নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে একটি ভাড়া বাসা থেকে সাদিয়া আক্তার (২৩) নামে এক গার্মেন্টসকর্মীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকেই তার সঙ্গে স্বামী পরিচয়ে বসবাসকারী এক ব্যক্তি এবং ৬ বছর বয়সী শিশুকন্যার খোঁজ না মেলায় ঘটনাটি রহস্যে ঘেরা বলে মনে করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
সোমবার (১৩ জুলাই) রাত আনুমানিক পৌনে ১১টার দিকে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মিজমিজি বাতানপাড়া এলাকার শাহজাহান মাস্টারের টিনশেড বাড়ি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত সাদিয়া আক্তার পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার উত্তর শিয়ালকাঠি গ্রামের মো. ইউসুফ মোল্লার মেয়ে। তিনি আদমজী ইপিজেডের একটি পোশাক কারখানায় কর্মরত ছিলেন।
বাড়ির মালিক ও পুলিশ জানায়, চলতি মাসের ১ জুলাই সাদিয়া তার ৬ বছর বয়সী মেয়েকে নিয়ে স্বামী পরিচয়দানকারী এক ব্যক্তির সঙ্গে ওই বাসায় ওঠেন। বাসা ভাড়ার সময় সাদিয়া নিজের জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি জমা দিলেও, সঙ্গে থাকা ব্যক্তি পরে পরিচয়পত্র দেবেন বলে জানিয়ে আর জমা দেননি।
সোমবার রাতে সাদিয়ার কক্ষের খাটের ওপর তার নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখে বাড়ির মালিক পুলিশকে খবর দেন। পরে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে এবং মরদেহ উদ্ধার করে।
প্রাথমিক সুরতহালে নিহতের মুখের বাম পাশে রক্ত জমাট বাঁধার চিহ্ন পাওয়া গেছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ। এ কারণে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জের ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমদাদুল হক বলেন, “এটি একটি অত্যন্ত রহস্যজনক মৃত্যু। নিহতের মুখের বাম পাশে রক্ত জমাট ছিল। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।”

মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুলাই ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে একটি ভাড়া বাসা থেকে সাদিয়া আক্তার (২৩) নামে এক গার্মেন্টসকর্মীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকেই তার সঙ্গে স্বামী পরিচয়ে বসবাসকারী এক ব্যক্তি এবং ৬ বছর বয়সী শিশুকন্যার খোঁজ না মেলায় ঘটনাটি রহস্যে ঘেরা বলে মনে করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
সোমবার (১৩ জুলাই) রাত আনুমানিক পৌনে ১১টার দিকে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মিজমিজি বাতানপাড়া এলাকার শাহজাহান মাস্টারের টিনশেড বাড়ি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত সাদিয়া আক্তার পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার উত্তর শিয়ালকাঠি গ্রামের মো. ইউসুফ মোল্লার মেয়ে। তিনি আদমজী ইপিজেডের একটি পোশাক কারখানায় কর্মরত ছিলেন।
বাড়ির মালিক ও পুলিশ জানায়, চলতি মাসের ১ জুলাই সাদিয়া তার ৬ বছর বয়সী মেয়েকে নিয়ে স্বামী পরিচয়দানকারী এক ব্যক্তির সঙ্গে ওই বাসায় ওঠেন। বাসা ভাড়ার সময় সাদিয়া নিজের জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি জমা দিলেও, সঙ্গে থাকা ব্যক্তি পরে পরিচয়পত্র দেবেন বলে জানিয়ে আর জমা দেননি।
সোমবার রাতে সাদিয়ার কক্ষের খাটের ওপর তার নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখে বাড়ির মালিক পুলিশকে খবর দেন। পরে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে এবং মরদেহ উদ্ধার করে।
প্রাথমিক সুরতহালে নিহতের মুখের বাম পাশে রক্ত জমাট বাঁধার চিহ্ন পাওয়া গেছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ। এ কারণে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জের ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমদাদুল হক বলেন, “এটি একটি অত্যন্ত রহস্যজনক মৃত্যু। নিহতের মুখের বাম পাশে রক্ত জমাট ছিল। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।”

আপনার মতামত লিখুন