নারায়ণগঞ্জ সরকারি তোলারাম কলেজের ছাত্রাবাসে হামলা, ভাঙচুর ও মালামাল নিয়ে যাওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের মধ্যে যে বিরোধ তৈরি হয়েছিল, তা আলোচনার মাধ্যমে মীমাংসা হয়েছে। বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের মধ্যস্থতায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে দাবি করা দুটি ল্যাপটপ ও তিনটি মোবাইল ফোনের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়ে বিএনপি নেতারা সম্মতি দিয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাতে নারায়ণগঞ্জ শহরের কালীরবাজার এলাকায় দুই সংগঠনের নেতাদের নিয়ে এ সমঝোতা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু, নারায়ণগঞ্জ মহানগর জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা আব্দুল জব্বার, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য মাওলানা মঈনুদ্দিন আহমাদসহ বিএনপি ও জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে সরকারি তোলারাম কলেজের ছাত্রাবাসে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ এবং সেখান থেকে শিক্ষার্থীদের মালামাল নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় মহানগর ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতারা জানান, ছাত্রাবাস থেকে তাদের নেতাকর্মীদের দুটি ল্যাপটপ ও তিনটি মোবাইল ফোন নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
পরে বিষয়টি নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়। সংশ্লিষ্টদের সূত্রে জানা গেছে, ছাত্রশিবিরের দাবি করা দুটি ল্যাপটপ ও তিনটি মোবাইল ফোনের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়ে বিএনপি নেতারা সম্মতি জানান।
আলোচনা শেষে নারায়ণগঞ্জ মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজীজুল ইসলাম রাজীব এবং মহানগর ছাত্রশিবিরের সভাপতি অমিত পরস্পরকে কোলাকুলি করেন। এ সময় দুই পক্ষের নেতারা বিরোধের অবসান ও বিষয়টির মীমাংসার কথা জানান।
এর আগে গত ৫ আগস্ট দুপুরে নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাড়া ও কলেজ রোড এলাকায় ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
ওই সংঘর্ষের পর সরকারি তোলারাম কলেজের ছাত্রাবাসে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ ওঠে কলেজ শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, শহরের ইসদাইর এলাকার শের-ই বাংলা ছাত্রাবাসে প্রবেশ করে কয়েকটি কক্ষে ভাঙচুর চালানো হয়।
শিক্ষার্থীদের দাবি, সংঘর্ষের পর সন্ধ্যার দিকে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ছাত্রাবাসে প্রবেশ করেন। সেখানে কয়েকটি কক্ষে ভাঙচুরের পাশাপাশি মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, ট্যাব, কম্পিউটারসহ বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে। একই সঙ্গে কয়েকজন শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগও করেন তারা।
তবে পরবর্তী সময়ে দুই পক্ষের নেতাদের নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়। সমঝোতা বৈঠকের মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের অবসান হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ আগস্ট ২০২৬
নারায়ণগঞ্জ সরকারি তোলারাম কলেজের ছাত্রাবাসে হামলা, ভাঙচুর ও মালামাল নিয়ে যাওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের মধ্যে যে বিরোধ তৈরি হয়েছিল, তা আলোচনার মাধ্যমে মীমাংসা হয়েছে। বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের মধ্যস্থতায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে দাবি করা দুটি ল্যাপটপ ও তিনটি মোবাইল ফোনের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়ে বিএনপি নেতারা সম্মতি দিয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাতে নারায়ণগঞ্জ শহরের কালীরবাজার এলাকায় দুই সংগঠনের নেতাদের নিয়ে এ সমঝোতা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু, নারায়ণগঞ্জ মহানগর জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা আব্দুল জব্বার, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য মাওলানা মঈনুদ্দিন আহমাদসহ বিএনপি ও জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে সরকারি তোলারাম কলেজের ছাত্রাবাসে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ এবং সেখান থেকে শিক্ষার্থীদের মালামাল নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় মহানগর ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতারা জানান, ছাত্রাবাস থেকে তাদের নেতাকর্মীদের দুটি ল্যাপটপ ও তিনটি মোবাইল ফোন নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
পরে বিষয়টি নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়। সংশ্লিষ্টদের সূত্রে জানা গেছে, ছাত্রশিবিরের দাবি করা দুটি ল্যাপটপ ও তিনটি মোবাইল ফোনের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়ে বিএনপি নেতারা সম্মতি জানান।
আলোচনা শেষে নারায়ণগঞ্জ মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজীজুল ইসলাম রাজীব এবং মহানগর ছাত্রশিবিরের সভাপতি অমিত পরস্পরকে কোলাকুলি করেন। এ সময় দুই পক্ষের নেতারা বিরোধের অবসান ও বিষয়টির মীমাংসার কথা জানান।
এর আগে গত ৫ আগস্ট দুপুরে নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাড়া ও কলেজ রোড এলাকায় ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
ওই সংঘর্ষের পর সরকারি তোলারাম কলেজের ছাত্রাবাসে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ ওঠে কলেজ শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, শহরের ইসদাইর এলাকার শের-ই বাংলা ছাত্রাবাসে প্রবেশ করে কয়েকটি কক্ষে ভাঙচুর চালানো হয়।
শিক্ষার্থীদের দাবি, সংঘর্ষের পর সন্ধ্যার দিকে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ছাত্রাবাসে প্রবেশ করেন। সেখানে কয়েকটি কক্ষে ভাঙচুরের পাশাপাশি মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, ট্যাব, কম্পিউটারসহ বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে। একই সঙ্গে কয়েকজন শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগও করেন তারা।
তবে পরবর্তী সময়ে দুই পক্ষের নেতাদের নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়। সমঝোতা বৈঠকের মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের অবসান হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন