নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে একটি মসজিদের ভেতরে পবিত্র আল-কোরআন অবমাননার অভিযোগে ইয়া নবী (৩৬) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সাদিপুর ইউনিয়নের বরাব পশ্চিম পাড়ার হাজী আব্দুর রহমান জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার ইয়া নবী বরাব এলাকার বাসিন্দা। তিনি মঞ্জু মিয়া ও জাহানারা বেগমের ছেলে।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২১ সেপ্টেম্বর মসজিদের অভ্যন্তরে পবিত্র আল-কোরআন নিয়ে অবমাননাকর আচরণ করার অভিযোগ ওঠে ইয়া নবীর বিরুদ্ধে। মসজিদে স্থাপিত সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে ঘটনাটি ধারণ হয়েছে বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনার খবর পাওয়ার পর সোনারগাঁ থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পাশাপাশি অভিযোগের ভিত্তিতে ইয়া নবীকে হেফাজতে নেয়।
পরে এ ঘটনায় সোনারগাঁ থানায় নিয়মিত মামলা করা হয়। মামলার পর গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ জানিয়েছে, কোনো ঘটনাকে কেন্দ্র করে গুজব, অপপ্রচার বা উত্তেজনা ছড়িয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি না ঘটাতে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো অভিযোগ বা তথ্য পাওয়া গেলে আইন নিজের হাতে না তুলে তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।
জননিরাপত্তা, শান্তি ও সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখতে পুলিশ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে বলেও জানিয়েছে জেলা পুলিশ।

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে একটি মসজিদের ভেতরে পবিত্র আল-কোরআন অবমাননার অভিযোগে ইয়া নবী (৩৬) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সাদিপুর ইউনিয়নের বরাব পশ্চিম পাড়ার হাজী আব্দুর রহমান জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার ইয়া নবী বরাব এলাকার বাসিন্দা। তিনি মঞ্জু মিয়া ও জাহানারা বেগমের ছেলে।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২১ সেপ্টেম্বর মসজিদের অভ্যন্তরে পবিত্র আল-কোরআন নিয়ে অবমাননাকর আচরণ করার অভিযোগ ওঠে ইয়া নবীর বিরুদ্ধে। মসজিদে স্থাপিত সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে ঘটনাটি ধারণ হয়েছে বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনার খবর পাওয়ার পর সোনারগাঁ থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পাশাপাশি অভিযোগের ভিত্তিতে ইয়া নবীকে হেফাজতে নেয়।
পরে এ ঘটনায় সোনারগাঁ থানায় নিয়মিত মামলা করা হয়। মামলার পর গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ জানিয়েছে, কোনো ঘটনাকে কেন্দ্র করে গুজব, অপপ্রচার বা উত্তেজনা ছড়িয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি না ঘটাতে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো অভিযোগ বা তথ্য পাওয়া গেলে আইন নিজের হাতে না তুলে তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।
জননিরাপত্তা, শান্তি ও সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখতে পুলিশ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে বলেও জানিয়েছে জেলা পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন