কাশীপুর ব্রিজের নিচে দীর্ঘদিন ধরে ময়লা ফেলা বন্ধ হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এ উদ্যোগের জন্য কাশীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সোহেল মাহমুদকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
জানা যায়, ব্রিজের নিচে ময়লা ফেলা বন্ধ হওয়ার পর এবার ডিক্রির চর ছোট কালভার্ট এলাকায় পুনরায় ময়লা ফেলতে আসলে কোস্ট গার্ড অভিযান চালিয়ে ময়লা বহনকারী কয়েকজন কর্মীকে আটক করে। পরে তাদের ছাড়িয়ে নিতে স্থানীয় এক বিএনপি নেতা ঘটনাস্থলে গেলে সোহেল মাহমুদের কর্মীদের দৌড়ানিতে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সোহেল মাহমুদ বলেন,
"কোনো অবস্থাতেই কাশীপুর ইউনিয়নের কোনো এলাকায় আর ময়লা ফেলতে দেওয়া হবে না। যে-ই হোক, কোনো রাজনৈতিক পরিচয়ের আড়ালে ময়লা নিয়ে ব্যবসা করতে চাইলে আমরা তা কঠোরভাবে প্রতিহত করব। কাশীপুরকে ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হতে দেওয়া হবে না।"
তিনি আরও বলেন,
"কোস্ট গার্ড যেকোনো আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করলে আমরা তাদের পাশে থাকব। পরিবেশ রক্ষা ও জনস্বার্থে তাদের সকল বৈধ উদ্যোগে সর্বাত্মক সহযোগিতা করব। কাশীপুরবাসীর স্বার্থে প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে আমরা সবসময় প্রস্তুত।"
স্থানীয়দের দাবি, কাশীপুর ব্রিজের নিচে ময়লা ফেলা বন্ধ হওয়ার পর এলাকার পরিবেশের উন্নতি হয়েছে। তারা আশা করছেন, ডিক্রির চর ছোট কালভার্টসহ ইউনিয়নের অন্যান্য স্থানেও প্রশাসনের নজরদারি অব্যাহত থাকলে অবৈধভাবে ময়লা ফেলার প্রবণতা পুরোপুরি বন্ধ হবে।

রোববার, ১৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুলাই ২০২৬
কাশীপুর ব্রিজের নিচে দীর্ঘদিন ধরে ময়লা ফেলা বন্ধ হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এ উদ্যোগের জন্য কাশীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সোহেল মাহমুদকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
জানা যায়, ব্রিজের নিচে ময়লা ফেলা বন্ধ হওয়ার পর এবার ডিক্রির চর ছোট কালভার্ট এলাকায় পুনরায় ময়লা ফেলতে আসলে কোস্ট গার্ড অভিযান চালিয়ে ময়লা বহনকারী কয়েকজন কর্মীকে আটক করে। পরে তাদের ছাড়িয়ে নিতে স্থানীয় এক বিএনপি নেতা ঘটনাস্থলে গেলে সোহেল মাহমুদের কর্মীদের দৌড়ানিতে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সোহেল মাহমুদ বলেন,
"কোনো অবস্থাতেই কাশীপুর ইউনিয়নের কোনো এলাকায় আর ময়লা ফেলতে দেওয়া হবে না। যে-ই হোক, কোনো রাজনৈতিক পরিচয়ের আড়ালে ময়লা নিয়ে ব্যবসা করতে চাইলে আমরা তা কঠোরভাবে প্রতিহত করব। কাশীপুরকে ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হতে দেওয়া হবে না।"
তিনি আরও বলেন,
"কোস্ট গার্ড যেকোনো আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করলে আমরা তাদের পাশে থাকব। পরিবেশ রক্ষা ও জনস্বার্থে তাদের সকল বৈধ উদ্যোগে সর্বাত্মক সহযোগিতা করব। কাশীপুরবাসীর স্বার্থে প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে আমরা সবসময় প্রস্তুত।"
স্থানীয়দের দাবি, কাশীপুর ব্রিজের নিচে ময়লা ফেলা বন্ধ হওয়ার পর এলাকার পরিবেশের উন্নতি হয়েছে। তারা আশা করছেন, ডিক্রির চর ছোট কালভার্টসহ ইউনিয়নের অন্যান্য স্থানেও প্রশাসনের নজরদারি অব্যাহত থাকলে অবৈধভাবে ময়লা ফেলার প্রবণতা পুরোপুরি বন্ধ হবে।

আপনার মতামত লিখুন