নারায়ণগঞ্জের সরকারি তোলারাম কলেজের নবীনবরণ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে ছাত্রসংগঠনগুলোর মধ্যে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য ও অভিযোগে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ক্যাম্পাসের রাজনৈতিক পরিবেশ।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাতে তোলারাম কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মনির হোসেন জিয়া নিজের ফেসবুক পোস্টে নবীনবরণ অনুষ্ঠান নিয়ে বিরোধিতাকারীদের সমালোচনা করেন। পোস্টে তিনি লিখেন,
“সারাদিন নবীনবরণের বিরোধিতা করে রাতের আধারে নবীনবরণের শুভেচ্ছা ব্যানার লাগায়। সাধারণ শিক্ষার্থীদের নবীনবরণে আসতে না করা লোকগুলোর লজ্জা আছে কি না আল্লাহ ভালো জানে।”
প্রসঙ্গত, একই দিনে সরকারি তোলারাম কলেজে জাতীয় ছাত্রশক্তি, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-সংশ্লিষ্ট ছাত্র প্রতিনিধিরা যৌথ সংবাদ সম্মেলন করেন। তারা অভিযোগ করেন, পরদিন অনুষ্ঠিতব্য নবীনবরণ অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাদের বক্তব্য, দলীয় প্রভাব, অনুষ্ঠান পরিচালনা এবং কলেজ প্রশাসনের একপাক্ষিক সিদ্ধান্তের কারণে কলেজে সহাবস্থান ও নিরপেক্ষ পরিবেশ প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, একটি সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনুষ্ঠান হওয়া উচিত সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও সকল শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণমূলক। কিন্তু নবীনবরণকে ঘিরে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক বলয়ের প্রভাব দৃশ্যমান হওয়ায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের সরকারি তোলারাম কলেজের নবীনবরণ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে ছাত্রসংগঠনগুলোর মধ্যে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য ও অভিযোগে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ক্যাম্পাসের রাজনৈতিক পরিবেশ।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাতে তোলারাম কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মনির হোসেন জিয়া নিজের ফেসবুক পোস্টে নবীনবরণ অনুষ্ঠান নিয়ে বিরোধিতাকারীদের সমালোচনা করেন। পোস্টে তিনি লিখেন,
“সারাদিন নবীনবরণের বিরোধিতা করে রাতের আধারে নবীনবরণের শুভেচ্ছা ব্যানার লাগায়। সাধারণ শিক্ষার্থীদের নবীনবরণে আসতে না করা লোকগুলোর লজ্জা আছে কি না আল্লাহ ভালো জানে।”
প্রসঙ্গত, একই দিনে সরকারি তোলারাম কলেজে জাতীয় ছাত্রশক্তি, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-সংশ্লিষ্ট ছাত্র প্রতিনিধিরা যৌথ সংবাদ সম্মেলন করেন। তারা অভিযোগ করেন, পরদিন অনুষ্ঠিতব্য নবীনবরণ অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাদের বক্তব্য, দলীয় প্রভাব, অনুষ্ঠান পরিচালনা এবং কলেজ প্রশাসনের একপাক্ষিক সিদ্ধান্তের কারণে কলেজে সহাবস্থান ও নিরপেক্ষ পরিবেশ প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, একটি সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনুষ্ঠান হওয়া উচিত সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও সকল শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণমূলক। কিন্তু নবীনবরণকে ঘিরে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক বলয়ের প্রভাব দৃশ্যমান হওয়ায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন