায় নিরাপদে চলাচল করতে পারে। অতীতের ভোগান্তি ভুলিয়ে দিয়ে একটি জনবান্ধব সেবা নিশ্চিত করা হোক।”
অন্যদিকে সাইফুল্লাহ লিটন বলেন,
“স্পেশাল ট্রলার বাতিল করতে হবে। প্রয়োজনে সাধারণ ঘাটের ট্রলার সংখ্যা বাড়িয়ে যাত্রীদের স্বাভাবিক ও সাশ্রয়ী সেবা নিশ্চিত করতে হবে।”
যাত্রীদের মতে, বক্তাবলী খেয়াঘাট দিয়ে প্রতিদিন বহু মানুষ নারায়ণগঞ্জ শহরসহ আশপাশের এলাকায় যাতায়াত করেন। তাই ঘাট ব্যবস্থাপনায় যাত্রীসেবা, নিরাপত্তা, ভাড়া নিয়ন্ত্রণ এবং দুর্ব্যবহার বন্ধ করা এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
এখন দেখার বিষয়, নতুন ইজারাদারের নেতৃত্বে বক্তাবলী খেয়াঘাটে সত্যিই কতটা পরিবর্তন আসে এবং সাধারণ যাত্রীরা দীর্ঘদিনের ভোগান্তি থেকে কতটা মুক্তি পান।

শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার বক্তাবলী খেয়াঘাটে দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, যাত্রীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার এবং রাতের বেলায় বাড়তি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগে ক্ষোভ ছিল সাধারণ মানুষের মধ্যে। অবশেষে ২৯ এপ্রিল উপজেলা প্রশাসন সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে বক্তাবলী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম প্রধানের হাতে ঘাটের নতুন ইজারা হস্তান্তর করায় যাত্রীদের মাঝে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে।
স্থানীয় যাত্রীদের অভিযোগ, পূর্ববর্তী ব্যবস্থাপনায় ঘাটে নিয়মিত পারাপারের পাশাপাশি ‘স্পেশাল ট্রলার’ সার্ভিস চালু থাকায় তাদের অতিরিক্ত খরচ বহন করতে হতো। সাধারণভাবে ঘাটে ৫ টাকা এবং ট্রলারে আরও ৫ টাকা দিতে হওয়ায় প্রতিদিনের যাতায়াতে বাড়তি ভোগান্তির শিকার হয়েছেন হাজারো মানুষ। বিশেষ করে রাত ৯টা বা ১০টার পর পারাপারে যাত্রীদের কাছ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত আদায়ের অভিযোগ রয়েছে।
নতুন ইজারা গ্রহণের পর যাত্রীরা আশা করছেন, নজরুল ইসলাম প্রধানের নেতৃত্বে খেয়াঘাটে শৃঙ্খলা ফিরবে এবং দীর্ঘদিনের অনিয়ম দূর হবে।
স্থানীয় বাসিন্দা পাবেল আহসান বলেন,
“নতুন ইজারাদারদের কাছে আকুল আবেদন,যাত্রীরা যেন সম্মানের সঙ্গে স্বল্প ভাড়ায় নিরাপদে চলাচল করতে পারে। অতীতের ভোগান্তি ভুলিয়ে দিয়ে একটি জনবান্ধব সেবা নিশ্চিত করা হোক।”
অন্যদিকে সাইফুল্লাহ লিটন বলেন,
“স্পেশাল ট্রলার বাতিল করতে হবে। প্রয়োজনে সাধারণ ঘাটের ট্রলার সংখ্যা বাড়িয়ে যাত্রীদের স্বাভাবিক ও সাশ্রয়ী সেবা নিশ্চিত করতে হবে।”
যাত্রীদের মতে, বক্তাবলী খেয়াঘাট দিয়ে প্রতিদিন বহু মানুষ নারায়ণগঞ্জ শহরসহ আশপাশের এলাকায় যাতায়াত করেন। তাই ঘাট ব্যবস্থাপনায় যাত্রীসেবা, নিরাপত্তা, ভাড়া নিয়ন্ত্রণ এবং দুর্ব্যবহার বন্ধ করা এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
এখন দেখার বিষয়, নতুন ইজারাদারের নেতৃত্বে বক্তাবলী খেয়াঘাটে সত্যিই কতটা পরিবর্তন আসে এবং সাধারণ যাত্রীরা দীর্ঘদিনের ভোগান্তি থেকে কতটা মুক্তি পান।

আপনার মতামত লিখুন