বি পি নিউজ ২৪

ডিক্রিরচরে স্থায়ী সেতুর দাবিতে আশার আলো, ফেরিঘাট পরিদর্শনে সেতু মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি দল


প্রকাশ : ১৫ আগস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

ডিক্রিরচরে স্থায়ী সেতুর দাবিতে আশার আলো, ফেরিঘাট পরিদর্শনে সেতু মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি দল

আলীরটেক ও বক্তাবলী ইউনিয়নের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ডিক্রিরচর ফেরিঘাট এলাকায় একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণ। দীর্ঘদিনের এই দাবির বাস্তবতা ও প্রয়োজনীয়তা সরেজমিনে দেখতে আজ ডিক্রিরচর ও বক্তাবলী ফেরিঘাট এলাকা পরিদর্শন করেছেন সেতু মন্ত্রণালয়ের একটি প্রতিনিধি দল।

পরিদর্শনকালে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা এলাকার দীর্ঘদিনের যোগাযোগ সংকট, ফেরিনির্ভর যাতায়াতের কারণে সৃষ্ট জনদুর্ভোগ এবং স্থানীয় মানুষের প্রত্যাশার বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করেন। সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা ও এর প্রয়োজনীয়তা নিয়েও স্থানীয়দের সঙ্গে আলোচনা করেন তারা।

সেতু মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি দলের এই পরিদর্শনের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর আলীরটেক ও বক্তাবলী ইউনিয়নের স্থানীয়দের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। তাদের প্রত্যাশা, এবার দীর্ঘদিনের যৌক্তিক দাবিটি বাস্তবায়নের দিকে এগোবে এবং স্থায়ী সেতু নির্মাণের মাধ্যমে এ অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে।

পরিদর্শনের সময় জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, আলীরটেক ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব জাকির হোসেন, স্থানীয় নেতৃবৃন্দসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। তারা প্রতিনিধি দলের কাছে আলীরটেক ইউনিয়নের ডিক্রিরচর দিয়ে একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব তুলে ধরেন।

স্থানীয়রা জানান, ডিক্রিরচর ফেরিঘাট দিয়ে স্থায়ী সেতু নির্মাণ হলে শুধু যাতায়াত ব্যবস্থার উন্নয়নই হবে না, বরং এ অঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা ও দৈনন্দিন যোগাযোগেও ব্যাপক গতি আসবে। বিশেষ করে প্রতিদিন ফেরি পারাপারের ওপর নির্ভরশীল সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি অনেকটাই কমে যাবে।

আলীরটেক ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব জাকির হোসেন বলেন, ‘ডিক্রিরচর ফেরিঘাট দিয়ে একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণ করা হলে হাজার হাজার সাধারণ মানুষের পাশাপাশি স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব হবে। এ সেতুটি এই অঞ্চলের মানুষের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।’

তিনি আরও বলেন, ডিক্রিরচর দিয়ে স্থায়ী সেতু নির্মাণের দাবি কোনো একটি এলাকার মানুষের একক দাবি নয়; এটি পুরো অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা। সেতুটি নির্মাণ করা হলে এলাকার মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হওয়ার পাশাপাশি যোগাযোগ ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আসবে। একই সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলবে।

স্থানীয় নেতৃবৃন্দও প্রতিনিধি দলের কাছে সেতুটির গুরুত্ব তুলে ধরে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান। তাদের মতে, ডিক্রিরচর এলাকায় স্থায়ী সেতু নির্মাণ হলে আলীরটেক ও বক্তাবলীসহ আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও সহজ ও নিরাপদ হবে।

সেতু মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সরেজমিনে পরিদর্শন এবং স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের দাবি শোনায় নতুন করে আশাবাদী হয়ে উঠেছেন ডিক্রিরচর ও বক্তাবলী এলাকার বাসিন্দারা। এখন দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের মাধ্যমে সেতু নির্মাণের উদ্যোগ বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে যাবে—এমন প্রত্যাশাই করছেন স্থানীয়রা।

আপনার মতামত লিখুন

বি পি নিউজ ২৪

শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬


ডিক্রিরচরে স্থায়ী সেতুর দাবিতে আশার আলো, ফেরিঘাট পরিদর্শনে সেতু মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি দল

প্রকাশের তারিখ : ১৫ আগস্ট ২০২৬

featured Image

আলীরটেক ও বক্তাবলী ইউনিয়নের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ডিক্রিরচর ফেরিঘাট এলাকায় একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণ। দীর্ঘদিনের এই দাবির বাস্তবতা ও প্রয়োজনীয়তা সরেজমিনে দেখতে আজ ডিক্রিরচর ও বক্তাবলী ফেরিঘাট এলাকা পরিদর্শন করেছেন সেতু মন্ত্রণালয়ের একটি প্রতিনিধি দল।

পরিদর্শনকালে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা এলাকার দীর্ঘদিনের যোগাযোগ সংকট, ফেরিনির্ভর যাতায়াতের কারণে সৃষ্ট জনদুর্ভোগ এবং স্থানীয় মানুষের প্রত্যাশার বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করেন। সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা ও এর প্রয়োজনীয়তা নিয়েও স্থানীয়দের সঙ্গে আলোচনা করেন তারা।

সেতু মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি দলের এই পরিদর্শনের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর আলীরটেক ও বক্তাবলী ইউনিয়নের স্থানীয়দের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। তাদের প্রত্যাশা, এবার দীর্ঘদিনের যৌক্তিক দাবিটি বাস্তবায়নের দিকে এগোবে এবং স্থায়ী সেতু নির্মাণের মাধ্যমে এ অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে।

পরিদর্শনের সময় জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, আলীরটেক ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব জাকির হোসেন, স্থানীয় নেতৃবৃন্দসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। তারা প্রতিনিধি দলের কাছে আলীরটেক ইউনিয়নের ডিক্রিরচর দিয়ে একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব তুলে ধরেন।

স্থানীয়রা জানান, ডিক্রিরচর ফেরিঘাট দিয়ে স্থায়ী সেতু নির্মাণ হলে শুধু যাতায়াত ব্যবস্থার উন্নয়নই হবে না, বরং এ অঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা ও দৈনন্দিন যোগাযোগেও ব্যাপক গতি আসবে। বিশেষ করে প্রতিদিন ফেরি পারাপারের ওপর নির্ভরশীল সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি অনেকটাই কমে যাবে।

আলীরটেক ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব জাকির হোসেন বলেন, ‘ডিক্রিরচর ফেরিঘাট দিয়ে একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণ করা হলে হাজার হাজার সাধারণ মানুষের পাশাপাশি স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব হবে। এ সেতুটি এই অঞ্চলের মানুষের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।’

তিনি আরও বলেন, ডিক্রিরচর দিয়ে স্থায়ী সেতু নির্মাণের দাবি কোনো একটি এলাকার মানুষের একক দাবি নয়; এটি পুরো অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা। সেতুটি নির্মাণ করা হলে এলাকার মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হওয়ার পাশাপাশি যোগাযোগ ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আসবে। একই সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলবে।

স্থানীয় নেতৃবৃন্দও প্রতিনিধি দলের কাছে সেতুটির গুরুত্ব তুলে ধরে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান। তাদের মতে, ডিক্রিরচর এলাকায় স্থায়ী সেতু নির্মাণ হলে আলীরটেক ও বক্তাবলীসহ আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও সহজ ও নিরাপদ হবে।

সেতু মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সরেজমিনে পরিদর্শন এবং স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের দাবি শোনায় নতুন করে আশাবাদী হয়ে উঠেছেন ডিক্রিরচর ও বক্তাবলী এলাকার বাসিন্দারা। এখন দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের মাধ্যমে সেতু নির্মাণের উদ্যোগ বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে যাবে—এমন প্রত্যাশাই করছেন স্থানীয়রা।


বি পি নিউজ ২৪

সম্পাদক ও প্রকাশক: আরিফুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বি পি নিউজ