নারায়ণগঞ্জের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে চাষাঢ়ার শহীদ জিয়া হলকে নতুন আঙ্গিকে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রায় ১২০ কোটি টাকা ব্যয়ে ১১ তলা ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের (নাসিক) প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চাষাঢ়ায় শহীদ জিয়া হল পুনর্নির্মাণ প্রকল্পের মাটি পরীক্ষা (সয়েল টেস্ট) কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এ সময় প্রকল্পটির বিভিন্ন দিক তুলে ধরে এসব তথ্য জানান নাসিক প্রশাসক।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, নতুন ভবনটির দুই তলা থাকবে মাটির নিচে। সেখানে প্রায় ৫০০ গাড়ি রাখার জন্য পার্কিং সুবিধা রাখা হবে। ভবনের বিভিন্ন অংশে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য নাট্যশালা, লাইব্রেরি, কমিউনিটি সেন্টার ও প্রশিক্ষণকেন্দ্রসহ প্রয়োজনীয় বিভিন্ন সুবিধা রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম এবং নাসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নূর কুতুবুল আলম।
সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, নতুন জিয়া হল হবে ১১ তলা। এর দুটি তলা মাটির নিচে নির্মাণ করা হবে এবং সেখানে প্রায় ৫০০ গাড়ি রাখার ব্যবস্থা থাকবে। পাশাপাশি একটি পূর্ণাঙ্গ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে প্রয়োজনীয় সুবিধাগুলো ধাপে ধাপে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে নাট্যশালা, লাইব্রেরি, কমিউনিটি সেন্টার ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা থাকবে।
তিনি বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে জিয়া হল নারায়ণগঞ্জের একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে পরিণত হবে। এখান থেকে নারায়ণগঞ্জের শিল্পী ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা দেশের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়েও নিজেদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য তুলে ধরার সুযোগ পাবেন।
প্রকল্পের অর্থায়ন সম্পর্কে নাসিক প্রশাসক জানান, জিয়া হল পুনর্নির্মাণে মোট ১২০ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। পুরো অর্থ জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) থেকে পাওয়া যাবে বলে তিনি জানান।
এ সময় জিয়া হলের পূর্ববর্তী অবস্থা নিয়ে বক্তব্য দিতে গিয়ে সাখাওয়াত হোসেন খান অভিযোগ করেন, আগের সরকারের সময়ে ভবনটি ভেঙে জায়গাটি দখলের চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে দেশের মানুষ ও নারায়ণগঞ্জের জনগণ সেই উদ্যোগ ব্যর্থ করে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরও জানান, বর্তমান সরকারের সময়ে জিয়া হলকে আধুনিক সাংস্কৃতিক হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ১২০ কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। স্থানীয় সংসদ সদস্য, নাসিক প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দ্রুত প্রকল্পটি বাস্তবায়নের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে নতুন ভবনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, প্রশিক্ষণ, পাঠাগার কার্যক্রম, সামাজিক আয়োজন ও বিভিন্ন কমিউনিটি কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ তৈরি হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে চাষাঢ়ার শহীদ জিয়া হলকে নতুন আঙ্গিকে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রায় ১২০ কোটি টাকা ব্যয়ে ১১ তলা ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের (নাসিক) প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চাষাঢ়ায় শহীদ জিয়া হল পুনর্নির্মাণ প্রকল্পের মাটি পরীক্ষা (সয়েল টেস্ট) কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এ সময় প্রকল্পটির বিভিন্ন দিক তুলে ধরে এসব তথ্য জানান নাসিক প্রশাসক।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, নতুন ভবনটির দুই তলা থাকবে মাটির নিচে। সেখানে প্রায় ৫০০ গাড়ি রাখার জন্য পার্কিং সুবিধা রাখা হবে। ভবনের বিভিন্ন অংশে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য নাট্যশালা, লাইব্রেরি, কমিউনিটি সেন্টার ও প্রশিক্ষণকেন্দ্রসহ প্রয়োজনীয় বিভিন্ন সুবিধা রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম এবং নাসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নূর কুতুবুল আলম।
সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, নতুন জিয়া হল হবে ১১ তলা। এর দুটি তলা মাটির নিচে নির্মাণ করা হবে এবং সেখানে প্রায় ৫০০ গাড়ি রাখার ব্যবস্থা থাকবে। পাশাপাশি একটি পূর্ণাঙ্গ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে প্রয়োজনীয় সুবিধাগুলো ধাপে ধাপে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে নাট্যশালা, লাইব্রেরি, কমিউনিটি সেন্টার ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা থাকবে।
তিনি বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে জিয়া হল নারায়ণগঞ্জের একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে পরিণত হবে। এখান থেকে নারায়ণগঞ্জের শিল্পী ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা দেশের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়েও নিজেদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য তুলে ধরার সুযোগ পাবেন।
প্রকল্পের অর্থায়ন সম্পর্কে নাসিক প্রশাসক জানান, জিয়া হল পুনর্নির্মাণে মোট ১২০ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। পুরো অর্থ জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) থেকে পাওয়া যাবে বলে তিনি জানান।
এ সময় জিয়া হলের পূর্ববর্তী অবস্থা নিয়ে বক্তব্য দিতে গিয়ে সাখাওয়াত হোসেন খান অভিযোগ করেন, আগের সরকারের সময়ে ভবনটি ভেঙে জায়গাটি দখলের চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে দেশের মানুষ ও নারায়ণগঞ্জের জনগণ সেই উদ্যোগ ব্যর্থ করে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরও জানান, বর্তমান সরকারের সময়ে জিয়া হলকে আধুনিক সাংস্কৃতিক হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ১২০ কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। স্থানীয় সংসদ সদস্য, নাসিক প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দ্রুত প্রকল্পটি বাস্তবায়নের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে নতুন ভবনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, প্রশিক্ষণ, পাঠাগার কার্যক্রম, সামাজিক আয়োজন ও বিভিন্ন কমিউনিটি কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ তৈরি হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

আপনার মতামত লিখুন