নারায়ণগঞ্জের চাষাঢ়ায় অবস্থিত শহীদ জিয়া হলকে আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। নতুন এই স্থাপনায় সাংস্কৃতিক চর্চার পাশাপাশি কমিউনিটি সেন্টার, আর্ট গ্যালারি, সিনেপ্লেক্স, নাট্যশালা ও ফুডকোর্ট রাখার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় নগর ভবনের অডিটোরিয়ামে শহীদ জিয়া হলের স্থাপত্য নকশা উপস্থাপন বিষয়ক সভায় এসব তথ্য জানান নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান।
সভায় সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, জিয়া হলকে আধুনিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে নারায়ণগঞ্জের মানুষ এখানে বিভিন্ন ধরনের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ পান।
তিনি বলেন, আগের সরকারের সময়ে জিয়া হল ভেঙে সেখানে বহুতল মার্কেট নির্মাণের চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে বর্তমানে সেই উদ্যোগ নেই। জিয়া হলকে আধুনিকভাবে গড়ে তুলে নারায়ণগঞ্জবাসীর ব্যবহারের উপযোগী করার চেষ্টা চলছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, প্রকল্পটি অগ্রাধিকার প্রকল্প হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে।
প্রকল্পের অর্থায়ন প্রসঙ্গে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বলেন, জাইকার সহযোগিতায় সিটি করপোরেশনের প্রায় ৩০০ কোটি টাকার কয়েকটি প্রকল্পের প্রস্তাবের মধ্যে ১৮০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। পরবর্তীতে অবশিষ্ট অর্থের মাধ্যমে জিয়া হল নির্মাণের প্রস্তাব দেওয়া হয়।
সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে জিয়া হল সাংস্কৃতিক চর্চাসহ বিভিন্ন কার্যক্রমের একটি বড় ‘হাব’ হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। প্রাথমিক নকশায় ভবনের নিচে দুটি তলা রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছে, যেখানে প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০টি গাড়ি রাখার ব্যবস্থা থাকবে। এর ওপরে থাকবে আরও নয়টি তলা।
নতুন ভবনে কী ধরনের সুযোগ-সুবিধা রাখা হবে, সে বিষয়ে সভায় উপস্থিত বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মতামত নেওয়া হয়। সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে কমিউনিটি সেন্টার, আর্ট গ্যালারি, সিনেপ্লেক্স, নাট্যশালা ও ফুডকোর্টসহ বিভিন্ন সুবিধা রাখার পরিকল্পনার কথা জানানো হয়।
সভায় নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম, নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (এনডিএ) চেয়ারম্যান মাশুকুল ইসলাম রাজীব, নাসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নূর কুতুবুল আলম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আজগর হোসেন, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রফিউর রাব্বি, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য মাইনুদ্দিন আহমাদ, নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান মাসুমসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া গণসংহতি আন্দোলন জেলা সমন্বয়কারী তারিকুল ইসলাম, সদর থানা বিএনপির সভাপতি মাসুদ রানা, সাবেক নারী কাউন্সিলর দিলারা মাসুদ ময়না, নাসিক নগর পরিকল্পনাবিদ মঈনুল ইসলাম, খেলাঘর আসরের সভাপতি জহিরুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ফারহানা মানিক মুনাসহ সংশ্লিষ্টরা সভায় অংশ নেন।

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের চাষাঢ়ায় অবস্থিত শহীদ জিয়া হলকে আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। নতুন এই স্থাপনায় সাংস্কৃতিক চর্চার পাশাপাশি কমিউনিটি সেন্টার, আর্ট গ্যালারি, সিনেপ্লেক্স, নাট্যশালা ও ফুডকোর্ট রাখার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় নগর ভবনের অডিটোরিয়ামে শহীদ জিয়া হলের স্থাপত্য নকশা উপস্থাপন বিষয়ক সভায় এসব তথ্য জানান নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান।
সভায় সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, জিয়া হলকে আধুনিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে নারায়ণগঞ্জের মানুষ এখানে বিভিন্ন ধরনের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ পান।
তিনি বলেন, আগের সরকারের সময়ে জিয়া হল ভেঙে সেখানে বহুতল মার্কেট নির্মাণের চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে বর্তমানে সেই উদ্যোগ নেই। জিয়া হলকে আধুনিকভাবে গড়ে তুলে নারায়ণগঞ্জবাসীর ব্যবহারের উপযোগী করার চেষ্টা চলছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, প্রকল্পটি অগ্রাধিকার প্রকল্প হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে।
প্রকল্পের অর্থায়ন প্রসঙ্গে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বলেন, জাইকার সহযোগিতায় সিটি করপোরেশনের প্রায় ৩০০ কোটি টাকার কয়েকটি প্রকল্পের প্রস্তাবের মধ্যে ১৮০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। পরবর্তীতে অবশিষ্ট অর্থের মাধ্যমে জিয়া হল নির্মাণের প্রস্তাব দেওয়া হয়।
সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে জিয়া হল সাংস্কৃতিক চর্চাসহ বিভিন্ন কার্যক্রমের একটি বড় ‘হাব’ হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। প্রাথমিক নকশায় ভবনের নিচে দুটি তলা রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছে, যেখানে প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০টি গাড়ি রাখার ব্যবস্থা থাকবে। এর ওপরে থাকবে আরও নয়টি তলা।
নতুন ভবনে কী ধরনের সুযোগ-সুবিধা রাখা হবে, সে বিষয়ে সভায় উপস্থিত বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মতামত নেওয়া হয়। সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে কমিউনিটি সেন্টার, আর্ট গ্যালারি, সিনেপ্লেক্স, নাট্যশালা ও ফুডকোর্টসহ বিভিন্ন সুবিধা রাখার পরিকল্পনার কথা জানানো হয়।
সভায় নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম, নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (এনডিএ) চেয়ারম্যান মাশুকুল ইসলাম রাজীব, নাসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নূর কুতুবুল আলম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আজগর হোসেন, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রফিউর রাব্বি, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য মাইনুদ্দিন আহমাদ, নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান মাসুমসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া গণসংহতি আন্দোলন জেলা সমন্বয়কারী তারিকুল ইসলাম, সদর থানা বিএনপির সভাপতি মাসুদ রানা, সাবেক নারী কাউন্সিলর দিলারা মাসুদ ময়না, নাসিক নগর পরিকল্পনাবিদ মঈনুল ইসলাম, খেলাঘর আসরের সভাপতি জহিরুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ফারহানা মানিক মুনাসহ সংশ্লিষ্টরা সভায় অংশ নেন।

আপনার মতামত লিখুন