নারায়ণগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে খানপুর হাসপাতালে যুবদলের ফগিং ও সচেতনতামূলক র্যালি
ডেঙ্গু মোকাবিলায় নাগরিকদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত করে তা ধ্বংসের উদ্যোগ নিয়েছে নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদল। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) নগরের ৩০০ শয্যাবিশিষ্ট নারায়ণগঞ্জ হাসপাতাল (খানপুর) ও এর আশপাশের এলাকায় এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
কর্মসূচির শুরুতে হাসপাতাল প্রাঙ্গণ ও আশপাশের বিভিন্ন স্থানে ফগার মেশিনের মাধ্যমে মশা নিধন করা হয়। পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দা ও হাসপাতালে আসা রোগী-স্বজনদের ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানানো হয়। বিশেষ করে বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া, নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং মশার লার্ভা জন্মাতে পারে এমন স্থান দ্রুত পরিষ্কার করার বিষয়ে সচেতন করা হয়।
মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম সজল বলেন, খানপুর হাসপাতালে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক মানুষ চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন। ফলে হাসপাতাল প্রাঙ্গণ ও আশপাশের পরিবেশ মশামুক্ত রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রোগী ও তাদের স্বজনরা যাতে মশাবাহিত রোগের ঝুঁকিতে না পড়েন, সে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই হাসপাতাল এলাকায় ফগিং ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালানো হয়েছে।
তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু প্রশাসন বা কোনো একটি প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ বাসাবাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি কোথাও পানি জমে থাকলে তা অপসারণে উদ্যোগী হতে হবে। সম্মিলিতভাবে সচেতনতা তৈরি করা গেলে ডেঙ্গুর বিস্তার অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব শাহেদ আহমেদ জানান, নগরের ২৭টি ওয়ার্ডে ডেঙ্গু প্রতিরোধ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সংগঠনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। কেন্দ্রীয়ভাবে ঘোষিত কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় এবার খানপুর হাসপাতাল ও সংলগ্ন এলাকায় বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে ফগিং, পরিচ্ছন্নতা এবং সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, মশার লার্ভা জন্মানোর সম্ভাবনা রয়েছে—এমন স্থানগুলো চিহ্নিত করে সেগুলো পরিষ্কার করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি স্থানীয়দের এসব বিষয়ে সচেতন করা হচ্ছে, যাতে নিজেদের উদ্যোগেও তারা মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করতে পারেন। ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
কর্মসূচিতে মনিরুল ইসলাম সজল ও শাহেদ আহমেদের নেতৃত্বে মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরে এলাহী সোহাগ, আব্দুর রহমান, সাইফুল আলম সজিব, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য রাফি উদ্দিন রিয়াদ, শহীদুল ইসলাম, ওয়াদুদ ভূইয়া সাগর, মিনহাজ মিঠু, সাইফুল ইসলাম আপন, শাহীন শরীফ, জুনায়েদ আলম ঝলক, ফয়সাল আহমেদ, আলী হোসেন সৌরভ, হাবিবুর রহমান মাসুদ, আব্দুল কাদিরসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় নেতাকর্মীরা হাসপাতাল এলাকায় আগত রোগী, স্বজন এবং আশপাশের বাসিন্দাদের ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতন থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে নিজেদের বাড়ি ও আশপাশে পানি জমে থাকা এবং মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল নিয়মিত পরিষ্কার রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নারায়ণগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে খানপুর হাসপাতালে যুবদলের ফগিং ও সচেতনতামূলক র্যালি
ডেঙ্গু মোকাবিলায় নাগরিকদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত করে তা ধ্বংসের উদ্যোগ নিয়েছে নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদল। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) নগরের ৩০০ শয্যাবিশিষ্ট নারায়ণগঞ্জ হাসপাতাল (খানপুর) ও এর আশপাশের এলাকায় এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
কর্মসূচির শুরুতে হাসপাতাল প্রাঙ্গণ ও আশপাশের বিভিন্ন স্থানে ফগার মেশিনের মাধ্যমে মশা নিধন করা হয়। পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দা ও হাসপাতালে আসা রোগী-স্বজনদের ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানানো হয়। বিশেষ করে বাসাবাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া, নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং মশার লার্ভা জন্মাতে পারে এমন স্থান দ্রুত পরিষ্কার করার বিষয়ে সচেতন করা হয়।
মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম সজল বলেন, খানপুর হাসপাতালে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক মানুষ চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন। ফলে হাসপাতাল প্রাঙ্গণ ও আশপাশের পরিবেশ মশামুক্ত রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রোগী ও তাদের স্বজনরা যাতে মশাবাহিত রোগের ঝুঁকিতে না পড়েন, সে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই হাসপাতাল এলাকায় ফগিং ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালানো হয়েছে।
তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু প্রশাসন বা কোনো একটি প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ বাসাবাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি কোথাও পানি জমে থাকলে তা অপসারণে উদ্যোগী হতে হবে। সম্মিলিতভাবে সচেতনতা তৈরি করা গেলে ডেঙ্গুর বিস্তার অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব শাহেদ আহমেদ জানান, নগরের ২৭টি ওয়ার্ডে ডেঙ্গু প্রতিরোধ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সংগঠনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। কেন্দ্রীয়ভাবে ঘোষিত কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় এবার খানপুর হাসপাতাল ও সংলগ্ন এলাকায় বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে ফগিং, পরিচ্ছন্নতা এবং সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, মশার লার্ভা জন্মানোর সম্ভাবনা রয়েছে—এমন স্থানগুলো চিহ্নিত করে সেগুলো পরিষ্কার করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি স্থানীয়দের এসব বিষয়ে সচেতন করা হচ্ছে, যাতে নিজেদের উদ্যোগেও তারা মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করতে পারেন। ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
কর্মসূচিতে মনিরুল ইসলাম সজল ও শাহেদ আহমেদের নেতৃত্বে মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরে এলাহী সোহাগ, আব্দুর রহমান, সাইফুল আলম সজিব, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য রাফি উদ্দিন রিয়াদ, শহীদুল ইসলাম, ওয়াদুদ ভূইয়া সাগর, মিনহাজ মিঠু, সাইফুল ইসলাম আপন, শাহীন শরীফ, জুনায়েদ আলম ঝলক, ফয়সাল আহমেদ, আলী হোসেন সৌরভ, হাবিবুর রহমান মাসুদ, আব্দুল কাদিরসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় নেতাকর্মীরা হাসপাতাল এলাকায় আগত রোগী, স্বজন এবং আশপাশের বাসিন্দাদের ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতন থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে নিজেদের বাড়ি ও আশপাশে পানি জমে থাকা এবং মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল নিয়মিত পরিষ্কার রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আপনার মতামত লিখুন