দীর্ঘ এক বছরেরও বেশি সময় কারাভোগের পর জামিনে মুক্ত হয়ে নিজ বাসভবনে ফিরেছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী। তাঁর মুক্তির খবরে কর্মী-সমর্থক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা গেছে। ফলে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই দেওভোগে অবস্থিত তাঁর বাসভবন ‘চুনকা কুটির’-এ ভিড় বাড়তে থাকে।
এর আগে বুধবার রাত সোয়া ১০টার দিকে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগার থেকে মুক্তি পান আইভী। পরে রাত সাড়ে ১২টার দিকে তিনি নিজ বাসভবনে পৌঁছালে সেখানে উপস্থিত স্বজন ও ঘনিষ্ঠজনরা তাঁকে স্বাগত জানান। এ সময় তাঁর ভগ্নিপতি আবদুল কাদির এবং সাবেক কাউন্সিলর মনিরুজ্জামান মনিরসহ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন।
আইভীর বাড়িতে লোকসমাগম বাড়তে থাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে পুলিশ। মুক্তির রাতেই ‘চুনকা কুটির’ ও আশপাশের বিভিন্ন স্থানে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়। পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রশাসনিক চাপ এবং নিরাপত্তাজনিত কারণে দর্শনার্থীদের সংখ্যা সীমিত রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে এরপরও বিভিন্ন এলাকা থেকে নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা তাঁকে দেখতে ও খোঁজখবর নিতে আসছেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বাসভবনের সামনের অংশসহ আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্যই এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুর রহমান সিসিটিভি স্থাপনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, নিরাপত্তাসহ সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ক্যামেরাগুলো স্থাপন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ৯ মে ভোরে নিজ বাসভবন থেকে গ্রেপ্তার হন সেলিনা হায়াৎ আইভী। পরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া হত্যা ও হত্যাচেষ্টাসহ মোট ১২টি মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। বিভিন্ন মামলায় জামিন পেলেও নতুন মামলায় পুনরায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছিল। সর্বশেষ গত ৩০ এপ্রিল সিদ্ধিরগঞ্জ থানার দুটি হত্যা মামলায় হাইকোর্ট থেকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন লাভের পর তাঁর মুক্তির পথ সুগম হয়।

বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুন ২০২৬
দীর্ঘ এক বছরেরও বেশি সময় কারাভোগের পর জামিনে মুক্ত হয়ে নিজ বাসভবনে ফিরেছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী। তাঁর মুক্তির খবরে কর্মী-সমর্থক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা গেছে। ফলে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই দেওভোগে অবস্থিত তাঁর বাসভবন ‘চুনকা কুটির’-এ ভিড় বাড়তে থাকে।
এর আগে বুধবার রাত সোয়া ১০টার দিকে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগার থেকে মুক্তি পান আইভী। পরে রাত সাড়ে ১২টার দিকে তিনি নিজ বাসভবনে পৌঁছালে সেখানে উপস্থিত স্বজন ও ঘনিষ্ঠজনরা তাঁকে স্বাগত জানান। এ সময় তাঁর ভগ্নিপতি আবদুল কাদির এবং সাবেক কাউন্সিলর মনিরুজ্জামান মনিরসহ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন।
আইভীর বাড়িতে লোকসমাগম বাড়তে থাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে পুলিশ। মুক্তির রাতেই ‘চুনকা কুটির’ ও আশপাশের বিভিন্ন স্থানে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়। পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রশাসনিক চাপ এবং নিরাপত্তাজনিত কারণে দর্শনার্থীদের সংখ্যা সীমিত রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে এরপরও বিভিন্ন এলাকা থেকে নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা তাঁকে দেখতে ও খোঁজখবর নিতে আসছেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বাসভবনের সামনের অংশসহ আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্যই এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুর রহমান সিসিটিভি স্থাপনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, নিরাপত্তাসহ সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ক্যামেরাগুলো স্থাপন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ৯ মে ভোরে নিজ বাসভবন থেকে গ্রেপ্তার হন সেলিনা হায়াৎ আইভী। পরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া হত্যা ও হত্যাচেষ্টাসহ মোট ১২টি মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। বিভিন্ন মামলায় জামিন পেলেও নতুন মামলায় পুনরায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছিল। সর্বশেষ গত ৩০ এপ্রিল সিদ্ধিরগঞ্জ থানার দুটি হত্যা মামলায় হাইকোর্ট থেকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন লাভের পর তাঁর মুক্তির পথ সুগম হয়।

আপনার মতামত লিখুন