দীর্ঘ কারাভোগ শেষে জামিনে মুক্ত হয়ে নিজ বাসভবনে ফেরার পর নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীর বাসায় আত্মীয়স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীদের উপস্থিতি বেড়েছে। এ সময় তাঁর বাসার ভেতরে অবস্থিত পারিবারিক খানকায় ‘গাদিরে খুম’ স্মরণে একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
বৃহস্পতিবার আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিশেষ দোয়া ও ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা পালন করা হয়। ইসলামের ইতিহাসে গাদিরে খুমের ঘটনাকে স্মরণ করে তরিকতপন্থীরা প্রতি বছর বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে থাকেন।
এদিন দুপুরে সাংবাদিক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সঙ্গে আলাপকালে ডা. আইভী জানান, কারাগারে থাকাকালে তিনি প্রার্থনা করেছিলেন যেন গাদিরে খুমের আগেই নিজের বাসায় ফিরতে পারেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, সেই প্রার্থনা পূরণ হয়েছে। তিনি আরও বলেন, কারাগারে অবস্থানকালে নিয়মিত বিভিন্ন ধর্মীয় আমল পালনে মনোযোগী ছিলেন।
এদিকে আইভীর বাসায় ফেরার আগে বাড়ির প্রবেশমুখের পাশে একটি আধুনিক সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করে জেলা পুলিশ। বিষয়টি নিয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) তারেক আল মেহেদী বলেন, এটি শুধু সাবেক মেয়রের বাসার জন্য নয়; কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা নিয়ন্ত্রণে শহরের বিভিন্ন স্থানে নজরদারি বাড়ানোর অংশ হিসেবে ওই এলাকায় মোট চারটি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, আইভীর সঙ্গে সাধারণ মানুষ বা শুভানুধ্যায়ীরা দেখা করতে পারবেন। তবে কোনো ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বা সভা-সমাবেশ পরিচালিত হচ্ছে কি না, সে বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি থাকবে এবং আইন লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুন ২০২৬
দীর্ঘ কারাভোগ শেষে জামিনে মুক্ত হয়ে নিজ বাসভবনে ফেরার পর নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীর বাসায় আত্মীয়স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীদের উপস্থিতি বেড়েছে। এ সময় তাঁর বাসার ভেতরে অবস্থিত পারিবারিক খানকায় ‘গাদিরে খুম’ স্মরণে একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
বৃহস্পতিবার আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিশেষ দোয়া ও ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা পালন করা হয়। ইসলামের ইতিহাসে গাদিরে খুমের ঘটনাকে স্মরণ করে তরিকতপন্থীরা প্রতি বছর বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে থাকেন।
এদিন দুপুরে সাংবাদিক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সঙ্গে আলাপকালে ডা. আইভী জানান, কারাগারে থাকাকালে তিনি প্রার্থনা করেছিলেন যেন গাদিরে খুমের আগেই নিজের বাসায় ফিরতে পারেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, সেই প্রার্থনা পূরণ হয়েছে। তিনি আরও বলেন, কারাগারে অবস্থানকালে নিয়মিত বিভিন্ন ধর্মীয় আমল পালনে মনোযোগী ছিলেন।
এদিকে আইভীর বাসায় ফেরার আগে বাড়ির প্রবেশমুখের পাশে একটি আধুনিক সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করে জেলা পুলিশ। বিষয়টি নিয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) তারেক আল মেহেদী বলেন, এটি শুধু সাবেক মেয়রের বাসার জন্য নয়; কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা নিয়ন্ত্রণে শহরের বিভিন্ন স্থানে নজরদারি বাড়ানোর অংশ হিসেবে ওই এলাকায় মোট চারটি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, আইভীর সঙ্গে সাধারণ মানুষ বা শুভানুধ্যায়ীরা দেখা করতে পারবেন। তবে কোনো ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বা সভা-সমাবেশ পরিচালিত হচ্ছে কি না, সে বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি থাকবে এবং আইন লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন