নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার কাশীপুরে কল্যাণী খাল দখলমুক্ত ও পুনঃখনন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে খালের ওপর নির্মিত একটি পাঁচতলা ভবনের অবৈধ বর্ধিতাংশসহ মোট পাঁচটি স্থাপনা ভেঙে ফেলা হয়েছে।
মঙ্গলবার ও বুধবার দিনব্যাপী পরিচালিত এ অভিযানে এক্সকাভেটর (ভেকু), ড্রিল মেশিন এবং শ্রমিকদের সহায়তায় অবৈধ অংশগুলো অপসারণ করা হয়। বিশেষ করে ভোলাইল এলাকায় খালের ভেতরে গড়ে ওঠা পাঁচতলা ভবনের বর্ধিতাংশ ড্রিল মেশিনের মাধ্যমে ভেঙে ফেলা হয়।
সদর উপজেলা প্রশাসন জানায়, সরকার ঘোষিত খাল পুনঃখনন কর্মসূচির আওতায় জলাবদ্ধতা নিরসন এবং খালের স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে খালের ভেতরে থাকা অবৈধ দখল ও স্থাপনা পর্যায়ক্রমে উচ্ছেদ করা হচ্ছে।
প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, ইতোমধ্যে খালের মধ্যে থাকা আরও ৬৬টি অবৈধ স্থাপনা চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব স্থাপনার মালিকদের আগেই নোটিশ দেওয়া হয়েছে এবং অনেকে স্বেচ্ছায় নিজ উদ্যোগে স্থাপনা সরিয়ে নিতে শুরু করেছেন। বাকি স্থাপনাগুলোও ধাপে ধাপে উচ্ছেদ করা হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
তবে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, খালের দুই পাশে অনেক স্থাপনায় উচ্ছেদ অভিযান চালানো হলেও কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তির দখলে থাকা বহুতল ভবনের বিরুদ্ধে এখনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাদের দাবি, সরকারি লাল চিহ্ন দিয়ে ভাঙার নির্দেশনা দেওয়া হলেও সেসব স্থাপনা রহস্যজনক কারণে এখনো বহাল রয়েছে, যা উচ্ছেদ অভিযানের নিরপেক্ষতা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন তৈরি করেছে।

শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুন ২০২৬
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার কাশীপুরে কল্যাণী খাল দখলমুক্ত ও পুনঃখনন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে খালের ওপর নির্মিত একটি পাঁচতলা ভবনের অবৈধ বর্ধিতাংশসহ মোট পাঁচটি স্থাপনা ভেঙে ফেলা হয়েছে।
মঙ্গলবার ও বুধবার দিনব্যাপী পরিচালিত এ অভিযানে এক্সকাভেটর (ভেকু), ড্রিল মেশিন এবং শ্রমিকদের সহায়তায় অবৈধ অংশগুলো অপসারণ করা হয়। বিশেষ করে ভোলাইল এলাকায় খালের ভেতরে গড়ে ওঠা পাঁচতলা ভবনের বর্ধিতাংশ ড্রিল মেশিনের মাধ্যমে ভেঙে ফেলা হয়।
সদর উপজেলা প্রশাসন জানায়, সরকার ঘোষিত খাল পুনঃখনন কর্মসূচির আওতায় জলাবদ্ধতা নিরসন এবং খালের স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে খালের ভেতরে থাকা অবৈধ দখল ও স্থাপনা পর্যায়ক্রমে উচ্ছেদ করা হচ্ছে।
প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, ইতোমধ্যে খালের মধ্যে থাকা আরও ৬৬টি অবৈধ স্থাপনা চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব স্থাপনার মালিকদের আগেই নোটিশ দেওয়া হয়েছে এবং অনেকে স্বেচ্ছায় নিজ উদ্যোগে স্থাপনা সরিয়ে নিতে শুরু করেছেন। বাকি স্থাপনাগুলোও ধাপে ধাপে উচ্ছেদ করা হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
তবে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, খালের দুই পাশে অনেক স্থাপনায় উচ্ছেদ অভিযান চালানো হলেও কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তির দখলে থাকা বহুতল ভবনের বিরুদ্ধে এখনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাদের দাবি, সরকারি লাল চিহ্ন দিয়ে ভাঙার নির্দেশনা দেওয়া হলেও সেসব স্থাপনা রহস্যজনক কারণে এখনো বহাল রয়েছে, যা উচ্ছেদ অভিযানের নিরপেক্ষতা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন তৈরি করেছে।

আপনার মতামত লিখুন