বি পি নিউজ ২৪

অপকর্মের সমালোচনা করলেই বিএনপি নেতাদের গায়ে লাগে: আল আমিন


প্রকাশ : ০২ আগস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

অপকর্মের সমালোচনা করলেই বিএনপি নেতাদের গায়ে লাগে: আল আমিন

চাঁদাবাজি, ঝুঁট সন্ত্রাস, মাদক ব্যবসা ও ফ্যাসিস্টদের সহযোগীদের বিরুদ্ধে কথা বললে বিএনপি ও ছাত্রদলের কিছু নেতার মধ্যে প্রতিক্রিয়া দেখা যায় বলে মন্তব্য করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন।

রোববার (২ আগস্ট) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এসব অভিযোগ করেন। সেখানে তিনি দাবি করেন, বিভিন্ন অপকর্মের সমালোচনা করায় কিছু মহল অযথা আপত্তি তুলছে।

স্ট্যাটাসে আব্দুল্লাহ আল আমিন অভিযোগ করেন, ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে নারায়ণগঞ্জের বাস ও টেম্পুস্ট্যান্ড এবং ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদাবাজির বিষয়টি সবার জানা। তিনি ফতুল্লার একটি গার্মেন্টসে আগুন দেওয়ার হুমকি দিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার ও দল থেকে বহিষ্কৃত রিয়াদ চৌধুরীর প্রসঙ্গ তুলে বলেন, তিনি এখনও বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ঝুঁট ব্যবসার আধিপত্য নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে এক মাদ্রাসার শিশুর গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনা নিয়েও তেমন প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি। তবে ঝুঁট সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কথা বললেই আপত্তি তোলা হয় বলে মন্তব্য করেন তিনি। তার দাবি, ঝুঁট সন্ত্রাস সংক্রান্ত মামলায় কারাভোগ করা ছাত্রদল নেতারাও এনসিপির বিরুদ্ধে বক্তব্য দিচ্ছেন।

বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেমের প্রসঙ্গ টেনে এমপি আল আমিন দাবি করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় তিনি শেখ হাসিনার পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন এবং আন্দোলন নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করেছিলেন। এমন ব্যক্তিকে ‘ফ্যাসিস্টের দোসর’ বলা হলেও বিএনপির কিছু নেতার আপত্তি রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। একই সঙ্গে তোলারাম কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি হাতেমকে ‘ফ্যাসিস্ট’ আখ্যা দেওয়ার পর ক্ষমা চাইতে বাধ্য করা হয়েছিল বলেও দাবি করেন তিনি।

নিজের বক্তব্যে আব্দুল্লাহ আল আমিন আরও বলেন, চাঁদাবাজির অভিযোগে একজন সংসদ সদস্যের ছেলে বহিষ্কার হয়েছেন এবং যুবদলের এক সাধারণ সম্পাদককে শোকজ করা হয়েছে। এসব বিষয় নিয়ে কেউ কথা বললে অনেকেই ক্ষুব্ধ হন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

নিজের রাজনৈতিক জীবনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তার বিরুদ্ধে ১৭টি রাজনৈতিক মামলা হয়েছিল। তিনি গ্রেপ্তার, রিমান্ড ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এবং তার ডান হাত ভেঙে দেওয়া হয়েছিল বলেও দাবি করেন।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ও ফ্যাসিস্ট ছাড়া অন্য কারও সঙ্গে তাদের বিরোধ নেই। তবে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, ঝুঁট দখল ও মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান অব্যাহত থাকবে। অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলতে কোনো চাপকে গুরুত্ব দেবেন না বলেও জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন

বি পি নিউজ ২৪

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬


অপকর্মের সমালোচনা করলেই বিএনপি নেতাদের গায়ে লাগে: আল আমিন

প্রকাশের তারিখ : ০২ আগস্ট ২০২৬

featured Image

চাঁদাবাজি, ঝুঁট সন্ত্রাস, মাদক ব্যবসা ও ফ্যাসিস্টদের সহযোগীদের বিরুদ্ধে কথা বললে বিএনপি ও ছাত্রদলের কিছু নেতার মধ্যে প্রতিক্রিয়া দেখা যায় বলে মন্তব্য করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন।

রোববার (২ আগস্ট) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এসব অভিযোগ করেন। সেখানে তিনি দাবি করেন, বিভিন্ন অপকর্মের সমালোচনা করায় কিছু মহল অযথা আপত্তি তুলছে।

স্ট্যাটাসে আব্দুল্লাহ আল আমিন অভিযোগ করেন, ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে নারায়ণগঞ্জের বাস ও টেম্পুস্ট্যান্ড এবং ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদাবাজির বিষয়টি সবার জানা। তিনি ফতুল্লার একটি গার্মেন্টসে আগুন দেওয়ার হুমকি দিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার ও দল থেকে বহিষ্কৃত রিয়াদ চৌধুরীর প্রসঙ্গ তুলে বলেন, তিনি এখনও বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ঝুঁট ব্যবসার আধিপত্য নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে এক মাদ্রাসার শিশুর গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনা নিয়েও তেমন প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি। তবে ঝুঁট সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কথা বললেই আপত্তি তোলা হয় বলে মন্তব্য করেন তিনি। তার দাবি, ঝুঁট সন্ত্রাস সংক্রান্ত মামলায় কারাভোগ করা ছাত্রদল নেতারাও এনসিপির বিরুদ্ধে বক্তব্য দিচ্ছেন।

বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেমের প্রসঙ্গ টেনে এমপি আল আমিন দাবি করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় তিনি শেখ হাসিনার পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন এবং আন্দোলন নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করেছিলেন। এমন ব্যক্তিকে ‘ফ্যাসিস্টের দোসর’ বলা হলেও বিএনপির কিছু নেতার আপত্তি রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। একই সঙ্গে তোলারাম কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি হাতেমকে ‘ফ্যাসিস্ট’ আখ্যা দেওয়ার পর ক্ষমা চাইতে বাধ্য করা হয়েছিল বলেও দাবি করেন তিনি।

নিজের বক্তব্যে আব্দুল্লাহ আল আমিন আরও বলেন, চাঁদাবাজির অভিযোগে একজন সংসদ সদস্যের ছেলে বহিষ্কার হয়েছেন এবং যুবদলের এক সাধারণ সম্পাদককে শোকজ করা হয়েছে। এসব বিষয় নিয়ে কেউ কথা বললে অনেকেই ক্ষুব্ধ হন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

নিজের রাজনৈতিক জীবনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তার বিরুদ্ধে ১৭টি রাজনৈতিক মামলা হয়েছিল। তিনি গ্রেপ্তার, রিমান্ড ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এবং তার ডান হাত ভেঙে দেওয়া হয়েছিল বলেও দাবি করেন।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ও ফ্যাসিস্ট ছাড়া অন্য কারও সঙ্গে তাদের বিরোধ নেই। তবে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, ঝুঁট দখল ও মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান অব্যাহত থাকবে। অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলতে কোনো চাপকে গুরুত্ব দেবেন না বলেও জানান তিনি।


বি পি নিউজ ২৪

সম্পাদক ও প্রকাশক: আরিফুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বি পি নিউজ