ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে সম্প্রতি বাড়ানো বাসভাড়াকে অযৌক্তিক দাবি করে তা দ্রুত প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখা।
সোমবার (৪ মে) রাতে এক বিবৃতিতে জেলা আহ্বায়ক নিখিল দাস ও সদস্যসচিব আবু নাঈম খান বিপ্লব বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে গত ২৩ এপ্রিল সরকার গণপরিবহনের ভাড়া পুনর্নির্ধারণ করে, যেখানে প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া ১১ পয়সা বাড়ানো হয়—যা মোট ভাড়ার ৫.১৯ শতাংশ। তবে এই হিসাব অনুযায়ী ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে ভাড়া বৃদ্ধির পরিমাণ বর্তমানের তুলনায় অনেক কম হওয়ার কথা ছিল।
তাদের মতে, পরিবহন মালিকদের হিসাব অনুযায়ী এই রুটের দূরত্ব প্রায় ১৯.৫ কিলোমিটার। সে হিসেবে ভাড়া বাড়ার কথা ২ টাকা ১৮ পয়সা। কিন্তু বাস্তবে ভাড়া ৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫৫ টাকা করা হয়েছে, যা নির্ধারিত সীমার চেয়ে প্রায় ২ টাকা ৮২ পয়সা বেশি। আবার দূরত্ব ১৮ কিলোমিটার ধরলেও ভাড়া বাড়ার কথা ছিল মাত্র ১ টাকা ৯৮ পয়সা, অথচ যাত্রীদের কাছ থেকে প্রায় ৩ টাকা বেশি নেওয়া হচ্ছে।
নেতারা অভিযোগ করেন, গণপরিবহনের ভাড়া নির্ধারণে পরিবহন মালিকরা যাত্রী প্রতিনিধি বা সংশ্লিষ্ট পক্ষের সঙ্গে আলোচনা না করেই একতরফা সিদ্ধান্ত নেয়। অতীতেও এ ধরনের পরিস্থিতিতে আন্দোলনের মাধ্যমে ভাড়া কমাতে হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তারা।
বর্তমান পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে ভাড়া বাড়ানো হয়েছে উল্লেখ করে বাসদ নেতারা এটিকে জনগণের স্বার্থবিরোধী আখ্যা দেন এবং অবিলম্বে বাড়তি ভাড়া প্রত্যাহারের দাবি জানান।

মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে সম্প্রতি বাড়ানো বাসভাড়াকে অযৌক্তিক দাবি করে তা দ্রুত প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখা।
সোমবার (৪ মে) রাতে এক বিবৃতিতে জেলা আহ্বায়ক নিখিল দাস ও সদস্যসচিব আবু নাঈম খান বিপ্লব বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে গত ২৩ এপ্রিল সরকার গণপরিবহনের ভাড়া পুনর্নির্ধারণ করে, যেখানে প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া ১১ পয়সা বাড়ানো হয়—যা মোট ভাড়ার ৫.১৯ শতাংশ। তবে এই হিসাব অনুযায়ী ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে ভাড়া বৃদ্ধির পরিমাণ বর্তমানের তুলনায় অনেক কম হওয়ার কথা ছিল।
তাদের মতে, পরিবহন মালিকদের হিসাব অনুযায়ী এই রুটের দূরত্ব প্রায় ১৯.৫ কিলোমিটার। সে হিসেবে ভাড়া বাড়ার কথা ২ টাকা ১৮ পয়সা। কিন্তু বাস্তবে ভাড়া ৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫৫ টাকা করা হয়েছে, যা নির্ধারিত সীমার চেয়ে প্রায় ২ টাকা ৮২ পয়সা বেশি। আবার দূরত্ব ১৮ কিলোমিটার ধরলেও ভাড়া বাড়ার কথা ছিল মাত্র ১ টাকা ৯৮ পয়সা, অথচ যাত্রীদের কাছ থেকে প্রায় ৩ টাকা বেশি নেওয়া হচ্ছে।
নেতারা অভিযোগ করেন, গণপরিবহনের ভাড়া নির্ধারণে পরিবহন মালিকরা যাত্রী প্রতিনিধি বা সংশ্লিষ্ট পক্ষের সঙ্গে আলোচনা না করেই একতরফা সিদ্ধান্ত নেয়। অতীতেও এ ধরনের পরিস্থিতিতে আন্দোলনের মাধ্যমে ভাড়া কমাতে হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তারা।
বর্তমান পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে ভাড়া বাড়ানো হয়েছে উল্লেখ করে বাসদ নেতারা এটিকে জনগণের স্বার্থবিরোধী আখ্যা দেন এবং অবিলম্বে বাড়তি ভাড়া প্রত্যাহারের দাবি জানান।

আপনার মতামত লিখুন