বি পি নিউজ ২৪

বাবা-মা-ভাইয়ের পর চলে গেল শিশু মিমও, বন্দরে গ্যাস বি'স্ফোরণে নি'শ্চিহ্ন পুরো পরিবার


প্রকাশ : ১৬ জুন ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

 বাবা-মা-ভাইয়ের পর চলে গেল শিশু মিমও, বন্দরে গ্যাস বি'স্ফোরণে নি'শ্চিহ্ন পুরো পরিবার

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় গ্যাস বিস্ফোরণের মর্মান্তিক ঘটনায় একই পরিবারের আর কেউ জীবিত রইল না। বাবা, মা ও বড় ভাইয়ের মৃত্যুর পর এবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রাণ হারিয়েছে ১৩ বছর বয়সী শিশু মিম। তার মৃত্যুর মধ্য দিয়ে এই দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে চারজনে।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) ভোররাত ১টা ৪০ মিনিটে ঢাকার জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মিম মারা যায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রতিষ্ঠানটির আবাসিক সার্জন সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান।

তিনি জানান, মিমের শরীরের ৫১ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল এবং আগুনে তার শ্বাসনালীও গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। নিবিড় পরিচর্যায় রেখে সর্বোচ্চ চিকিৎসা দেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

এর আগে একই ঘটনায় গত শুক্রবার (১২ জুন) ৯০ শতাংশ দগ্ধ অবস্থায় চিকিৎসাধীন মা সুলতানা বেগম (৩৫) মারা যান। পরে সোমবার (১৫ জুন) ভোরে ৩৫ শতাংশ দগ্ধ বাবা আব্দুল মান্নান (৫০) এবং একই দিন সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে ৭৭ শতাংশ দগ্ধ ছেলে সিয়াম (১৯) মৃত্যুবরণ করেন।

বর্তমানে এ দুর্ঘটনায় আহতদের মধ্যে কেবল প্রতিবেশী শিশু হযরত আলী (৮) জীবিত রয়েছে। ৮ শতাংশ দগ্ধ অবস্থায় সে হাসপাতালের অবজারভেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসা নিচ্ছে।

গত বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে বন্দর উপজেলার মদনপুর ইউনিয়নের চানপুর এলাকার একটি একতলা বাড়িতে ভয়াবহ এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

কাঁচপুর ফায়ার স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার জাহাঙ্গীর আলম জানান, বাড়িটিতে তিতাসের গ্যাস লাইনের পাশাপাশি সিলিন্ডারের সংযোগও ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, রাতে রান্নাঘরে জমে থাকা গ্যাস সকালে চুলায় আগুন জ্বালানোর সময় বিস্ফোরণের সৃষ্টি করে।

ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, তদন্ত শেষ হলে গ্যাস লিকেজের প্রকৃত উৎস ও বিস্ফোরণের সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।

আপনার মতামত লিখুন

বি পি নিউজ ২৪

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬


বাবা-মা-ভাইয়ের পর চলে গেল শিশু মিমও, বন্দরে গ্যাস বি'স্ফোরণে নি'শ্চিহ্ন পুরো পরিবার

প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬

featured Image

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় গ্যাস বিস্ফোরণের মর্মান্তিক ঘটনায় একই পরিবারের আর কেউ জীবিত রইল না। বাবা, মা ও বড় ভাইয়ের মৃত্যুর পর এবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রাণ হারিয়েছে ১৩ বছর বয়সী শিশু মিম। তার মৃত্যুর মধ্য দিয়ে এই দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে চারজনে।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) ভোররাত ১টা ৪০ মিনিটে ঢাকার জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মিম মারা যায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রতিষ্ঠানটির আবাসিক সার্জন সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান।

তিনি জানান, মিমের শরীরের ৫১ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল এবং আগুনে তার শ্বাসনালীও গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। নিবিড় পরিচর্যায় রেখে সর্বোচ্চ চিকিৎসা দেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

এর আগে একই ঘটনায় গত শুক্রবার (১২ জুন) ৯০ শতাংশ দগ্ধ অবস্থায় চিকিৎসাধীন মা সুলতানা বেগম (৩৫) মারা যান। পরে সোমবার (১৫ জুন) ভোরে ৩৫ শতাংশ দগ্ধ বাবা আব্দুল মান্নান (৫০) এবং একই দিন সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে ৭৭ শতাংশ দগ্ধ ছেলে সিয়াম (১৯) মৃত্যুবরণ করেন।

বর্তমানে এ দুর্ঘটনায় আহতদের মধ্যে কেবল প্রতিবেশী শিশু হযরত আলী (৮) জীবিত রয়েছে। ৮ শতাংশ দগ্ধ অবস্থায় সে হাসপাতালের অবজারভেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসা নিচ্ছে।

গত বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে বন্দর উপজেলার মদনপুর ইউনিয়নের চানপুর এলাকার একটি একতলা বাড়িতে ভয়াবহ এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

কাঁচপুর ফায়ার স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার জাহাঙ্গীর আলম জানান, বাড়িটিতে তিতাসের গ্যাস লাইনের পাশাপাশি সিলিন্ডারের সংযোগও ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, রাতে রান্নাঘরে জমে থাকা গ্যাস সকালে চুলায় আগুন জ্বালানোর সময় বিস্ফোরণের সৃষ্টি করে।

ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, তদন্ত শেষ হলে গ্যাস লিকেজের প্রকৃত উৎস ও বিস্ফোরণের সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।


বি পি নিউজ ২৪

সম্পাদক ও প্রকাশক: আরিফুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বি পি নিউজ