ফতুল্লার কুতুবপুরের একটি এলাকার দীর্ঘদিনের যাতায়াত সংকট নিরসনে দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মনিরুল আলম সেন্টু। তার উদ্যোগ ও ফতুল্লা থানা বিএনপির কোষাধ্যক্ষ ও কুতুবপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি আলহাজ্ব তৈবুর রহমানের তত্ত্বাবধানে এলাকায় নতুন রাস্তা নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে।
এলাকাবাসী জানায়, মুন্সিগঞ্জ টাওয়ার সংলগ্ন খানকা মসজিদ পর্যন্ত রাস্তা থাকলেও এর পরবর্তী অংশে কোনো রাস্তা ছিল না। ফলে প্রায় ১৮ বছর ধরে ওই এলাকার বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগের মধ্যে জীবনযাপন করে আসছিলেন। চলতি বছরে বিকল্প চলাচলের পথও বন্ধ হয়ে গেলে একপ্রকার অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে পুরো এলাকা। ঘর থেকে বের হয়ে মসজিদ, স্কুল, বাজার কিংবা নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজে যাতায়াত করা প্রায় অসম্ভব হয়ে ওঠে।
এমন পরিস্থিতিতে এলাকাবাসী তাদের দুর্ভোগের বিষয়টি কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মনিরুল আলম সেন্টুর নজরে আনেন। খবর পেয়ে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং স্থানীয়দের কাছ থেকে দীর্ঘদিনের ভোগান্তির কথা শোনেন। তাদের মানবেতর জীবনযাপনের করুণ চিত্র দেখে তাৎক্ষণিকভাবে রাস্তা নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করেন।
স্থানীয়রা জানান, রাস্তার জন্য প্রয়োজনীয় অধিকাংশ জমি ছিল ফতুল্লা থানা বিএনপির কোষাধ্যক্ষ ও কুতুবপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি আলহাজ্ব তৈবুর রহমানের। চেয়ারম্যান সেন্টু তার সঙ্গে তাৎক্ষণিকভাবে আলোচনা করেন এবং অন্যান্য জমির মালিক ও প্লটধারীদের সঙ্গেও কথা বলে সবার সহযোগিতা নিশ্চিত করেন। একই সঙ্গে রাস্তা নির্মাণকাজে যেন কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না হয়, সে ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হয়।
চেয়ারম্যান সেন্টুর নির্দেশনায় এবং আলহাজ্ব তৈবুর রহমানের তত্ত্বাবধানে গত বুধবার (১৭ জুন) থেকে রাস্তার প্রাথমিক কাজ শুরু হয়। সরকারি উদ্যোগে বালু ফেলে আপাতত মানুষের চলাচলের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। পাশাপাশি পুরো রাস্তা সরকারি খরচে নির্মাণ করে দেওয়ার আশ্বাসও দিয়েছেন চেয়ারম্যান।
দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসানে কাজ শুরু হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে স্থানীয়দের মধ্যে। এলাকাবাসী চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মনিরুল আলম সেন্টুর দ্রুত সিদ্ধান্ত ও মানবিক উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে রাস্তা নির্মাণে জমি প্রদান ও সার্বিক সহযোগিতার জন্য আলহাজ্ব তৈবুর রহমানের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তারা।
স্থানীয়দের ভাষ্য, দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে যে সমস্যার সমাধান হয়নি, চেয়ারম্যান সেন্টুর আন্তরিক উদ্যোগ ও তৈবুর রহমানের সহযোগিতায় তার বাস্তব সমাধান শুরু হয়েছে। এতে এলাকাবাসীর মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে এবং তারা সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুন ২০২৬
ফতুল্লার কুতুবপুরের একটি এলাকার দীর্ঘদিনের যাতায়াত সংকট নিরসনে দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মনিরুল আলম সেন্টু। তার উদ্যোগ ও ফতুল্লা থানা বিএনপির কোষাধ্যক্ষ ও কুতুবপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি আলহাজ্ব তৈবুর রহমানের তত্ত্বাবধানে এলাকায় নতুন রাস্তা নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে।
এলাকাবাসী জানায়, মুন্সিগঞ্জ টাওয়ার সংলগ্ন খানকা মসজিদ পর্যন্ত রাস্তা থাকলেও এর পরবর্তী অংশে কোনো রাস্তা ছিল না। ফলে প্রায় ১৮ বছর ধরে ওই এলাকার বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগের মধ্যে জীবনযাপন করে আসছিলেন। চলতি বছরে বিকল্প চলাচলের পথও বন্ধ হয়ে গেলে একপ্রকার অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে পুরো এলাকা। ঘর থেকে বের হয়ে মসজিদ, স্কুল, বাজার কিংবা নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজে যাতায়াত করা প্রায় অসম্ভব হয়ে ওঠে।
এমন পরিস্থিতিতে এলাকাবাসী তাদের দুর্ভোগের বিষয়টি কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মনিরুল আলম সেন্টুর নজরে আনেন। খবর পেয়ে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং স্থানীয়দের কাছ থেকে দীর্ঘদিনের ভোগান্তির কথা শোনেন। তাদের মানবেতর জীবনযাপনের করুণ চিত্র দেখে তাৎক্ষণিকভাবে রাস্তা নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করেন।
স্থানীয়রা জানান, রাস্তার জন্য প্রয়োজনীয় অধিকাংশ জমি ছিল ফতুল্লা থানা বিএনপির কোষাধ্যক্ষ ও কুতুবপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি আলহাজ্ব তৈবুর রহমানের। চেয়ারম্যান সেন্টু তার সঙ্গে তাৎক্ষণিকভাবে আলোচনা করেন এবং অন্যান্য জমির মালিক ও প্লটধারীদের সঙ্গেও কথা বলে সবার সহযোগিতা নিশ্চিত করেন। একই সঙ্গে রাস্তা নির্মাণকাজে যেন কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না হয়, সে ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হয়।
চেয়ারম্যান সেন্টুর নির্দেশনায় এবং আলহাজ্ব তৈবুর রহমানের তত্ত্বাবধানে গত বুধবার (১৭ জুন) থেকে রাস্তার প্রাথমিক কাজ শুরু হয়। সরকারি উদ্যোগে বালু ফেলে আপাতত মানুষের চলাচলের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। পাশাপাশি পুরো রাস্তা সরকারি খরচে নির্মাণ করে দেওয়ার আশ্বাসও দিয়েছেন চেয়ারম্যান।
দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসানে কাজ শুরু হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে স্থানীয়দের মধ্যে। এলাকাবাসী চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মনিরুল আলম সেন্টুর দ্রুত সিদ্ধান্ত ও মানবিক উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে রাস্তা নির্মাণে জমি প্রদান ও সার্বিক সহযোগিতার জন্য আলহাজ্ব তৈবুর রহমানের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তারা।
স্থানীয়দের ভাষ্য, দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে যে সমস্যার সমাধান হয়নি, চেয়ারম্যান সেন্টুর আন্তরিক উদ্যোগ ও তৈবুর রহমানের সহযোগিতায় তার বাস্তব সমাধান শুরু হয়েছে। এতে এলাকাবাসীর মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে এবং তারা সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন