বন্দরে গ্যাস বিস্ফোরণ: ছেলের পর এবার মায়ের মৃত্যু
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি | ১০ আগস্ট ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ভাড়া বাসায় গ্যাসের লিকেজ থেকে জমে থাকা গ্যাসের বিস্ফোরণে দগ্ধ একই পরিবারের তিনজনের মধ্যে এবার মারা গেছেন মা বিউটি আক্তার (২৪)। এর আগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় তার ৮ বছরের ছেলে মারুফ। পরিবারের আরেক সদস্য বাবা মাইদুল ইসলামও গুরুতর দগ্ধ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে রাজধানীর জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিউটি আক্তারের মৃত্যু হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের আবাসিক সার্জন ও সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান।
তিনি জানান, বিস্ফোরণে বিউটি আক্তারের শরীরের প্রায় ৮০ শতাংশ পুড়ে যায়। গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় কয়েক দিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।
এর আগে শনিবার দুপুরে একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় বিউটির ৮ বছরের ছেলে মারুফ। চিকিৎসকদের তথ্য অনুযায়ী, বিস্ফোরণে শিশুটির শরীরের প্রায় ৯০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।
এদিকে স্ত্রী ও সন্তানকে হারিয়ে সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন মাইদুল ইসলাম। পেশায় রাজমিস্ত্রি মাইদুলের শরীরের প্রায় ৮৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান জানিয়েছেন, তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক।
গত শুক্রবার সকালে বন্দরের কুড়িপাড়া-চাপাতলী এলাকার একটি টিনের ভাড়া বাসায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। পরে আগুন ছড়িয়ে পড়লে ঘরের ভেতরে থাকা মাইদুল ইসলাম, তার স্ত্রী বিউটি আক্তার ও ছেলে মারুফ দগ্ধ হন।
স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। পরে গুরুতর অবস্থায় তিনজনকেই রাজধানীর জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।
স্বজনদের বরাতে জানা গেছে, নিহত বিউটি আক্তার ও তার পরিবারের গ্রামের বাড়ি নাটোরে। জীবিকার সন্ধানে প্রায় এক বছর আগে তারা নারায়ণগঞ্জের বন্দরে আসেন। পরে কুড়িপাড়া-চাপাতলী এলাকায় একটি টিনের ঘর ভাড়া নিয়ে বসবাস করছিলেন।
ঘটনার পর প্রাথমিক তদন্তে গ্যাস লিকেজ থেকে জমে থাকা গ্যাসের কারণেই বিস্ফোরণ ঘটেছে বলে ধারণা করছেন নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন।

সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬
বন্দরে গ্যাস বিস্ফোরণ: ছেলের পর এবার মায়ের মৃত্যু
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি | ১০ আগস্ট ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ভাড়া বাসায় গ্যাসের লিকেজ থেকে জমে থাকা গ্যাসের বিস্ফোরণে দগ্ধ একই পরিবারের তিনজনের মধ্যে এবার মারা গেছেন মা বিউটি আক্তার (২৪)। এর আগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় তার ৮ বছরের ছেলে মারুফ। পরিবারের আরেক সদস্য বাবা মাইদুল ইসলামও গুরুতর দগ্ধ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে রাজধানীর জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিউটি আক্তারের মৃত্যু হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের আবাসিক সার্জন ও সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান।
তিনি জানান, বিস্ফোরণে বিউটি আক্তারের শরীরের প্রায় ৮০ শতাংশ পুড়ে যায়। গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় কয়েক দিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।
এর আগে শনিবার দুপুরে একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় বিউটির ৮ বছরের ছেলে মারুফ। চিকিৎসকদের তথ্য অনুযায়ী, বিস্ফোরণে শিশুটির শরীরের প্রায় ৯০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।
এদিকে স্ত্রী ও সন্তানকে হারিয়ে সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন মাইদুল ইসলাম। পেশায় রাজমিস্ত্রি মাইদুলের শরীরের প্রায় ৮৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান জানিয়েছেন, তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক।
গত শুক্রবার সকালে বন্দরের কুড়িপাড়া-চাপাতলী এলাকার একটি টিনের ভাড়া বাসায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। পরে আগুন ছড়িয়ে পড়লে ঘরের ভেতরে থাকা মাইদুল ইসলাম, তার স্ত্রী বিউটি আক্তার ও ছেলে মারুফ দগ্ধ হন।
স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। পরে গুরুতর অবস্থায় তিনজনকেই রাজধানীর জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।
স্বজনদের বরাতে জানা গেছে, নিহত বিউটি আক্তার ও তার পরিবারের গ্রামের বাড়ি নাটোরে। জীবিকার সন্ধানে প্রায় এক বছর আগে তারা নারায়ণগঞ্জের বন্দরে আসেন। পরে কুড়িপাড়া-চাপাতলী এলাকায় একটি টিনের ঘর ভাড়া নিয়ে বসবাস করছিলেন।
ঘটনার পর প্রাথমিক তদন্তে গ্যাস লিকেজ থেকে জমে থাকা গ্যাসের কারণেই বিস্ফোরণ ঘটেছে বলে ধারণা করছেন নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন।

আপনার মতামত লিখুন