নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন শিমুলপাড়া বিহারী ক্যাম্প এলাকায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ ৬ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় আরও ৫ জনকে আটক করে পুলিশ আইনের ৩৪ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
শনিবার (৯ মে) নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সীর নির্দেশনায় জেলা পুলিশ, বিজিবি, র্যাব এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সমন্বয়ে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে যৌথ বাহিনীর প্রায় ২০০ সদস্য অংশ নেন।
অভিযান চলাকালে মোট ১১ জনকে আটক করা হয়। এর মধ্যে ৬ জনের কাছ থেকে ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেফতাররা হলেন— নাজিম (২৮), সাগর (২৮), ইমন মিয়া (২৭), রাহাত মিয়া (২০), রাসেল মিয়া (২৭) ও বাবুল মিয়া (৩২)। তারা সবাই সিদ্ধিরগঞ্জের শিমুলপাড়া বিহারী ক্যাম্প এলাকার বাসিন্দা।
এছাড়া ফয়সাল মিয়া, জীবন, ওয়াহিদ মিয়া, ফারুক মিয়া ও বাবু নামের আরও পাঁচজনের বিরুদ্ধে পুলিশ আইনের ৩৪ ধারায় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদকসেবী, মাদক কারবারি, কিশোর গ্যাং, ছিনতাইকারী ও দুষ্কৃতিকারীদের বিরুদ্ধে এ ধরনের যৌথ অভিযান ভবিষ্যতেও চলমান থাকবে।

রোববার, ১০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন শিমুলপাড়া বিহারী ক্যাম্প এলাকায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ ৬ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় আরও ৫ জনকে আটক করে পুলিশ আইনের ৩৪ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
শনিবার (৯ মে) নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সীর নির্দেশনায় জেলা পুলিশ, বিজিবি, র্যাব এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সমন্বয়ে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে যৌথ বাহিনীর প্রায় ২০০ সদস্য অংশ নেন।
অভিযান চলাকালে মোট ১১ জনকে আটক করা হয়। এর মধ্যে ৬ জনের কাছ থেকে ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেফতাররা হলেন— নাজিম (২৮), সাগর (২৮), ইমন মিয়া (২৭), রাহাত মিয়া (২০), রাসেল মিয়া (২৭) ও বাবুল মিয়া (৩২)। তারা সবাই সিদ্ধিরগঞ্জের শিমুলপাড়া বিহারী ক্যাম্প এলাকার বাসিন্দা।
এছাড়া ফয়সাল মিয়া, জীবন, ওয়াহিদ মিয়া, ফারুক মিয়া ও বাবু নামের আরও পাঁচজনের বিরুদ্ধে পুলিশ আইনের ৩৪ ধারায় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদকসেবী, মাদক কারবারি, কিশোর গ্যাং, ছিনতাইকারী ও দুষ্কৃতিকারীদের বিরুদ্ধে এ ধরনের যৌথ অভিযান ভবিষ্যতেও চলমান থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন