নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানা যুবদলের সক্রিয় নেতা সজিব হোসেন ইবুকে ঘিরে দ্বৈত রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, বিএনপির অঙ্গসংগঠন যুবদলের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার পাশাপাশি তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডেও সম্পৃক্ত রয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে ফতুল্লার রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানাযায়, জুলাই আন্দোলনের পর এনসিপি আত্মপ্রকাশ করলেও সজিব হোসেন ইবু যুবদলের বিভিন্ন মিছিল, সভা-সমাবেশ ও সাংগঠনিক কর্মসূচিতে নিয়মিত অংশগ্রহণ করে আসছেন। একই সময়ে তিনি এনসিপির জেলা শ্রমিকশক্তির সদস্য সচিব পদপ্রার্থী হিসেবেও আলোচনায় রয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগকারীদের বরাতে জানাযায়, এনসিপির একে নেতার ঘনিষ্ঠ পরিচয়ে সজিব হোসেন ইবু দলটির বিভিন্ন কার্যক্রমেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন। এ কারণে যুবদল ও এনসিপি—উভয় দলের নেতাকর্মীদের একটি অংশ তার প্রকৃত রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।
একই সময়ে দুটি ভিন্ন রাজনৈতিক বলয়ে সক্রিয় থাকার অভিযোগ সত্য হলে তা রাজনৈতিক নৈতিকতা ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে। বিষয়টি নিয়ে ফতুল্লাজুড়ে নানা আলোচনা চলছে।
এদিকে সজিব হোসেন ইবুর বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ রয়েছে, অতীতে তিনি এনসিপির শীর্ষ নেতাদের নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছিলেন। অভিযোগকারীদের দাবি, নাহিদ, আসিফ ও তাসনিম জারাকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করার পরও বর্তমানে তিনি এনসিপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার চেষ্টা করছেন। এছাড়া এর আগেও তার বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের প্রতি সহানুভূতিশীল অবস্থান বা ঘনিষ্ঠতার অভিযোগ উঠেছিল বলেও কয়েকজন স্থানীয় রাজনৈতিক কর্মী দাবি করেছেন।
একাধিক সূত্রে জানা যায়, সজিব হোসেন ইবু জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনির অনুসারী হিসেবে পরিচিত। ফলে তার বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগ নিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যেও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত তথ্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।
তবে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সজিব হোসেন ইবু। তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগই সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমি কোনো দ্বৈত রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নই। আমাকে রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য একটি মহল এসব অপপ্রচার চালাচ্ছে।

মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুলাই ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানা যুবদলের সক্রিয় নেতা সজিব হোসেন ইবুকে ঘিরে দ্বৈত রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, বিএনপির অঙ্গসংগঠন যুবদলের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার পাশাপাশি তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডেও সম্পৃক্ত রয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে ফতুল্লার রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানাযায়, জুলাই আন্দোলনের পর এনসিপি আত্মপ্রকাশ করলেও সজিব হোসেন ইবু যুবদলের বিভিন্ন মিছিল, সভা-সমাবেশ ও সাংগঠনিক কর্মসূচিতে নিয়মিত অংশগ্রহণ করে আসছেন। একই সময়ে তিনি এনসিপির জেলা শ্রমিকশক্তির সদস্য সচিব পদপ্রার্থী হিসেবেও আলোচনায় রয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগকারীদের বরাতে জানাযায়, এনসিপির একে নেতার ঘনিষ্ঠ পরিচয়ে সজিব হোসেন ইবু দলটির বিভিন্ন কার্যক্রমেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন। এ কারণে যুবদল ও এনসিপি—উভয় দলের নেতাকর্মীদের একটি অংশ তার প্রকৃত রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।
একই সময়ে দুটি ভিন্ন রাজনৈতিক বলয়ে সক্রিয় থাকার অভিযোগ সত্য হলে তা রাজনৈতিক নৈতিকতা ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে। বিষয়টি নিয়ে ফতুল্লাজুড়ে নানা আলোচনা চলছে।
এদিকে সজিব হোসেন ইবুর বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ রয়েছে, অতীতে তিনি এনসিপির শীর্ষ নেতাদের নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছিলেন। অভিযোগকারীদের দাবি, নাহিদ, আসিফ ও তাসনিম জারাকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করার পরও বর্তমানে তিনি এনসিপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার চেষ্টা করছেন। এছাড়া এর আগেও তার বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের প্রতি সহানুভূতিশীল অবস্থান বা ঘনিষ্ঠতার অভিযোগ উঠেছিল বলেও কয়েকজন স্থানীয় রাজনৈতিক কর্মী দাবি করেছেন।
একাধিক সূত্রে জানা যায়, সজিব হোসেন ইবু জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনির অনুসারী হিসেবে পরিচিত। ফলে তার বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগ নিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যেও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত তথ্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।
তবে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সজিব হোসেন ইবু। তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগই সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমি কোনো দ্বৈত রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নই। আমাকে রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য একটি মহল এসব অপপ্রচার চালাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন