নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার আলীরটেক ইউনিয়নকে মাদকমুক্ত করতে সোচ্চার হয়ে উঠেছে স্থানীয় জনসাধারণ। ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় মাদকসেবী ও মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা এবং সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে উঠেছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী সভা, বিক্ষোভ এবং সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় যেখানে মাদক বিক্রেতা বা মাদকসেবীদের পাওয়া যাচ্ছে, সেখানেই সাধারণ মানুষ তাদের প্রতিহত করার উদ্যোগ নিচ্ছেন।
প্রসঙ্গত, গত ৭ জুন পুরান গোগনগর এলাকায় মাদক সংশ্লিষ্ট অভিযোগে কয়েকজনকে আটক করে গণপিটুনি দেয় এলাকাবাসী। এর একদিন পর, ৮ জুন সোমবার সন্ধ্যায় আলীরটেক মাদ্রাসার পেছনেও মাদকসেবন ও মাদক ব্যবসার অভিযোগে কয়েকজনকে ধরে মারধর করা হয় বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে মাদকের কারণে যুব সমাজ ধ্বংসের পথে যাচ্ছে। চুরি, ছিনতাই, পারিবারিক কলহসহ বিভিন্ন সামাজিক অপরাধের পেছনে মাদক অন্যতম কারণ। তাই আলীরটেককে মাদকমুক্ত করতে তারা ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন।
স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকেও আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। তবে আইন নিজের হাতে তুলে না নিয়ে প্রশাসনের সহযোগিতায় মাদক নির্মূলে কাজ করার আহ্বানও জানিয়েছেন তারা।
ইউনিয়নজুড়ে মাদকবিরোধী এই অবস্থান সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। অনেকেই মনে করছেন, জনগণের সচেতনতা ও সামাজিক প্রতিরোধের ফলে আলীরটেকে মাদকের বিস্তার অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।ক্যাপশন:
আলীরটেকে মাদকের বিরুদ্ধে জনতার জাগরণ! যেখানে মিলছে মাদকসেবী ও কারবারি, সেখানেই প্রতিবাদে ফুঁসে উঠছে ইউনিয়নবাসী।

মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুন ২০২৬
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার আলীরটেক ইউনিয়নকে মাদকমুক্ত করতে সোচ্চার হয়ে উঠেছে স্থানীয় জনসাধারণ। ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় মাদকসেবী ও মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা এবং সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে উঠেছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী সভা, বিক্ষোভ এবং সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় যেখানে মাদক বিক্রেতা বা মাদকসেবীদের পাওয়া যাচ্ছে, সেখানেই সাধারণ মানুষ তাদের প্রতিহত করার উদ্যোগ নিচ্ছেন।
প্রসঙ্গত, গত ৭ জুন পুরান গোগনগর এলাকায় মাদক সংশ্লিষ্ট অভিযোগে কয়েকজনকে আটক করে গণপিটুনি দেয় এলাকাবাসী। এর একদিন পর, ৮ জুন সোমবার সন্ধ্যায় আলীরটেক মাদ্রাসার পেছনেও মাদকসেবন ও মাদক ব্যবসার অভিযোগে কয়েকজনকে ধরে মারধর করা হয় বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে মাদকের কারণে যুব সমাজ ধ্বংসের পথে যাচ্ছে। চুরি, ছিনতাই, পারিবারিক কলহসহ বিভিন্ন সামাজিক অপরাধের পেছনে মাদক অন্যতম কারণ। তাই আলীরটেককে মাদকমুক্ত করতে তারা ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন।
স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকেও আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। তবে আইন নিজের হাতে তুলে না নিয়ে প্রশাসনের সহযোগিতায় মাদক নির্মূলে কাজ করার আহ্বানও জানিয়েছেন তারা।
ইউনিয়নজুড়ে মাদকবিরোধী এই অবস্থান সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। অনেকেই মনে করছেন, জনগণের সচেতনতা ও সামাজিক প্রতিরোধের ফলে আলীরটেকে মাদকের বিস্তার অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।ক্যাপশন:
আলীরটেকে মাদকের বিরুদ্ধে জনতার জাগরণ! যেখানে মিলছে মাদকসেবী ও কারবারি, সেখানেই প্রতিবাদে ফুঁসে উঠছে ইউনিয়নবাসী।

আপনার মতামত লিখুন