পরিবেশ ও সংশ্লিষ্ট আইন মেনে ইটভাটা পরিচালনার জন্য নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের ইটভাটা মালিকদের নির্দেশ দিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর। একই সঙ্গে নিষিদ্ধ এলাকায় স্থাপিত ভাটার কার্যক্রম বন্ধ রাখা এবং জ্বালানি হিসেবে কাঠ বা কাঠজাতীয় পদার্থ ব্যবহার না করার বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) পরিবেশ অধিদপ্তরের নারায়ণগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে ইটভাটা মালিকদের নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন পরিবেশ অধিদপ্তর, নারায়ণগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক এ এইচ এম রাসেদ। এতে বক্তব্য দেন সহকারী পরিচালক মো. মোবারক হোসেন। ইটভাটা মালিকদের মধ্যে মো. শরীফ হোসেন, মো. রিপন মিয়া, সাইফুল ইসলাম, শাহাদাত হোসেন ও মো. কবির হোসেন বক্তব্য রাখেন।
সভায় ‘ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) আইন, ২০১৯’ অনুসরণ করে ইটভাটা পরিচালনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। আইন অনুযায়ী নিষিদ্ধ এলাকায় স্থাপিত কোনো ইটভাটা চালু রাখা যাবে না বলে মালিকদের জানানো হয়।
এ ছাড়া ভাটায় জ্বালানি হিসেবে কাঠ কিংবা কাঠজাতীয় কোনো পদার্থ ব্যবহার না করার নির্দেশ দেওয়া হয়। যেসব ইটভাটার পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র রয়েছে, সেগুলোর মেয়াদ শেষ হওয়ার অন্তত এক মাস আগে নবায়নের আবেদন করার জন্য মালিকদের পরামর্শ দেওয়া হয়।
ইটভাটা পরিচালনার আগে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্রের পাশাপাশি জেলা প্রশাসনের ইট পোড়ানোর লাইসেন্স এবং মাটি সংগ্রহের প্রয়োজনীয় অনুমোদন গ্রহণের বিষয়েও সভায় নির্দেশনা দেওয়া হয়। মাটি ব্যবহারসহ ইটভাটার অন্যান্য কার্যক্রম প্রচলিত আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী পরিচালনা করতে বলা হয়েছে।
সভায় অবৈধভাবে ইটভাটা পরিচালনা না করার জন্য মালিকদের সতর্ক করা হয়। একই সঙ্গে পরিবেশ আইন ও বিধিমালা যথাযথভাবে মেনে চলার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ আগস্ট ২০২৬
পরিবেশ ও সংশ্লিষ্ট আইন মেনে ইটভাটা পরিচালনার জন্য নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের ইটভাটা মালিকদের নির্দেশ দিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর। একই সঙ্গে নিষিদ্ধ এলাকায় স্থাপিত ভাটার কার্যক্রম বন্ধ রাখা এবং জ্বালানি হিসেবে কাঠ বা কাঠজাতীয় পদার্থ ব্যবহার না করার বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) পরিবেশ অধিদপ্তরের নারায়ণগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে ইটভাটা মালিকদের নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন পরিবেশ অধিদপ্তর, নারায়ণগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক এ এইচ এম রাসেদ। এতে বক্তব্য দেন সহকারী পরিচালক মো. মোবারক হোসেন। ইটভাটা মালিকদের মধ্যে মো. শরীফ হোসেন, মো. রিপন মিয়া, সাইফুল ইসলাম, শাহাদাত হোসেন ও মো. কবির হোসেন বক্তব্য রাখেন।
সভায় ‘ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) আইন, ২০১৯’ অনুসরণ করে ইটভাটা পরিচালনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। আইন অনুযায়ী নিষিদ্ধ এলাকায় স্থাপিত কোনো ইটভাটা চালু রাখা যাবে না বলে মালিকদের জানানো হয়।
এ ছাড়া ভাটায় জ্বালানি হিসেবে কাঠ কিংবা কাঠজাতীয় কোনো পদার্থ ব্যবহার না করার নির্দেশ দেওয়া হয়। যেসব ইটভাটার পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র রয়েছে, সেগুলোর মেয়াদ শেষ হওয়ার অন্তত এক মাস আগে নবায়নের আবেদন করার জন্য মালিকদের পরামর্শ দেওয়া হয়।
ইটভাটা পরিচালনার আগে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্রের পাশাপাশি জেলা প্রশাসনের ইট পোড়ানোর লাইসেন্স এবং মাটি সংগ্রহের প্রয়োজনীয় অনুমোদন গ্রহণের বিষয়েও সভায় নির্দেশনা দেওয়া হয়। মাটি ব্যবহারসহ ইটভাটার অন্যান্য কার্যক্রম প্রচলিত আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী পরিচালনা করতে বলা হয়েছে।
সভায় অবৈধভাবে ইটভাটা পরিচালনা না করার জন্য মালিকদের সতর্ক করা হয়। একই সঙ্গে পরিবেশ আইন ও বিধিমালা যথাযথভাবে মেনে চলার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়।

আপনার মতামত লিখুন