মিথ্যা মামলায় খালাস পেলেন আল আমিন হৃদয়
নারায়ণগঞ্জের বক্তাবলীর যুবক আল আমিন হৃদয় দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে একটি মামলায় খালাস পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন। সোমবার (১১ মে ২০২৬) তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে এ তথ্য জানান।
আল আমিন হৃদয়ের দাবি, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকায় ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার বিরুদ্ধে একটি “মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক” মামলা দায়ের করা হয়। তিনি অভিযোগ করেন, তৎকালীন বক্তাবলী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বাবুল মিয়া ষড়যন্ত্র করে তাকে ওই মামলায় জড়ান।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৪ নভেম্বর তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার পরিবার, বিশেষ করে বৃদ্ধ মা, চরম হয়রানি শারীরিক ও মানসিক কষ্টের শিকার হন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
আল আমিন হৃদয় আরও দাবি করেন, গ্রেফতারের পর তাকে ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ দাবি করা হয়। পরে প্রায় ১৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা ব্যয়ের পর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। তিনি এক মাস তিন দিন কারাভোগের পর প্রায় ৩ লাখ ৬৫ হাজার টাকা খরচ করে জামিনে মুক্তি পান।
সব মিলিয়ে মামলাটি পরিচালনা ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন খাতে তার প্রায় ২৪ লাখ ৬৫ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে বলে জানান তিনি।
দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে ১১ মে ২০২৬ তারিখে আদালত তাকে খালাস দেন বলে তিনি নিশ্চিত করেন। এ বিষয়ে আল আমিন হৃদয় বলেন, “সত্য শেষ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠিত হয়েছে—এটাই আমার সবচেয়ে বড় স্বস্তি। আল্লাহর কাছে শুকরিয়া।”

সোমবার, ১১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬
মিথ্যা মামলায় খালাস পেলেন আল আমিন হৃদয়
নারায়ণগঞ্জের বক্তাবলীর যুবক আল আমিন হৃদয় দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে একটি মামলায় খালাস পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন। সোমবার (১১ মে ২০২৬) তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে এ তথ্য জানান।
আল আমিন হৃদয়ের দাবি, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকায় ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার বিরুদ্ধে একটি “মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক” মামলা দায়ের করা হয়। তিনি অভিযোগ করেন, তৎকালীন বক্তাবলী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বাবুল মিয়া ষড়যন্ত্র করে তাকে ওই মামলায় জড়ান।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৪ নভেম্বর তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার পরিবার, বিশেষ করে বৃদ্ধ মা, চরম হয়রানি শারীরিক ও মানসিক কষ্টের শিকার হন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
আল আমিন হৃদয় আরও দাবি করেন, গ্রেফতারের পর তাকে ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ দাবি করা হয়। পরে প্রায় ১৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা ব্যয়ের পর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। তিনি এক মাস তিন দিন কারাভোগের পর প্রায় ৩ লাখ ৬৫ হাজার টাকা খরচ করে জামিনে মুক্তি পান।
সব মিলিয়ে মামলাটি পরিচালনা ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন খাতে তার প্রায় ২৪ লাখ ৬৫ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে বলে জানান তিনি।
দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে ১১ মে ২০২৬ তারিখে আদালত তাকে খালাস দেন বলে তিনি নিশ্চিত করেন। এ বিষয়ে আল আমিন হৃদয় বলেন, “সত্য শেষ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠিত হয়েছে—এটাই আমার সবচেয়ে বড় স্বস্তি। আল্লাহর কাছে শুকরিয়া।”

আপনার মতামত লিখুন