নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক অঙ্গনে আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে সাবেক সিটি মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী, সাবেক সংসদ সদস্য সেলিম ও শামীম ওসমান এবং মহানগর বিএনপি নেতা আবু আল ইউসুফ খান টিপুর নাম।
দীর্ঘদিন ধরে নারায়ণগঞ্জের রাজনীতিতে আইভী ও ওসমান পরিবারের মধ্যকার টানাপোড়েন স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়ে আসছে। বিভিন্ন সময় দুই পক্ষের অবস্থান ও সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা নগরীর রাজনৈতিক পরিবেশে প্রভাব ফেলেছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে।
৫ আগস্ট পরবর্তী সময়েও সেই রাজনৈতিক সমীকরণ নতুন করে সামনে আসে। বিভিন্ন সময়ে বিএনপির একাধিক নেতা আইভী ও ওসমান পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও দলীয়ভাবে একক কোনো অবস্থান সবসময় দেখা যায়নি। তবে মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপু এ ইস্যুতে সবচেয়ে সরব ভূমিকা রাখেন বলে জানা যায়।
তিনি বিভিন্ন সময় বক্তব্যে আইভী ও ওসমান পরিবারের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তার দাবিসহ কঠোর অবস্থান তুলে ধরেন, যা স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করে।
এর পাশাপাশি বিএনপির ভেতরেও টিপুর ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক দেখা দেয়। দলীয় একাংশের অভিযোগ, তিনি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের প্রভাবে অবস্থান নিচ্ছেন—যদিও এসব অভিযোগ নিয়ে প্রকাশ্যে কোনো সমাধান আসেনি।
সব মিলিয়ে আইভী-ওসমান দ্বন্দ্ব, টিপুর কড়া বক্তব্য এবং বিএনপির অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েন মিলিয়ে নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক অঙ্গন আবারও উত্তপ্ত ও আলোচনাসৃষ্টিকারী অবস্থায় রয়েছে।

সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুন ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক অঙ্গনে আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে সাবেক সিটি মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী, সাবেক সংসদ সদস্য সেলিম ও শামীম ওসমান এবং মহানগর বিএনপি নেতা আবু আল ইউসুফ খান টিপুর নাম।
দীর্ঘদিন ধরে নারায়ণগঞ্জের রাজনীতিতে আইভী ও ওসমান পরিবারের মধ্যকার টানাপোড়েন স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়ে আসছে। বিভিন্ন সময় দুই পক্ষের অবস্থান ও সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা নগরীর রাজনৈতিক পরিবেশে প্রভাব ফেলেছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে।
৫ আগস্ট পরবর্তী সময়েও সেই রাজনৈতিক সমীকরণ নতুন করে সামনে আসে। বিভিন্ন সময়ে বিএনপির একাধিক নেতা আইভী ও ওসমান পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও দলীয়ভাবে একক কোনো অবস্থান সবসময় দেখা যায়নি। তবে মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপু এ ইস্যুতে সবচেয়ে সরব ভূমিকা রাখেন বলে জানা যায়।
তিনি বিভিন্ন সময় বক্তব্যে আইভী ও ওসমান পরিবারের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তার দাবিসহ কঠোর অবস্থান তুলে ধরেন, যা স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করে।
এর পাশাপাশি বিএনপির ভেতরেও টিপুর ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক দেখা দেয়। দলীয় একাংশের অভিযোগ, তিনি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের প্রভাবে অবস্থান নিচ্ছেন—যদিও এসব অভিযোগ নিয়ে প্রকাশ্যে কোনো সমাধান আসেনি।
সব মিলিয়ে আইভী-ওসমান দ্বন্দ্ব, টিপুর কড়া বক্তব্য এবং বিএনপির অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েন মিলিয়ে নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক অঙ্গন আবারও উত্তপ্ত ও আলোচনাসৃষ্টিকারী অবস্থায় রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন