সুন্দরবন রক্ষায় রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নেয়ার দাবি নিয়ে নির্ভীকের ঐতিহাসিক পদযাত্রার ১৩ বছর পূর্তি। সে সময় নির্ভীকের প্রধান সমন্বয়ক এটিএম কামাল এর নেতৃত্বে ২০১৩ সালের ৮ অক্টোবর নারায়ণগঞ্জ থেকে শুরু হওয়া নির্ভীকের পদযাত্রাটি ৬ দিনে ২২৫ কিলোটিমার পথ হাটার পর রামপাল পৌছেছিল।
সুন্দরবন বাঁচাও-বাংলাদেশ বাঁচাও ‘‘রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র সুন্দরবন থেকে নিরাপদ দুরত্বে সরিয়ে নাও” এই স্লোগানে পদযাত্রায় এটিএম কামাল সহ অংশগ্রহন করেছিলেন আর ৩জন পদযাত্রী। পদযাত্রায় অংশগ্রহনকারী অন্যান্য পদযাত্রীরা হলেন, বিল্লাল হোসেন, ডাঃ মঞ্জুরুল আলম মুসা, ফজলুল হক।
ঐতিহাসিক পদযাত্রাটি ২০১৩ সালের ৮ অক্টোবর মঙ্গলবার সকাল ১০টায় নারায়ণগঞ্জ চাষাড়া শহীদ মিনার থেকে শুরু হয়েছিল। ১৩ অক্টোবর রবিবার সকাল ৯টায় রামপাল ফয়লাহাট এলাকায় সমাবেশের মাধ্যমে এই কর্মসূচি শেষ হয়েছিল। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেছিলেন সুন্দরবন রক্ষা জাতীয় কমিটির খুলনা বিভাগীয় সমন্বয়কারী ও রামপাল কৃষিজমি রক্ষা কমিটির সভাপতি সুশান্ত কুমার দাস।
সমাবেশে সুশান্ত কুমার দাস বলেছিল, নির্ভীকের পদযাত্রীদের স্যালুট জানাই। এটাই হলো প্রতিবাদ। বাংলাদেশের ইতিহাসে একটা নজির স্থাপন করেছে নির্ভীক এর পদযাত্রীরা, যা ইতিহাসের পাতায় স্বর্নাক্ষরে লেখা থাকবে। পরে সেখানে এটিএম কামাল সহ ৩জনকে সংবর্ধনা দেয়া হয়।
এছাড়াও সে সময় নারায়ণগঞ্জ থেকে যাওয়ার পথে বিভিন্ন স্থানে সর্বস্তরের মানুষ নির্ভীকের পদযাত্রাটিকে অভ্যর্থনা জানিয়েছিল। শ্রীনগর, মাওয়া, ফরিদপুর ভাঙ্গা বিশ্বরোড, গোপালগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে প্রচারপত্র বিলি, সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা, সমাবেশ করে ৬দিন হাটার পর রামপাল ফয়লাহাট এলাকায় সমাবেশের মাধ্যমে এই ঐতিহাসিক পদযাত্রাটি শেষ হয়েছিল।
উল্লেখ্য, টিপাইমুখ বাধ নির্মান বাতিলের প্রতিবাদেও রাজধানী ঢাকা থেকে পায়ে হেঁটে সিলেটের জকিগঞ্জ গিয়েছিলেন এটিএম কামাল। ২০০৯ সালের ১৭ জুলাই ১১ দিনে তিনি সিলেটে পৌছান।

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬
সুন্দরবন রক্ষায় রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নেয়ার দাবি নিয়ে নির্ভীকের ঐতিহাসিক পদযাত্রার ১৩ বছর পূর্তি। সে সময় নির্ভীকের প্রধান সমন্বয়ক এটিএম কামাল এর নেতৃত্বে ২০১৩ সালের ৮ অক্টোবর নারায়ণগঞ্জ থেকে শুরু হওয়া নির্ভীকের পদযাত্রাটি ৬ দিনে ২২৫ কিলোটিমার পথ হাটার পর রামপাল পৌছেছিল।
সুন্দরবন বাঁচাও-বাংলাদেশ বাঁচাও ‘‘রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র সুন্দরবন থেকে নিরাপদ দুরত্বে সরিয়ে নাও” এই স্লোগানে পদযাত্রায় এটিএম কামাল সহ অংশগ্রহন করেছিলেন আর ৩জন পদযাত্রী। পদযাত্রায় অংশগ্রহনকারী অন্যান্য পদযাত্রীরা হলেন, বিল্লাল হোসেন, ডাঃ মঞ্জুরুল আলম মুসা, ফজলুল হক।
ঐতিহাসিক পদযাত্রাটি ২০১৩ সালের ৮ অক্টোবর মঙ্গলবার সকাল ১০টায় নারায়ণগঞ্জ চাষাড়া শহীদ মিনার থেকে শুরু হয়েছিল। ১৩ অক্টোবর রবিবার সকাল ৯টায় রামপাল ফয়লাহাট এলাকায় সমাবেশের মাধ্যমে এই কর্মসূচি শেষ হয়েছিল। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেছিলেন সুন্দরবন রক্ষা জাতীয় কমিটির খুলনা বিভাগীয় সমন্বয়কারী ও রামপাল কৃষিজমি রক্ষা কমিটির সভাপতি সুশান্ত কুমার দাস।
সমাবেশে সুশান্ত কুমার দাস বলেছিল, নির্ভীকের পদযাত্রীদের স্যালুট জানাই। এটাই হলো প্রতিবাদ। বাংলাদেশের ইতিহাসে একটা নজির স্থাপন করেছে নির্ভীক এর পদযাত্রীরা, যা ইতিহাসের পাতায় স্বর্নাক্ষরে লেখা থাকবে। পরে সেখানে এটিএম কামাল সহ ৩জনকে সংবর্ধনা দেয়া হয়।
এছাড়াও সে সময় নারায়ণগঞ্জ থেকে যাওয়ার পথে বিভিন্ন স্থানে সর্বস্তরের মানুষ নির্ভীকের পদযাত্রাটিকে অভ্যর্থনা জানিয়েছিল। শ্রীনগর, মাওয়া, ফরিদপুর ভাঙ্গা বিশ্বরোড, গোপালগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে প্রচারপত্র বিলি, সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা, সমাবেশ করে ৬দিন হাটার পর রামপাল ফয়লাহাট এলাকায় সমাবেশের মাধ্যমে এই ঐতিহাসিক পদযাত্রাটি শেষ হয়েছিল।
উল্লেখ্য, টিপাইমুখ বাধ নির্মান বাতিলের প্রতিবাদেও রাজধানী ঢাকা থেকে পায়ে হেঁটে সিলেটের জকিগঞ্জ গিয়েছিলেন এটিএম কামাল। ২০০৯ সালের ১৭ জুলাই ১১ দিনে তিনি সিলেটে পৌছান।

আপনার মতামত লিখুন