রাতে বাড়ছে ছিনতাইয়ের আতঙ্ক, নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন নারায়ণগঞ্জবাসী
দিনের ব্যস্ততা শেষ হয়ে রাত নামলেই নারায়ণগঞ্জ নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ছিনতাইয়ের আতঙ্ক বাড়ছে। সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক ছিনতাইয়ের ঘটনা এবং সিসিটিভি ফুটেজ ছড়িয়ে পড়ায় রাতের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে নগরবাসীর মধ্যে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
নগরবাসীর উদ্বেগের পেছনে রয়েছে সাম্প্রতিক বেশ কয়েকটি ঘটনা। এর মধ্যে ২০২৪ সালের ১২ ডিসেম্বর ভোরে শহরের দেওভোগ এলাকায় ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ওয়াজেদ আলম সীমান্ত নিহত হওয়ার ঘটনা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।
এরপর চলতি বছরের ৯ মার্চ ভোরে নিতাইগঞ্জ এলাকায় দায়িত্ব পালনকালে ছিনতাইকারীদের কবলে পড়েন পুলিশের এএসআই লুৎফর রহমান। এ সময় তাঁর কাছ থেকে অস্ত্র ও গুলি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটে। পরে অভিযান চালিয়ে পুলিশ সেই অস্ত্র উদ্ধার করে।
এ ছাড়া এপ্রিল থেকে জুলাই—এই চার মাসে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় রাতের ছিনতাইয়ের কয়েকটি সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। গভমেন্ট গার্লস স্কুল, অক্টোঅফিস, তল্লা, খানপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় ঘটে যাওয়া এসব ঘটনার ভিডিওতে রাতের সড়কে ছিনতাইয়ের দৃশ্য দেখা যায়। বন্দরের একটি ছিনতাইয়ের ফুটেজও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
এসব ভিডিও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় নগরবাসীর মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে রাতে কর্মস্থল থেকে ফেরা মানুষ, ব্যবসায়ী, পরিবহন শ্রমিক ও জরুরি প্রয়োজনে চলাচলকারীদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতার অনুভূতি বাড়ছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ছিনতাইপ্রবণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করে রাতের বেলায় পুলিশের টহল আরও জোরদার করতে হবে। গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও অন্ধকার এলাকাগুলোতে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা এবং অতিরিক্ত সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনেরও দাবি জানিয়েছেন তারা।
নগরবাসীর মতে, শুধু ঘটনার পর অভিযান পরিচালনা নয়, ছিনতাইয়ের সম্ভাব্য স্থানগুলো আগে থেকেই চিহ্নিত করে নিয়মিত নজরদারি চালানো প্রয়োজন। পুলিশের দৃশ্যমান উপস্থিতি বাড়ানো গেলে অপরাধীদের তৎপরতা কমানোর পাশাপাশি সাধারণ মানুষের আতঙ্কও অনেকটা দূর হবে।
এদিকে পুলিশ জানিয়েছে, ছিনতাইসহ অপরাধ নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন এলাকায় নজরদারি ও অভিযান চালানো হচ্ছে। অপরাধপ্রবণ স্থানগুলোতে পুলিশের তৎপরতা বাড়ানোর পাশাপাশি অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার কার্যক্রমও চলছে।

শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ আগস্ট ২০২৬
রাতে বাড়ছে ছিনতাইয়ের আতঙ্ক, নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন নারায়ণগঞ্জবাসী
দিনের ব্যস্ততা শেষ হয়ে রাত নামলেই নারায়ণগঞ্জ নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ছিনতাইয়ের আতঙ্ক বাড়ছে। সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক ছিনতাইয়ের ঘটনা এবং সিসিটিভি ফুটেজ ছড়িয়ে পড়ায় রাতের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে নগরবাসীর মধ্যে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
নগরবাসীর উদ্বেগের পেছনে রয়েছে সাম্প্রতিক বেশ কয়েকটি ঘটনা। এর মধ্যে ২০২৪ সালের ১২ ডিসেম্বর ভোরে শহরের দেওভোগ এলাকায় ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ওয়াজেদ আলম সীমান্ত নিহত হওয়ার ঘটনা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।
এরপর চলতি বছরের ৯ মার্চ ভোরে নিতাইগঞ্জ এলাকায় দায়িত্ব পালনকালে ছিনতাইকারীদের কবলে পড়েন পুলিশের এএসআই লুৎফর রহমান। এ সময় তাঁর কাছ থেকে অস্ত্র ও গুলি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটে। পরে অভিযান চালিয়ে পুলিশ সেই অস্ত্র উদ্ধার করে।
এ ছাড়া এপ্রিল থেকে জুলাই—এই চার মাসে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় রাতের ছিনতাইয়ের কয়েকটি সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। গভমেন্ট গার্লস স্কুল, অক্টোঅফিস, তল্লা, খানপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় ঘটে যাওয়া এসব ঘটনার ভিডিওতে রাতের সড়কে ছিনতাইয়ের দৃশ্য দেখা যায়। বন্দরের একটি ছিনতাইয়ের ফুটেজও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
এসব ভিডিও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় নগরবাসীর মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে রাতে কর্মস্থল থেকে ফেরা মানুষ, ব্যবসায়ী, পরিবহন শ্রমিক ও জরুরি প্রয়োজনে চলাচলকারীদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতার অনুভূতি বাড়ছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ছিনতাইপ্রবণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করে রাতের বেলায় পুলিশের টহল আরও জোরদার করতে হবে। গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও অন্ধকার এলাকাগুলোতে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা এবং অতিরিক্ত সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনেরও দাবি জানিয়েছেন তারা।
নগরবাসীর মতে, শুধু ঘটনার পর অভিযান পরিচালনা নয়, ছিনতাইয়ের সম্ভাব্য স্থানগুলো আগে থেকেই চিহ্নিত করে নিয়মিত নজরদারি চালানো প্রয়োজন। পুলিশের দৃশ্যমান উপস্থিতি বাড়ানো গেলে অপরাধীদের তৎপরতা কমানোর পাশাপাশি সাধারণ মানুষের আতঙ্কও অনেকটা দূর হবে।
এদিকে পুলিশ জানিয়েছে, ছিনতাইসহ অপরাধ নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন এলাকায় নজরদারি ও অভিযান চালানো হচ্ছে। অপরাধপ্রবণ স্থানগুলোতে পুলিশের তৎপরতা বাড়ানোর পাশাপাশি অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার কার্যক্রমও চলছে।

আপনার মতামত লিখুন