শহীদ জাহিদ আল আমিন বুলবুল হত্যাকাণ্ডের বিচার ও ঘটনায় জড়িতদের শাস্তির দাবিতে নারায়ণগঞ্জের চাষাঢ়ায় সমাবেশ করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নারায়ণগঞ্জ মহানগর। সমাবেশ থেকে অভিযুক্তদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় চাষাঢ়া শহীদ মিনারে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বন্দর থানার ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহিদ আল আমিন বুলবুলের হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মাওলানা মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম (পীর সাহেব চরমোনাই)। তিনি বুলবুল হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান। একই সঙ্গে ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করার আহ্বান জানান তিনি।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, দেশে অপরাধ বাড়তে থাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে বলে তিনি মনে করেন। তার বক্তব্যে খুন, ধর্ষণ, চুরি ও ছিনতাইয়ের মতো অপরাধের প্রসঙ্গ উঠে আসে। প্রশাসন অপরাধীদের গ্রেপ্তার করলেও অনেক ক্ষেত্রে তারা আইনের ফাঁক দিয়ে বের হয়ে আবার অপরাধে জড়াচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।
বুলবুল হত্যার বিচার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের দায়িত্বশীল বুলবুল হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। বিচার না হওয়া পর্যন্ত রাজপথের আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথাও জানান তিনি।
এ সময় জ্বালানি তেল ও গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির বিষয়েও বক্তব্য দেন পীর সাহেব চরমোনাই। এর ফলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় যে চাপ তৈরি হচ্ছে, তা বিবেচনায় নিয়ে সরকারকে জনবান্ধব সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান। তিনি বলেন, শহীদ বুলবুলের রক্ত বৃথা যেতে দেওয়া হবে না। হত্যাকারীদের বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, সরকার যদি হত্যাকারীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে কালক্ষেপণ করে, তাহলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে। একই সঙ্গে সারাদেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়ভার নেওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি। সংবিধান ও আইন যথাযথভাবে প্রয়োগের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন গাজী আতাউর রহমান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মুহাম্মদ নেছার উদ্দিন।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সভাপতি মাওলানা মুহাম্মদ দ্বীন ইসলাম।

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শহীদ জাহিদ আল আমিন বুলবুল হত্যাকাণ্ডের বিচার ও ঘটনায় জড়িতদের শাস্তির দাবিতে নারায়ণগঞ্জের চাষাঢ়ায় সমাবেশ করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নারায়ণগঞ্জ মহানগর। সমাবেশ থেকে অভিযুক্তদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় চাষাঢ়া শহীদ মিনারে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বন্দর থানার ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহিদ আল আমিন বুলবুলের হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মাওলানা মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম (পীর সাহেব চরমোনাই)। তিনি বুলবুল হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান। একই সঙ্গে ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করার আহ্বান জানান তিনি।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, দেশে অপরাধ বাড়তে থাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে বলে তিনি মনে করেন। তার বক্তব্যে খুন, ধর্ষণ, চুরি ও ছিনতাইয়ের মতো অপরাধের প্রসঙ্গ উঠে আসে। প্রশাসন অপরাধীদের গ্রেপ্তার করলেও অনেক ক্ষেত্রে তারা আইনের ফাঁক দিয়ে বের হয়ে আবার অপরাধে জড়াচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।
বুলবুল হত্যার বিচার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের দায়িত্বশীল বুলবুল হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। বিচার না হওয়া পর্যন্ত রাজপথের আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথাও জানান তিনি।
এ সময় জ্বালানি তেল ও গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির বিষয়েও বক্তব্য দেন পীর সাহেব চরমোনাই। এর ফলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় যে চাপ তৈরি হচ্ছে, তা বিবেচনায় নিয়ে সরকারকে জনবান্ধব সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান। তিনি বলেন, শহীদ বুলবুলের রক্ত বৃথা যেতে দেওয়া হবে না। হত্যাকারীদের বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, সরকার যদি হত্যাকারীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে কালক্ষেপণ করে, তাহলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে। একই সঙ্গে সারাদেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়ভার নেওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি। সংবিধান ও আইন যথাযথভাবে প্রয়োগের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন গাজী আতাউর রহমান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মুহাম্মদ নেছার উদ্দিন।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সভাপতি মাওলানা মুহাম্মদ দ্বীন ইসলাম।

আপনার মতামত লিখুন