নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে প্রসূতির সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার করতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করানোর কারণে নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে পরিবার। একই সঙ্গে অভিযোগ করা হয়েছে, বিষয়টি নিয়ে যাতে তারা কোনো আইনগত পদক্ষেপ না নেয়, সেজন্য ভয়ভীতি দেখিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এক লাখ টাকায় ঘটনাটি মীমাংসা করেছে।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) আড়াইহাজার পৌরসভার দুপ্তারা চরপাড়া এলাকার আড়াইহাজার প্রবাসী কল্যাণ হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে। নিহত নবজাতকের মা তানিয়া এবং বাবা শফিক ওই এলাকার বাসিন্দা।
পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, সোমবার দিবাগত রাত ১টার দিকে প্রসবজনিত জটিলতা নিয়ে তানিয়াকে ওই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর দ্রুত সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের প্রয়োজনীয়তার কথা জানান। তবে অস্ত্রোপচার তাৎক্ষণিকভাবে না করে মঙ্গলবার সকাল প্রায় ১১টার দিকে সিজার করা হয়।
স্বজনদের অভিযোগ, অস্ত্রোপচারে দীর্ঘ বিলম্বের মধ্যে নবজাতকের শারীরিক অবস্থা গুরুতর হয়ে পড়ে। তানিয়ার স্বামী শফিক বলেন, রাতে সিজার করা সম্ভব নয়—এ কথা আগে জানানো হলে তারা অন্য হাসপাতালে চলে যেতেন। কিন্তু তাদের অন্যত্র নেওয়ার সুযোগও দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।
সিজারের পর নবজাতকের অবস্থার আরও অবনতি হলে চিকিৎসকরা শিশুটিকে দ্রুত অন্য হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন। পরে মাতুয়াইলের একটি হাসপাতালে নেওয়ার পথে নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে বলে পরিবারকে জানানো হয়।
ঘটনার পর হাসপাতালের বিরুদ্ধে অভিযোগ না করতে পরিবারকে ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগও করেছেন স্বজনরা। তাদের দাবি, পরবর্তীতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে এক লাখ টাকায় বিষয়টি মীমাংসা করা হয়।
চিকিৎসার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হিসেবে স্বজনরা বিলকিস আক্তার ওরফে কেয়া, অজ্ঞান করার দায়িত্বে থাকা মাজেদ এবং ওটি সিস্টার আরিফার নাম উল্লেখ করেছেন।
তবে পরিবারের এসব অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছেন আড়াইহাজার প্রবাসী কল্যাণ হাসপাতালের মালিক হযরত আলী। তাঁর দাবি, রোগীর স্বজনদের ভয় দেখানো কিংবা অর্থের বিনিময়ে ঘটনা মীমাংসার কোনো ঘটনা ঘটেনি। চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগও তিনি ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন।
এ বিষয়ে আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সবজেল হোসেন জানান, নবজাতকের মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে প্রসূতির সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার করতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করানোর কারণে নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে পরিবার। একই সঙ্গে অভিযোগ করা হয়েছে, বিষয়টি নিয়ে যাতে তারা কোনো আইনগত পদক্ষেপ না নেয়, সেজন্য ভয়ভীতি দেখিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এক লাখ টাকায় ঘটনাটি মীমাংসা করেছে।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) আড়াইহাজার পৌরসভার দুপ্তারা চরপাড়া এলাকার আড়াইহাজার প্রবাসী কল্যাণ হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে। নিহত নবজাতকের মা তানিয়া এবং বাবা শফিক ওই এলাকার বাসিন্দা।
পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, সোমবার দিবাগত রাত ১টার দিকে প্রসবজনিত জটিলতা নিয়ে তানিয়াকে ওই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর দ্রুত সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের প্রয়োজনীয়তার কথা জানান। তবে অস্ত্রোপচার তাৎক্ষণিকভাবে না করে মঙ্গলবার সকাল প্রায় ১১টার দিকে সিজার করা হয়।
স্বজনদের অভিযোগ, অস্ত্রোপচারে দীর্ঘ বিলম্বের মধ্যে নবজাতকের শারীরিক অবস্থা গুরুতর হয়ে পড়ে। তানিয়ার স্বামী শফিক বলেন, রাতে সিজার করা সম্ভব নয়—এ কথা আগে জানানো হলে তারা অন্য হাসপাতালে চলে যেতেন। কিন্তু তাদের অন্যত্র নেওয়ার সুযোগও দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।
সিজারের পর নবজাতকের অবস্থার আরও অবনতি হলে চিকিৎসকরা শিশুটিকে দ্রুত অন্য হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন। পরে মাতুয়াইলের একটি হাসপাতালে নেওয়ার পথে নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে বলে পরিবারকে জানানো হয়।
ঘটনার পর হাসপাতালের বিরুদ্ধে অভিযোগ না করতে পরিবারকে ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগও করেছেন স্বজনরা। তাদের দাবি, পরবর্তীতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে এক লাখ টাকায় বিষয়টি মীমাংসা করা হয়।
চিকিৎসার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হিসেবে স্বজনরা বিলকিস আক্তার ওরফে কেয়া, অজ্ঞান করার দায়িত্বে থাকা মাজেদ এবং ওটি সিস্টার আরিফার নাম উল্লেখ করেছেন।
তবে পরিবারের এসব অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছেন আড়াইহাজার প্রবাসী কল্যাণ হাসপাতালের মালিক হযরত আলী। তাঁর দাবি, রোগীর স্বজনদের ভয় দেখানো কিংবা অর্থের বিনিময়ে ঘটনা মীমাংসার কোনো ঘটনা ঘটেনি। চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগও তিনি ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন।
এ বিষয়ে আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সবজেল হোসেন জানান, নবজাতকের মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন