বি পি নিউজ ২৪

সোনারগাঁয়ে যুবদল নেতা জহির রহমানকে কুপিয়ে হত্যা


প্রকাশ : ২২ অক্টোবর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

সোনারগাঁয়ে যুবদল নেতা জহির রহমানকে কুপিয়ে হত্যা

সোনারগাঁয়ে যুবদল নেতা নিহত, রাজনৈতিক বিরোধের অভিযোগ স্বজনের

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে যুবদল নেতা ফকির জহির রহমান হত্যার ঘটনায় এখনো স্পষ্ট হয়নি কারা জড়িত কিংবা কী কারণে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। বুধবার (২১ অক্টোবর) রাতে চর কিশোরগঞ্জ এলাকায় হামলার শিকার হওয়ার পর মুন্সিগঞ্জের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

৪০ বছর বয়সী জহির রহমান আড়াইহাজার উপজেলার কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের আব্দুর রহমানের ছেলে। তিনি ওই ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি এবং উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্বে ছিলেন। সোনারগাঁয়ের চর কিশোরগঞ্জ এলাকায় তাঁর একটি ফার্মেসি ছিল।

সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল বারিকের ভাষ্য অনুযায়ী, বুধবার রাত ১০টার দিকে ফার্মেসি বন্ধ করে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন জহির। পথে দুর্বৃত্তরা তাঁকে ধারালো চাপাতি দিয়ে আঘাত করে সড়কে ফেলে রেখে যায়। পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে মুন্সিগঞ্জ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

নির্বাচনী বিরোধের কথা বলছেন স্বজন

জহির রহমানের ভাগিনা ইসমাইল হোসেনের দাবি, কালাপাহাড়িয়া এলাকার এক রাজনৈতিক নেতার সঙ্গে তাঁর মামার বিরোধ চলছিল। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হিসেবে জহিরের নাম আলোচনায় থাকায় তাঁকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তবে স্বজনের এই অভিযোগের সত্যতা এখনো নিশ্চিত হয়নি। হত্যাকাণ্ডের পেছনে রাজনৈতিক বিরোধ ছিল কি না, তা-ও স্পষ্ট নয়।

ওসি আব্দুল বারিক জানান, ঘটনার কারণ অনুসন্ধান এবং জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশ তদন্ত করছে। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোনো অভিযোগ জমা পড়েনি।

আপনার মতামত লিখুন

বি পি নিউজ ২৪

বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬


সোনারগাঁয়ে যুবদল নেতা জহির রহমানকে কুপিয়ে হত্যা

প্রকাশের তারিখ : ২২ অক্টোবর ২০২৬

featured Image


সোনারগাঁয়ে যুবদল নেতা নিহত, রাজনৈতিক বিরোধের অভিযোগ স্বজনের

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে যুবদল নেতা ফকির জহির রহমান হত্যার ঘটনায় এখনো স্পষ্ট হয়নি কারা জড়িত কিংবা কী কারণে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। বুধবার (২১ অক্টোবর) রাতে চর কিশোরগঞ্জ এলাকায় হামলার শিকার হওয়ার পর মুন্সিগঞ্জের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

৪০ বছর বয়সী জহির রহমান আড়াইহাজার উপজেলার কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের আব্দুর রহমানের ছেলে। তিনি ওই ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি এবং উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্বে ছিলেন। সোনারগাঁয়ের চর কিশোরগঞ্জ এলাকায় তাঁর একটি ফার্মেসি ছিল।

সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল বারিকের ভাষ্য অনুযায়ী, বুধবার রাত ১০টার দিকে ফার্মেসি বন্ধ করে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন জহির। পথে দুর্বৃত্তরা তাঁকে ধারালো চাপাতি দিয়ে আঘাত করে সড়কে ফেলে রেখে যায়। পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে মুন্সিগঞ্জ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

নির্বাচনী বিরোধের কথা বলছেন স্বজন

জহির রহমানের ভাগিনা ইসমাইল হোসেনের দাবি, কালাপাহাড়িয়া এলাকার এক রাজনৈতিক নেতার সঙ্গে তাঁর মামার বিরোধ চলছিল। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হিসেবে জহিরের নাম আলোচনায় থাকায় তাঁকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তবে স্বজনের এই অভিযোগের সত্যতা এখনো নিশ্চিত হয়নি। হত্যাকাণ্ডের পেছনে রাজনৈতিক বিরোধ ছিল কি না, তা-ও স্পষ্ট নয়।

ওসি আব্দুল বারিক জানান, ঘটনার কারণ অনুসন্ধান এবং জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশ তদন্ত করছে। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোনো অভিযোগ জমা পড়েনি।


বি পি নিউজ ২৪

সম্পাদক ও প্রকাশক: আরিফুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বি পি নিউজ