গাবতলী থেকে নারায়ণগঞ্জ মেট্রোরেল নির্মাণে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন চাইল সরকার
রাজধানী ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের মধ্যে গণপরিবহন যোগাযোগ আরও সহজ করতে প্রস্তাবিত মেট্রোরেল লাইন-২ নির্মাণে অর্থায়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। প্রায় ৩০ দশমিক ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এ প্রকল্প বাস্তবায়নে সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৬০ হাজার ৮৩৭ কোটি টাকা। প্রকল্পের অর্থায়ন ও কারিগরি সহযোগিতা চেয়ে বিশ্বব্যাংকের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
দ্য ডেইলি স্টারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি অক্টোবরের শুরুতে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) বিশ্বব্যাংকের কাছে এ চিঠি পাঠায়। এতে প্রকল্পের জন্য অর্থায়নের পাশাপাশি মেট্রোরেল পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনায় কারিগরি সহায়তাও চাওয়া হয়েছে।
প্রস্তাবিত রুটটি রাজধানীর গাবতলী থেকে শুরু হয়ে ঢাকা উদ্যান, বসিলা, মোহাম্মদপুর, ধানমন্ডি, সায়েন্সল্যাব, নিউমার্কেট, আজিমপুর, লালবাগ, চকবাজার, মিটফোর্ড, নয়াবাজার, ধোলাইখাল, দয়াগঞ্জ, যাত্রাবাড়ী ও ডেমরা অতিক্রম করবে। এরপর সাইনবোর্ড, ভুইগড়, চাষাঢ়া ও শিবু মার্কেট হয়ে নারায়ণগঞ্জে পৌঁছানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রকল্পের নকশা অনুযায়ী, মোট রুটের প্রায় সাড়ে ৭ কিলোমিটার থাকবে মাটির নিচে। অবশিষ্ট অংশ নির্মাণ করা হবে উড়ালপথে। এই রেলপথ চালু হলে ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোর পাশাপাশি নারায়ণগঞ্জের যাত্রীদের যাতায়াতেও নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে।
প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বরাতে বলা হয়েছে, গত ২০ সেপ্টেম্বর প্রকল্প প্রস্তাবটি অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রীর অনুমোদন পায়। এরপর বিদেশি অর্থায়নের জন্য বিশ্বব্যাংকের কাছে আবেদন পাঠানো হয়।
তবে প্রকল্পটির অর্থায়ন এখনো নিশ্চিত হয়নি। বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের জন্য নতুন কান্ট্রি প্রোগ্রাম প্রণয়ন করছে। এ বিষয়ে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা নভেম্বরে শেষ হওয়ার পর মেট্রোরেল লাইন-২-এর অর্থায়ন নিয়ে আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে।
পরিকল্পনায় অন্যান্য মেট্রোরেল রুটের সঙ্গে সংযোগের বিষয়টিও রাখা হয়েছে। গাবতলীতে এমআরটি লাইন-৫-এর দুই রুটের সঙ্গে সংযোগের পরিকল্পনা রয়েছে। অন্যদিকে, কমলাপুরে এমআরটি লাইন-৬, লাইন-১ ও লাইন-৪-এর সঙ্গে এবং সাইনবোর্ডে এমআরটি লাইন-৪-এর সংযোগ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।
বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে আলোচনা, অর্থায়নের সিদ্ধান্ত এবং পরবর্তী আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার ওপরই প্রকল্পটির বাস্তবায়ন এগিয়ে যাওয়ার বিষয়টি নির্ভর করছে।
সূত্র: দ্য ডেইলি স্টার

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ অক্টোবর ২০২৬
গাবতলী থেকে নারায়ণগঞ্জ মেট্রোরেল নির্মাণে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন চাইল সরকার
রাজধানী ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের মধ্যে গণপরিবহন যোগাযোগ আরও সহজ করতে প্রস্তাবিত মেট্রোরেল লাইন-২ নির্মাণে অর্থায়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। প্রায় ৩০ দশমিক ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এ প্রকল্প বাস্তবায়নে সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৬০ হাজার ৮৩৭ কোটি টাকা। প্রকল্পের অর্থায়ন ও কারিগরি সহযোগিতা চেয়ে বিশ্বব্যাংকের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
দ্য ডেইলি স্টারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি অক্টোবরের শুরুতে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) বিশ্বব্যাংকের কাছে এ চিঠি পাঠায়। এতে প্রকল্পের জন্য অর্থায়নের পাশাপাশি মেট্রোরেল পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনায় কারিগরি সহায়তাও চাওয়া হয়েছে।
প্রস্তাবিত রুটটি রাজধানীর গাবতলী থেকে শুরু হয়ে ঢাকা উদ্যান, বসিলা, মোহাম্মদপুর, ধানমন্ডি, সায়েন্সল্যাব, নিউমার্কেট, আজিমপুর, লালবাগ, চকবাজার, মিটফোর্ড, নয়াবাজার, ধোলাইখাল, দয়াগঞ্জ, যাত্রাবাড়ী ও ডেমরা অতিক্রম করবে। এরপর সাইনবোর্ড, ভুইগড়, চাষাঢ়া ও শিবু মার্কেট হয়ে নারায়ণগঞ্জে পৌঁছানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রকল্পের নকশা অনুযায়ী, মোট রুটের প্রায় সাড়ে ৭ কিলোমিটার থাকবে মাটির নিচে। অবশিষ্ট অংশ নির্মাণ করা হবে উড়ালপথে। এই রেলপথ চালু হলে ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোর পাশাপাশি নারায়ণগঞ্জের যাত্রীদের যাতায়াতেও নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে।
প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বরাতে বলা হয়েছে, গত ২০ সেপ্টেম্বর প্রকল্প প্রস্তাবটি অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রীর অনুমোদন পায়। এরপর বিদেশি অর্থায়নের জন্য বিশ্বব্যাংকের কাছে আবেদন পাঠানো হয়।
তবে প্রকল্পটির অর্থায়ন এখনো নিশ্চিত হয়নি। বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের জন্য নতুন কান্ট্রি প্রোগ্রাম প্রণয়ন করছে। এ বিষয়ে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা নভেম্বরে শেষ হওয়ার পর মেট্রোরেল লাইন-২-এর অর্থায়ন নিয়ে আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে।
পরিকল্পনায় অন্যান্য মেট্রোরেল রুটের সঙ্গে সংযোগের বিষয়টিও রাখা হয়েছে। গাবতলীতে এমআরটি লাইন-৫-এর দুই রুটের সঙ্গে সংযোগের পরিকল্পনা রয়েছে। অন্যদিকে, কমলাপুরে এমআরটি লাইন-৬, লাইন-১ ও লাইন-৪-এর সঙ্গে এবং সাইনবোর্ডে এমআরটি লাইন-৪-এর সংযোগ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।
বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে আলোচনা, অর্থায়নের সিদ্ধান্ত এবং পরবর্তী আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার ওপরই প্রকল্পটির বাস্তবায়ন এগিয়ে যাওয়ার বিষয়টি নির্ভর করছে।
সূত্র: দ্য ডেইলি স্টার

আপনার মতামত লিখুন