নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযানে চার মাদক কারবারিসহ মোট সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পৃথক এসব অভিযানে তাদের কাছ থেকে ৮ বোতল ভারতীয় মদ, ৫০৮ পিস ইয়াবা ও ২৫০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার (২ মার্চ) রাত থেকে মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ভোর পর্যন্ত বন্দরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযানগুলো পরিচালনা করা হয়। পৃথক চারটি অভিযানে উদ্ধার হওয়া মাদকদ্রব্যের ঘটনায় বন্দর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে চারটি মামলা করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার চার মাদক কারবারি হলেন—চাঁদপুরের মতলব উত্তর থানার দক্ষিণ ইসলামাবাদ এলাকার দুলাল মজুমদারের ছেলে সবুজ মজুমদার (৩২), মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া থানার বালুয়াকান্দী এলাকার ওবায়দুল হক ভূঁইয়ার ছেলে কামরুল হাসান (৪৩), বন্দরের ২০ নম্বর ওয়ার্ডের মাহমুদনগর এলাকার শহিদ মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া আলী ইসলাম মিয়ার ছেলে রাজিব (৩৫) এবং একই এলাকার মৃত আব্দুল হামিদের ছেলে শিপন (৫৫)।
পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সোমবার রাতে মাহমুদনগর বেঁধেপট্টি ও মাহমুদনগর কবরস্থান রোডসহ কয়েকটি স্থানে অভিযান চালানো হয়। একই রাতে মদনপুর বাসস্ট্যান্ডের নিউ ভান্ডারী হোটেলের সামনেও মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে মঙ্গলবার ভোর ৪টার দিকে চাঁনপুর হাজী মিষ্টি ভবন নামের একটি দোকানের সামনে অভিযান চালিয়ে আরও একজনকে আটক করা হয়।
জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক খ-সার্কেল মো. এনামুল হক ও তার সঙ্গে থাকা সদস্যরা মদনপুর বাসস্ট্যান্ডের নিউ ভান্ডারী হোটেলের সামনে অভিযান চালান। সেখান থেকে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ কামরুল হাসানকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় বন্দর থানায় মাদক আইনে ৫(৩)২৬ নম্বর মামলা করা হয়েছে।
অন্যদিকে ধামগড় ফাঁড়ির উপপরিদর্শক মো. আবু ছাইমের নেতৃত্বে পুলিশ মঙ্গলবার ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চাঁনপুরের হাজী মিষ্টি ভবনের সামনে অভিযান চালায়। এ সময় ৮ বোতল ভারতীয় মদসহ সবুজ মজুমদারকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে ৬(৩)২৬ নম্বর মামলা করা হয়েছে।
পৃথক চারটি অভিযানে মাদক উদ্ধারের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে বন্দর থানায় মোট চারটি মামলা করা হয়েছে। মামলাগুলোর নম্বর ২(৩)২৬, ৩(৩)২৬, ৫(৩)২৬ ও ৬(৩)২৬।
এ ছাড়া বিভিন্ন মামলায় বন্দর থানা পুলিশ আরও তিনজনকে আটক করেছে। সব মিলিয়ে পৃথক অভিযানে গ্রেপ্তার সাতজনকে মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দুপুরে সংশ্লিষ্ট মামলায় আদালতে পাঠানো হয়েছে।
বন্দর থানা পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, মাদকদ্রব্যের বিস্তার রোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ আগস্ট ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযানে চার মাদক কারবারিসহ মোট সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পৃথক এসব অভিযানে তাদের কাছ থেকে ৮ বোতল ভারতীয় মদ, ৫০৮ পিস ইয়াবা ও ২৫০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার (২ মার্চ) রাত থেকে মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ভোর পর্যন্ত বন্দরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযানগুলো পরিচালনা করা হয়। পৃথক চারটি অভিযানে উদ্ধার হওয়া মাদকদ্রব্যের ঘটনায় বন্দর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে চারটি মামলা করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার চার মাদক কারবারি হলেন—চাঁদপুরের মতলব উত্তর থানার দক্ষিণ ইসলামাবাদ এলাকার দুলাল মজুমদারের ছেলে সবুজ মজুমদার (৩২), মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া থানার বালুয়াকান্দী এলাকার ওবায়দুল হক ভূঁইয়ার ছেলে কামরুল হাসান (৪৩), বন্দরের ২০ নম্বর ওয়ার্ডের মাহমুদনগর এলাকার শহিদ মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া আলী ইসলাম মিয়ার ছেলে রাজিব (৩৫) এবং একই এলাকার মৃত আব্দুল হামিদের ছেলে শিপন (৫৫)।
পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সোমবার রাতে মাহমুদনগর বেঁধেপট্টি ও মাহমুদনগর কবরস্থান রোডসহ কয়েকটি স্থানে অভিযান চালানো হয়। একই রাতে মদনপুর বাসস্ট্যান্ডের নিউ ভান্ডারী হোটেলের সামনেও মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে মঙ্গলবার ভোর ৪টার দিকে চাঁনপুর হাজী মিষ্টি ভবন নামের একটি দোকানের সামনে অভিযান চালিয়ে আরও একজনকে আটক করা হয়।
জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক খ-সার্কেল মো. এনামুল হক ও তার সঙ্গে থাকা সদস্যরা মদনপুর বাসস্ট্যান্ডের নিউ ভান্ডারী হোটেলের সামনে অভিযান চালান। সেখান থেকে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ কামরুল হাসানকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় বন্দর থানায় মাদক আইনে ৫(৩)২৬ নম্বর মামলা করা হয়েছে।
অন্যদিকে ধামগড় ফাঁড়ির উপপরিদর্শক মো. আবু ছাইমের নেতৃত্বে পুলিশ মঙ্গলবার ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চাঁনপুরের হাজী মিষ্টি ভবনের সামনে অভিযান চালায়। এ সময় ৮ বোতল ভারতীয় মদসহ সবুজ মজুমদারকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে ৬(৩)২৬ নম্বর মামলা করা হয়েছে।
পৃথক চারটি অভিযানে মাদক উদ্ধারের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে বন্দর থানায় মোট চারটি মামলা করা হয়েছে। মামলাগুলোর নম্বর ২(৩)২৬, ৩(৩)২৬, ৫(৩)২৬ ও ৬(৩)২৬।
এ ছাড়া বিভিন্ন মামলায় বন্দর থানা পুলিশ আরও তিনজনকে আটক করেছে। সব মিলিয়ে পৃথক অভিযানে গ্রেপ্তার সাতজনকে মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দুপুরে সংশ্লিষ্ট মামলায় আদালতে পাঠানো হয়েছে।
বন্দর থানা পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, মাদকদ্রব্যের বিস্তার রোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন