নারায়ণগঞ্জের বন্দরে স্বর্ণের দোকানে প্রকাশ্য দিবালোকে ডাকাতির ঘটনার এক দিনের মধ্যেই পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে ডাকাতির ঘটনায় লুণ্ঠিত কিছু মালামাল ও ব্যবহৃত বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
বন্দর থানার ঢাকেশ্বরী বাজারের সোনাচরা এলাকায় গত ২৫ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে ওই ডাকাতির ঘটনা ঘটে। মামলার এজাহার অনুযায়ী, অজ্ঞাতনামা ৭ থেকে ৮ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে স্বর্ণের দোকানে ঢুকে উপস্থিত ব্যক্তিদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে। পরে তারা স্বর্ণালংকার, রুপার গহনা, নগদ টাকা ও মোবাইল ফোনসহ আনুমানিক ২৬ লাখ ৪৩ হাজার টাকার মালামাল নিয়ে যায়।
ঘটনার পুরো বিষয়টি দোকানের সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণ হয়। পরে সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ ঘটনাটি জানতে পারে। এরপর বন্দর থানা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখার একাধিক দল তদন্ত ও অভিযান শুরু করে।
পুলিশ জানায়, এরই ধারাবাহিকতায় ২৭ সেপ্টেম্বর রাত ২টা থেকে সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ডাকাতির ঘটনায় জড়িত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তারদের মধ্যে তিনজন সরাসরি ডাকাতিতে অংশ নিয়েছিল এবং বাকি দুজন ঘটনার সময় দোকানের বাইরে অবস্থান করেছিল।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—বন্দরের সোনাচড়া এলাকার আনোয়ার হোসেন ওরফে আলী হোসেন (৩২), মিজান (২৬), উত্তর লক্ষণখোলা এলাকার অনিক (২২), মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার শোলারচর এলাকার সুমন বেপারী (৩৮) এবং সোনাচড়া ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের রাজু আহমেদ (২৪)।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় একটি মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। মিজানের বিরুদ্ধে ডাকাতির ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিনটি এবং অনিকের বিরুদ্ধে একটি মামলা আদালতে বিচারাধীন। রাজু আহমেদের বিরুদ্ধেও ডাকাতির ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে একটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযানে গ্রেপ্তারদের হেফাজত থেকে ১৩ হাজার ৭০০ টাকা, প্রায় ১২ ভরি রুপার গহনা, তিন জোড়া নূপুর, দুটি চুড়ি, পাঁচটি আংটি, স্বর্ণ ও রুপার প্রলেপ দেওয়া দুটি রুলি এবং একটি স্বর্ণের নাকফুল উদ্ধার করা হয়েছে।
এ ছাড়া ডাকাতির সময় ব্যবহৃত দেশীয় তৈরি ১৮ ইঞ্চি লম্বা একটি ছুরি, ১২ ইঞ্চি লম্বা আরেকটি ছুরি এবং একটি চাইনিজ কুড়াল উদ্ধার করা হয়। সিসিটিভি ফুটেজে ডাকাতদের পরনে থাকা শার্ট, গেঞ্জি ও প্যান্টও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বন্দর থানার পরিদর্শক মো. জামাল উদ্দিন জানান, এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার এবং লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারের জন্য বন্দর থানা পুলিশ ও গোয়েন্দা দলের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে স্বর্ণের দোকানে প্রকাশ্য দিবালোকে ডাকাতির ঘটনার এক দিনের মধ্যেই পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে ডাকাতির ঘটনায় লুণ্ঠিত কিছু মালামাল ও ব্যবহৃত বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
বন্দর থানার ঢাকেশ্বরী বাজারের সোনাচরা এলাকায় গত ২৫ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে ওই ডাকাতির ঘটনা ঘটে। মামলার এজাহার অনুযায়ী, অজ্ঞাতনামা ৭ থেকে ৮ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে স্বর্ণের দোকানে ঢুকে উপস্থিত ব্যক্তিদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে। পরে তারা স্বর্ণালংকার, রুপার গহনা, নগদ টাকা ও মোবাইল ফোনসহ আনুমানিক ২৬ লাখ ৪৩ হাজার টাকার মালামাল নিয়ে যায়।
ঘটনার পুরো বিষয়টি দোকানের সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণ হয়। পরে সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ ঘটনাটি জানতে পারে। এরপর বন্দর থানা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখার একাধিক দল তদন্ত ও অভিযান শুরু করে।
পুলিশ জানায়, এরই ধারাবাহিকতায় ২৭ সেপ্টেম্বর রাত ২টা থেকে সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ডাকাতির ঘটনায় জড়িত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তারদের মধ্যে তিনজন সরাসরি ডাকাতিতে অংশ নিয়েছিল এবং বাকি দুজন ঘটনার সময় দোকানের বাইরে অবস্থান করেছিল।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—বন্দরের সোনাচড়া এলাকার আনোয়ার হোসেন ওরফে আলী হোসেন (৩২), মিজান (২৬), উত্তর লক্ষণখোলা এলাকার অনিক (২২), মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার শোলারচর এলাকার সুমন বেপারী (৩৮) এবং সোনাচড়া ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের রাজু আহমেদ (২৪)।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় একটি মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। মিজানের বিরুদ্ধে ডাকাতির ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিনটি এবং অনিকের বিরুদ্ধে একটি মামলা আদালতে বিচারাধীন। রাজু আহমেদের বিরুদ্ধেও ডাকাতির ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে একটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযানে গ্রেপ্তারদের হেফাজত থেকে ১৩ হাজার ৭০০ টাকা, প্রায় ১২ ভরি রুপার গহনা, তিন জোড়া নূপুর, দুটি চুড়ি, পাঁচটি আংটি, স্বর্ণ ও রুপার প্রলেপ দেওয়া দুটি রুলি এবং একটি স্বর্ণের নাকফুল উদ্ধার করা হয়েছে।
এ ছাড়া ডাকাতির সময় ব্যবহৃত দেশীয় তৈরি ১৮ ইঞ্চি লম্বা একটি ছুরি, ১২ ইঞ্চি লম্বা আরেকটি ছুরি এবং একটি চাইনিজ কুড়াল উদ্ধার করা হয়। সিসিটিভি ফুটেজে ডাকাতদের পরনে থাকা শার্ট, গেঞ্জি ও প্যান্টও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বন্দর থানার পরিদর্শক মো. জামাল উদ্দিন জানান, এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার এবং লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারের জন্য বন্দর থানা পুলিশ ও গোয়েন্দা দলের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন