পদের লোভে জেগে উঠেছে লাপাত্তা মামা-ভাগ্নে !
বিশেষ প্রতিবেদক :
নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে উত্তপ্ত করতে গণঅভ্যূত্থানের পর লাপাত্তা হয়ে যাওয়া মামা-ভাগ্নে এবার নয়া ছক কষছে। বিগত ২০২৪ সাল থেকে ২০২৬ চলতি বছরের আগষ্ট পর্যন্ত নিষ্ক্রিয় থাকলেও নিজেদের সক্রিয় দেখাতে প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা নেতাকর্মীদের এবার বিভিন্ন নির্দেশনা দিচ্ছে মামা হিসেবে পরিচিত কার্য্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাকিরুল আলম হেলাল ও শহর যুবলীগের সভাপতি শাহাদৎ হোসেন সাজনু এবং ভাগ্নে মহানগর স্বেচ্ছা সেবক লীগের সভাপতি মো. জুয়েল হোসেন।
সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থেকে নতুন করে নিজেদের সক্রিয়তার প্রমান দিতে মামা-ভাগ্নে এখন অবস্থান করছেন রাজধানীর গুলশান ও উত্তরা এলাকায়। আর সেখান থেকে বসে টেলিগ্রাম ও হুয়াটস অ্যাপ ব্যবহার করে কর্মী-সমর্থকদের খোঁজ নিয়ে মাঠে থাকার অনুরোধ করে যাচ্ছে। তবে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে কর্মী সমথর্করা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তাদের কর্মী সমর্থকরা জানিয়েছেন, ২০২৪ সালে নেতাদের নির্দেশে রাজপথে মিছিল-মিটিং থেকে বিরোধীদের প্রতিরোধে ব্যপক নাশকতা চালিয়েছে তারা। তবে ৫ আগষ্টের পর মামা-ভাগ্নে গা ঢাকা দিলেও বিএনপি নেতাদের সাথে রয়েছে গোপন আতাঁত। যার মাধ্যমে ফেলে রাখা বিভিন্ন ব্যবসা বানিজ্যের অর্থের ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে আলোচনাও হয় রাজধানীতেই। কিন্তু এই নেতাদের কর্মী সমর্থকরা দীর্ঘ দু বছরেরও বেশী সময় রাজনৈতিক মামলা ও অভাবের জীবন কাটালেও খোঁজ নেয়নি। এতে করে বিশেষ করে যুবলীগ ও স্বেচ্ছা সেবক লীগের বেশ একটা অংশ এখন তাদের বয়কট করেছে।
কারণ হিসেবে তারা উল্লেখ করেছেন, আওয়ামী লীগ শাসন আমলে বিভিন্ন হাট, ঘাট ও টেন্ডারবাজী করে অঢেল অর্থের মালিক বুনে গেছে। এছাড়াও মামা-ভাগ্নেদের রয়েছে গার্মেন্ট কারখানা, লাইটার জাহাজ, পরিবহন ব্যবসা। যা থেকে লভ্যাংশের অর্থ এখনও যায় তাদের পকেটে। কিন্তু সেসময়ও যেমনি কর্মী সমর্থকদের মূল্যায়ন করেননি। তেমনি গণঅভ্যূত্থানের পরে তারা রাজনীতি ছেড়ে দিবে বলে পণ করেন। যেসব ভিডিও বার্তা ছড়িয়ে পড়লে সকল কর্মী সমর্থকরা ভেঙ্গে পড়ে। এদিকে সেসকল কর্মী সমর্থকদের পাশে দাঁড়িয়ে এবং রাজপথে শুরু থেকে ভূমিকা রাখায় বিশাল একটা অংশ চলে গেছেন সাবেক এমপি নাসিম ওসমানের পুত্র আজমেরী ওসমানের বলয়ে।
মামা-ভাগ্নের কর্মী-সমর্থকরা অনেকেই ভাবছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আগমনি বার্তায় পদ পদবী আর ক্ষমতার লোভে নতুন করে সক্রিয়তা দেখাতে কর্মী-সমর্থকদের উপর ভর করেছে। এছাড়াও নিরিহ কর্মীদের ও তাদের পরিবারকে বিপদে ফেলতে চায়। তারা শুধু নিজ স্বার্থ উদ্ধার ছাড়া আর কিছুই জানেন না। যে কারণে মামা-ভাগ্নে রাজনীতিতে ভবিষ্যৎ দেখছেন না তারা।

বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পদের লোভে জেগে উঠেছে লাপাত্তা মামা-ভাগ্নে !
বিশেষ প্রতিবেদক :
নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে উত্তপ্ত করতে গণঅভ্যূত্থানের পর লাপাত্তা হয়ে যাওয়া মামা-ভাগ্নে এবার নয়া ছক কষছে। বিগত ২০২৪ সাল থেকে ২০২৬ চলতি বছরের আগষ্ট পর্যন্ত নিষ্ক্রিয় থাকলেও নিজেদের সক্রিয় দেখাতে প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা নেতাকর্মীদের এবার বিভিন্ন নির্দেশনা দিচ্ছে মামা হিসেবে পরিচিত কার্য্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাকিরুল আলম হেলাল ও শহর যুবলীগের সভাপতি শাহাদৎ হোসেন সাজনু এবং ভাগ্নে মহানগর স্বেচ্ছা সেবক লীগের সভাপতি মো. জুয়েল হোসেন।
সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থেকে নতুন করে নিজেদের সক্রিয়তার প্রমান দিতে মামা-ভাগ্নে এখন অবস্থান করছেন রাজধানীর গুলশান ও উত্তরা এলাকায়। আর সেখান থেকে বসে টেলিগ্রাম ও হুয়াটস অ্যাপ ব্যবহার করে কর্মী-সমর্থকদের খোঁজ নিয়ে মাঠে থাকার অনুরোধ করে যাচ্ছে। তবে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে কর্মী সমথর্করা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তাদের কর্মী সমর্থকরা জানিয়েছেন, ২০২৪ সালে নেতাদের নির্দেশে রাজপথে মিছিল-মিটিং থেকে বিরোধীদের প্রতিরোধে ব্যপক নাশকতা চালিয়েছে তারা। তবে ৫ আগষ্টের পর মামা-ভাগ্নে গা ঢাকা দিলেও বিএনপি নেতাদের সাথে রয়েছে গোপন আতাঁত। যার মাধ্যমে ফেলে রাখা বিভিন্ন ব্যবসা বানিজ্যের অর্থের ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে আলোচনাও হয় রাজধানীতেই। কিন্তু এই নেতাদের কর্মী সমর্থকরা দীর্ঘ দু বছরেরও বেশী সময় রাজনৈতিক মামলা ও অভাবের জীবন কাটালেও খোঁজ নেয়নি। এতে করে বিশেষ করে যুবলীগ ও স্বেচ্ছা সেবক লীগের বেশ একটা অংশ এখন তাদের বয়কট করেছে।
কারণ হিসেবে তারা উল্লেখ করেছেন, আওয়ামী লীগ শাসন আমলে বিভিন্ন হাট, ঘাট ও টেন্ডারবাজী করে অঢেল অর্থের মালিক বুনে গেছে। এছাড়াও মামা-ভাগ্নেদের রয়েছে গার্মেন্ট কারখানা, লাইটার জাহাজ, পরিবহন ব্যবসা। যা থেকে লভ্যাংশের অর্থ এখনও যায় তাদের পকেটে। কিন্তু সেসময়ও যেমনি কর্মী সমর্থকদের মূল্যায়ন করেননি। তেমনি গণঅভ্যূত্থানের পরে তারা রাজনীতি ছেড়ে দিবে বলে পণ করেন। যেসব ভিডিও বার্তা ছড়িয়ে পড়লে সকল কর্মী সমর্থকরা ভেঙ্গে পড়ে। এদিকে সেসকল কর্মী সমর্থকদের পাশে দাঁড়িয়ে এবং রাজপথে শুরু থেকে ভূমিকা রাখায় বিশাল একটা অংশ চলে গেছেন সাবেক এমপি নাসিম ওসমানের পুত্র আজমেরী ওসমানের বলয়ে।
মামা-ভাগ্নের কর্মী-সমর্থকরা অনেকেই ভাবছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আগমনি বার্তায় পদ পদবী আর ক্ষমতার লোভে নতুন করে সক্রিয়তা দেখাতে কর্মী-সমর্থকদের উপর ভর করেছে। এছাড়াও নিরিহ কর্মীদের ও তাদের পরিবারকে বিপদে ফেলতে চায়। তারা শুধু নিজ স্বার্থ উদ্ধার ছাড়া আর কিছুই জানেন না। যে কারণে মামা-ভাগ্নে রাজনীতিতে ভবিষ্যৎ দেখছেন না তারা।

আপনার মতামত লিখুন