নারায়ণগঞ্জ সরকারি তোলারাম কলেজে ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছাত্রলীগের উচ্ছ্বাসের সমালোচনা করেছেন ছাত্রশিবিরের এক নেতা। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, গত ১৭ বছরে ছাত্রলীগের হাতে নির্যাতনের যে ঘটনাগুলো ঘটেছে, সেগুলো তারা ভুলে যাননি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি বলেন, তোলারাম কলেজের সাম্প্রতিক ঘটনায় ছাত্রলীগের উচ্ছ্বাসের কোনো কারণ নেই। কারণ, অতীতে তাদের ওপর চালানো নির্যাতনের ঘটনাগুলো এখনো স্মৃতিতে রয়েছে।
তিনি নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে বলেন, ২০১৮ সালে কলেজের ভেতরে তাকে নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছিল। তার বন্ধু মাহমুদুন্নবীকে শ্রেণিকক্ষে ঢুকে নির্যাতন এবং সাংবাদিক বন্ধু সৌরভকে স্ট্যাম্প দিয়ে মারধরের ঘটনাও তিনি উল্লেখ করেন। পাশাপাশি ছাত্রদল নেতা আজিজুল ইসলাম রাজিবকে নির্যাতনের ঘটনাসহ আরও বহু ঘটনার কথা স্মরণ করেন তিনি।
তার অভিযোগ, তোলারাম কলেজে ভর্তি-বাণিজ্য, আশপাশের এলাকায় চাঁদাবাজি এবং শিক্ষক, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতনসহ নানা কর্মকাণ্ডের সঙ্গে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা জড়িত ছিলেন।
ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের রাজনৈতিক অবস্থানের পার্থক্যের বিষয়টি উল্লেখ করে ওই নেতা বলেন, দুই সংগঠনের মধ্যে রাজনৈতিক মতাদর্শগত ভিন্নতা রয়েছে এবং কোনো কোনো পরিস্থিতিতে সংঘাতও হতে পারে। তবে এসব বিরোধকে তিনি সাময়িক বিষয় হিসেবে উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, “যেকোনো প্রেক্ষাপটে, যেকোনো মুহূর্তে ‘লীগ প্রশ্নে সবাই এক’।”
ছাত্রলীগের অতীত কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, “ছাত্র হত্যাকারীদের কোনো ক্ষমা নাই।”

রোববার, ০৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ আগস্ট ২০২৬
নারায়ণগঞ্জ সরকারি তোলারাম কলেজে ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছাত্রলীগের উচ্ছ্বাসের সমালোচনা করেছেন ছাত্রশিবিরের এক নেতা। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, গত ১৭ বছরে ছাত্রলীগের হাতে নির্যাতনের যে ঘটনাগুলো ঘটেছে, সেগুলো তারা ভুলে যাননি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি বলেন, তোলারাম কলেজের সাম্প্রতিক ঘটনায় ছাত্রলীগের উচ্ছ্বাসের কোনো কারণ নেই। কারণ, অতীতে তাদের ওপর চালানো নির্যাতনের ঘটনাগুলো এখনো স্মৃতিতে রয়েছে।
তিনি নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে বলেন, ২০১৮ সালে কলেজের ভেতরে তাকে নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছিল। তার বন্ধু মাহমুদুন্নবীকে শ্রেণিকক্ষে ঢুকে নির্যাতন এবং সাংবাদিক বন্ধু সৌরভকে স্ট্যাম্প দিয়ে মারধরের ঘটনাও তিনি উল্লেখ করেন। পাশাপাশি ছাত্রদল নেতা আজিজুল ইসলাম রাজিবকে নির্যাতনের ঘটনাসহ আরও বহু ঘটনার কথা স্মরণ করেন তিনি।
তার অভিযোগ, তোলারাম কলেজে ভর্তি-বাণিজ্য, আশপাশের এলাকায় চাঁদাবাজি এবং শিক্ষক, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতনসহ নানা কর্মকাণ্ডের সঙ্গে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা জড়িত ছিলেন।
ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের রাজনৈতিক অবস্থানের পার্থক্যের বিষয়টি উল্লেখ করে ওই নেতা বলেন, দুই সংগঠনের মধ্যে রাজনৈতিক মতাদর্শগত ভিন্নতা রয়েছে এবং কোনো কোনো পরিস্থিতিতে সংঘাতও হতে পারে। তবে এসব বিরোধকে তিনি সাময়িক বিষয় হিসেবে উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, “যেকোনো প্রেক্ষাপটে, যেকোনো মুহূর্তে ‘লীগ প্রশ্নে সবাই এক’।”
ছাত্রলীগের অতীত কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, “ছাত্র হত্যাকারীদের কোনো ক্ষমা নাই।”

আপনার মতামত লিখুন