নারায়ণগঞ্জে গ্যাস সংকট, সমাধানের দাবিতে তিতাসের দ্বারস্থ নাগরিক কমিটি
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি
দীর্ঘদিন ধরে চলা গ্যাস সংকটের অবসান এবং নারায়ণগঞ্জে নিয়মিত ও পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে নারায়ণগঞ্জ নাগরিক কমিটি। এ বিষয়ে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসির উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) ইঞ্জিনিয়ার রাজিব কুমার সাহার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন সংগঠনটির নেতারা।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকাল ১১টায় তিতাস গ্যাসের কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে যে গ্যাস সংকটের কারণে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন, তা তুলে ধরেন নাগরিক কমিটির নেতারা।
তাদের ভাষ্য, জেলার অধিকাংশ এলাকায় প্রয়োজন অনুযায়ী গ্যাস মিলছে না। দিনের কোনো কোনো সময়ে অল্প সময়ের জন্য সরবরাহ থাকলেও তা দিয়ে স্বাভাবিকভাবে রান্নাবান্না করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে বাসাবাড়ির দৈনন্দিন কার্যক্রম থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
গ্যাস না থাকায় অনেক পরিবারকে বাইরে থেকে রান্না করা খাবার কিনে খেতে হচ্ছে বলেও জানান তারা। এতে একদিকে যেমন পরিবারের ব্যয় বাড়ছে, অন্যদিকে খাবারের মান ও স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হচ্ছে। শিশু, শিক্ষার্থী, শ্রমজীবী ও কর্মজীবী মানুষের ভোগান্তি তুলনামূলক বেশি বলেও উল্লেখ করেন নাগরিক কমিটির নেতারা।
দীর্ঘদিন ধরে সমস্যার সমাধান না হওয়ায় নগরবাসীর মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে বলেও তিতাস কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন তারা।
নাগরিক কমিটির অভিযোগের জবাবে তিতাস গ্যাসের ডিএমডি ইঞ্জিনিয়ার রাজিব কুমার সাহা জানান, নারায়ণগঞ্জ অঞ্চলে ৮২ হাজারের কিছু বেশি বৈধ গ্যাস সংযোগ রয়েছে। এই সংখ্যার তুলনায় এতটা তীব্র সংকট থাকার কথা নয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।
গ্যাস সরবরাহে বিঘ্নের পেছনে কয়েকটি কারণ রয়েছে বলে জানান তিনি। এর মধ্যে বিভিন্ন স্থানে পাইপলাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গ্যাস লিক হওয়া, লাইনে ব্লকেজ তৈরি হওয়া এবং পাইপলাইন সংস্কারের মতো কারিগরি কাজ উল্লেখ করেন তিনি। পাশাপাশি কিছু এলাকায় অবৈধ গ্যাস সংযোগ থাকার অভিযোগও রয়েছে বলে জানান তিতাসের এই কর্মকর্তা।
তিনি আরও বলেন, পাইপলাইনে মেরামত বা কারিগরি কাজ চলার সময়ও সাময়িকভাবে গ্যাসের চাপ ও সরবরাহ কমে যেতে পারে।
নারায়ণগঞ্জে গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তিতাস কর্তৃপক্ষ কাজ করছে জানিয়ে ইঞ্জিনিয়ার রাজিব কুমার সাহা বলেন, সংকট নিরসনে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।
সাক্ষাতে নারায়ণগঞ্জ নাগরিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল হক দিপু ছাড়াও হাফিজুল হক, আব্দুল হাই ভূঁইয়া, মুজিবুর রহমান আকন্দ, পপি রানী সরকার, উম্মে লায়লা, আনোয়ার ভূঁইয়া ও জুলহাস সরকার উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬
নারায়ণগঞ্জে গ্যাস সংকট, সমাধানের দাবিতে তিতাসের দ্বারস্থ নাগরিক কমিটি
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি
দীর্ঘদিন ধরে চলা গ্যাস সংকটের অবসান এবং নারায়ণগঞ্জে নিয়মিত ও পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে নারায়ণগঞ্জ নাগরিক কমিটি। এ বিষয়ে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসির উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) ইঞ্জিনিয়ার রাজিব কুমার সাহার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন সংগঠনটির নেতারা।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকাল ১১টায় তিতাস গ্যাসের কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে যে গ্যাস সংকটের কারণে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন, তা তুলে ধরেন নাগরিক কমিটির নেতারা।
তাদের ভাষ্য, জেলার অধিকাংশ এলাকায় প্রয়োজন অনুযায়ী গ্যাস মিলছে না। দিনের কোনো কোনো সময়ে অল্প সময়ের জন্য সরবরাহ থাকলেও তা দিয়ে স্বাভাবিকভাবে রান্নাবান্না করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে বাসাবাড়ির দৈনন্দিন কার্যক্রম থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
গ্যাস না থাকায় অনেক পরিবারকে বাইরে থেকে রান্না করা খাবার কিনে খেতে হচ্ছে বলেও জানান তারা। এতে একদিকে যেমন পরিবারের ব্যয় বাড়ছে, অন্যদিকে খাবারের মান ও স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হচ্ছে। শিশু, শিক্ষার্থী, শ্রমজীবী ও কর্মজীবী মানুষের ভোগান্তি তুলনামূলক বেশি বলেও উল্লেখ করেন নাগরিক কমিটির নেতারা।
দীর্ঘদিন ধরে সমস্যার সমাধান না হওয়ায় নগরবাসীর মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে বলেও তিতাস কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন তারা।
নাগরিক কমিটির অভিযোগের জবাবে তিতাস গ্যাসের ডিএমডি ইঞ্জিনিয়ার রাজিব কুমার সাহা জানান, নারায়ণগঞ্জ অঞ্চলে ৮২ হাজারের কিছু বেশি বৈধ গ্যাস সংযোগ রয়েছে। এই সংখ্যার তুলনায় এতটা তীব্র সংকট থাকার কথা নয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।
গ্যাস সরবরাহে বিঘ্নের পেছনে কয়েকটি কারণ রয়েছে বলে জানান তিনি। এর মধ্যে বিভিন্ন স্থানে পাইপলাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গ্যাস লিক হওয়া, লাইনে ব্লকেজ তৈরি হওয়া এবং পাইপলাইন সংস্কারের মতো কারিগরি কাজ উল্লেখ করেন তিনি। পাশাপাশি কিছু এলাকায় অবৈধ গ্যাস সংযোগ থাকার অভিযোগও রয়েছে বলে জানান তিতাসের এই কর্মকর্তা।
তিনি আরও বলেন, পাইপলাইনে মেরামত বা কারিগরি কাজ চলার সময়ও সাময়িকভাবে গ্যাসের চাপ ও সরবরাহ কমে যেতে পারে।
নারায়ণগঞ্জে গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তিতাস কর্তৃপক্ষ কাজ করছে জানিয়ে ইঞ্জিনিয়ার রাজিব কুমার সাহা বলেন, সংকট নিরসনে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।
সাক্ষাতে নারায়ণগঞ্জ নাগরিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল হক দিপু ছাড়াও হাফিজুল হক, আব্দুল হাই ভূঁইয়া, মুজিবুর রহমান আকন্দ, পপি রানী সরকার, উম্মে লায়লা, আনোয়ার ভূঁইয়া ও জুলহাস সরকার উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন