নারায়ণগঞ্জ শহরের ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে পরিচালিত উচ্ছেদ অভিযানে সিটি করপোরেশনের কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। তবে অভিযুক্তদের শনাক্ত ও আটকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
মঙ্গলবার (৫ মে) রাতে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের আইন কর্মকর্তা মিজানুর রহমান সদর মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ১০ জনের নাম উল্লেখসহ আরও প্রায় ১৫০ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, শহরের ফুটপাত দখলমুক্ত করতে অভিযান চালালে ক্ষুব্ধ হয়ে হকাররা উচ্ছেদ কাজে নিয়োজিত কর্মীদের ওপর হামলা চালায়। অভিযুক্তরা মূলত ফুটপাতে ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করেন।
সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাজেদুর রহমান বলেন, “আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে। দ্রুত তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।”
এর আগে গত ১৩ এপ্রিল শহরের বিভিন্ন সড়ক ও ফুটপাত থেকে হকার ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন। অভিযানে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও রাজনৈতিক নেতারাও অংশ নেন। পরে পুনর্বাসন ও নির্দিষ্ট সময়ে ফুটপাতে বসার দাবিতে আন্দোলনে নামেন হকাররা। এ দাবিতে তারা এমপি, জেলা প্রশাসক ও নাসিক প্রশাসকের কাছেও স্মারকলিপি দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
নারায়ণগঞ্জ শহরের ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে পরিচালিত উচ্ছেদ অভিযানে সিটি করপোরেশনের কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। তবে অভিযুক্তদের শনাক্ত ও আটকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
মঙ্গলবার (৫ মে) রাতে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের আইন কর্মকর্তা মিজানুর রহমান সদর মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ১০ জনের নাম উল্লেখসহ আরও প্রায় ১৫০ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, শহরের ফুটপাত দখলমুক্ত করতে অভিযান চালালে ক্ষুব্ধ হয়ে হকাররা উচ্ছেদ কাজে নিয়োজিত কর্মীদের ওপর হামলা চালায়। অভিযুক্তরা মূলত ফুটপাতে ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করেন।
সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাজেদুর রহমান বলেন, “আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে। দ্রুত তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।”
এর আগে গত ১৩ এপ্রিল শহরের বিভিন্ন সড়ক ও ফুটপাত থেকে হকার ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন। অভিযানে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও রাজনৈতিক নেতারাও অংশ নেন। পরে পুনর্বাসন ও নির্দিষ্ট সময়ে ফুটপাতে বসার দাবিতে আন্দোলনে নামেন হকাররা। এ দাবিতে তারা এমপি, জেলা প্রশাসক ও নাসিক প্রশাসকের কাছেও স্মারকলিপি দিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন