নারায়ণগঞ্জ শহরের খানপুর এলাকায় অটোরিকশা চলাচলের পরিসর কমিয়ে দেওয়ায় ক্ষোভ জানিয়েছেন চালকরা। আগের মতো হাজীগঞ্জ-নবীগঞ্জ ঘাট থেকে মিশনপাড়া মোড় পর্যন্ত অটোরিকশা চলাচলের অনুমতি দেওয়ার দাবিতে সোমবার (৫ অক্টোবর) সকালে বিক্ষোভ করেন তারা।
চালকদের অভিযোগ, গত ৪ অক্টোবর থেকে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের (নাসিক) প্রশাসকের নির্দেশে খানপুর থেকে মিশনপাড়া পর্যন্ত অটোরিকশা চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে তাদের নিয়মিত যাত্রী কমে যাওয়ার পাশাপাশি দৈনিক আয়েও প্রভাব পড়েছে।
সোমবার সকালে হাজীগঞ্জ-নবীগঞ্জ ঘাট বাসস্ট্যান্ড এলাকায় জড়ো হয়ে নিজেদের দাবির কথা জানান অটোরিকশা চালকরা। তাদের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে এই রুটে চলাচল করে জীবিকা নির্বাহ করছিলেন তারা। হঠাৎ চলাচলের সীমাবদ্ধতা আরোপ করায় পরিবার-পরিজন নিয়ে সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
চালকদের আরও অভিযোগ, অটোরিকশা চলাচল সীমিত হওয়ার সুযোগে মিশুকচালকদের কেউ কেউ যাত্রীদের কাছ থেকে বাড়তি ভাড়া নিচ্ছেন। তাদের দাবি, হাজীগঞ্জ (নবীগঞ্জ) গুদারাঘাট থেকে চাষাঢ়া পর্যন্ত আগে জনপ্রতি ১০ টাকা ভাড়া নেওয়া হলেও বর্তমানে কোনো কোনো মিশুকচালক ২০ টাকা করে ভাড়া আদায় করছেন। এতে সাধারণ যাত্রীদের অতিরিক্ত টাকা খরচ করতে হচ্ছে।
অটোরিকশা চালকরা বলেন, মিশনপাড়া পর্যন্ত যেতে না পারায় আগের অনেক যাত্রী এখন তাদের সেবা নিতে পারছেন না। ফলে যাত্রী কমে গিয়ে তাদের আয়-রোজগার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। যারা প্রতিদিনের উপার্জনের ওপর নির্ভরশীল, তাদের জন্য এই পরিস্থিতি বড় ধরনের সংকট তৈরি করেছে।
এদিকে সোমবার দুপুরে কয়েকজন চালক গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে তাদের সমস্যার কথা তুলে ধরেন। তারা নাসিক প্রশাসকের প্রতি বিষয়টি মানবিক দৃষ্টিতে বিবেচনা করে আগের রুটে অটোরিকশা চলাচলের সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান।
চালকদের দাবি, অটোরিকশা, অটোটেম্পো, মিশুক ও বেবিট্যাক্সি শ্রমিক ইউনিয়নের পক্ষ থেকে অটোরিকশাপ্রতি ৩ হাজার টাকা দেওয়ার বিনিময়ে দাবি আদায়ের কথা জানানো হলেও সিটি করপোরেশন এতে সম্মতি দেয়নি।
চালকদের একমাত্র দাবি, অন্তত মিশনপাড়া মোড় পর্যন্ত যেন আগের মতো অটোরিকশা চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়। তাদের মতে, এতে একদিকে অটোরিকশা চালকদের জীবিকা স্বাভাবিক হবে, অন্যদিকে সাধারণ যাত্রীরাও তুলনামূলক কম খরচে যাতায়াতের সুযোগ পাবেন।

সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬
নারায়ণগঞ্জ শহরের খানপুর এলাকায় অটোরিকশা চলাচলের পরিসর কমিয়ে দেওয়ায় ক্ষোভ জানিয়েছেন চালকরা। আগের মতো হাজীগঞ্জ-নবীগঞ্জ ঘাট থেকে মিশনপাড়া মোড় পর্যন্ত অটোরিকশা চলাচলের অনুমতি দেওয়ার দাবিতে সোমবার (৫ অক্টোবর) সকালে বিক্ষোভ করেন তারা।
চালকদের অভিযোগ, গত ৪ অক্টোবর থেকে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের (নাসিক) প্রশাসকের নির্দেশে খানপুর থেকে মিশনপাড়া পর্যন্ত অটোরিকশা চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে তাদের নিয়মিত যাত্রী কমে যাওয়ার পাশাপাশি দৈনিক আয়েও প্রভাব পড়েছে।
সোমবার সকালে হাজীগঞ্জ-নবীগঞ্জ ঘাট বাসস্ট্যান্ড এলাকায় জড়ো হয়ে নিজেদের দাবির কথা জানান অটোরিকশা চালকরা। তাদের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে এই রুটে চলাচল করে জীবিকা নির্বাহ করছিলেন তারা। হঠাৎ চলাচলের সীমাবদ্ধতা আরোপ করায় পরিবার-পরিজন নিয়ে সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
চালকদের আরও অভিযোগ, অটোরিকশা চলাচল সীমিত হওয়ার সুযোগে মিশুকচালকদের কেউ কেউ যাত্রীদের কাছ থেকে বাড়তি ভাড়া নিচ্ছেন। তাদের দাবি, হাজীগঞ্জ (নবীগঞ্জ) গুদারাঘাট থেকে চাষাঢ়া পর্যন্ত আগে জনপ্রতি ১০ টাকা ভাড়া নেওয়া হলেও বর্তমানে কোনো কোনো মিশুকচালক ২০ টাকা করে ভাড়া আদায় করছেন। এতে সাধারণ যাত্রীদের অতিরিক্ত টাকা খরচ করতে হচ্ছে।
অটোরিকশা চালকরা বলেন, মিশনপাড়া পর্যন্ত যেতে না পারায় আগের অনেক যাত্রী এখন তাদের সেবা নিতে পারছেন না। ফলে যাত্রী কমে গিয়ে তাদের আয়-রোজগার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। যারা প্রতিদিনের উপার্জনের ওপর নির্ভরশীল, তাদের জন্য এই পরিস্থিতি বড় ধরনের সংকট তৈরি করেছে।
এদিকে সোমবার দুপুরে কয়েকজন চালক গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে তাদের সমস্যার কথা তুলে ধরেন। তারা নাসিক প্রশাসকের প্রতি বিষয়টি মানবিক দৃষ্টিতে বিবেচনা করে আগের রুটে অটোরিকশা চলাচলের সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান।
চালকদের দাবি, অটোরিকশা, অটোটেম্পো, মিশুক ও বেবিট্যাক্সি শ্রমিক ইউনিয়নের পক্ষ থেকে অটোরিকশাপ্রতি ৩ হাজার টাকা দেওয়ার বিনিময়ে দাবি আদায়ের কথা জানানো হলেও সিটি করপোরেশন এতে সম্মতি দেয়নি।
চালকদের একমাত্র দাবি, অন্তত মিশনপাড়া মোড় পর্যন্ত যেন আগের মতো অটোরিকশা চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়। তাদের মতে, এতে একদিকে অটোরিকশা চালকদের জীবিকা স্বাভাবিক হবে, অন্যদিকে সাধারণ যাত্রীরাও তুলনামূলক কম খরচে যাতায়াতের সুযোগ পাবেন।

আপনার মতামত লিখুন