নারায়ণগঞ্জে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের জেলা শাখায় সাংগঠনিক অস্থিরতা ও অভ্যন্তরীণ কোন্দলের অভিযোগ তুলে যুগ্ম আহ্বায়কের পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন অ্যাডভোকেট সামছুন নূর বাঁধন। তিনি নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালামের মেয়ে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও মহাসচিব বরাবর লিখিত পদত্যাগপত্র জমা দেন বাঁধন।
পদত্যাগপত্রে বাঁধন জানান, ২০২৫ সালের ২৭ মার্চ কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষিত নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী ফোরামের কমিটিতে তাঁকে যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়। দায়িত্ব পাওয়ার পর তিন মাসের মধ্যেই সম্মেলন আয়োজনের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করে কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণের অনুরোধ করা হয়েছিল। তবে দীর্ঘ সময় পার হলেও সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি অভিযোগ করেন, এর মধ্যে ফোরামের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা এবং মহানগর বিএনপির দায়িত্বশীল পদে থাকা আইনজীবীদের একটি অংশ সংগঠনের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে উপদলীয় বিরোধে জড়িয়ে পড়েছেন। তাঁর দাবি, এ ধরনের পরিস্থিতির নেতিবাচক প্রভাব শুধু আইনজীবী ফোরামের ওপরই নয়, বিএনপির ভাবমূর্তির ওপরও পড়ছে।
পদত্যাগপত্রে বাঁধন আরও বলেন, নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির কর্মকর্তা এবং পাবলিক প্রসিকিউটরসহ (পিপি) বিভিন্ন দায়িত্বশীল ব্যক্তিকে বিভিন্নভাবে নাজেহাল ও অপদস্থ হওয়ার পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে। বিষয়টিকে তিনি দুঃখজনক বলে উল্লেখ করেন।
বাঁধনের ভাষ্য, সংগঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থেকেও বর্তমান পরিস্থিতিতে তিনি গঠনমূলকভাবে কোনো ভূমিকা রাখতে পারছেন না। বরং চলমান সাংগঠনিক অবস্থায় নিজেকে অসহায় মনে করছেন।
এ কারণে তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী ফোরামে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এবং সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
তবে আইনজীবী ফোরামের পদ ছাড়লেও বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন সামছুন নূর বাঁধন।
পদত্যাগপত্রে তিনি বলেন, “ফোরামের পদ থেকে পদত্যাগ করলেও আমি জন্মলগ্ন থেকে বিএনপি পরিবারের একজন সদস্য ছিলাম এবং আমৃত্যু তা-ই থাকব।”
তাঁর পদত্যাগের মধ্য দিয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী ফোরামের অভ্যন্তরীণ সাংগঠনিক পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬
নারায়ণগঞ্জে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের জেলা শাখায় সাংগঠনিক অস্থিরতা ও অভ্যন্তরীণ কোন্দলের অভিযোগ তুলে যুগ্ম আহ্বায়কের পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন অ্যাডভোকেট সামছুন নূর বাঁধন। তিনি নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালামের মেয়ে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও মহাসচিব বরাবর লিখিত পদত্যাগপত্র জমা দেন বাঁধন।
পদত্যাগপত্রে বাঁধন জানান, ২০২৫ সালের ২৭ মার্চ কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষিত নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী ফোরামের কমিটিতে তাঁকে যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়। দায়িত্ব পাওয়ার পর তিন মাসের মধ্যেই সম্মেলন আয়োজনের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করে কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণের অনুরোধ করা হয়েছিল। তবে দীর্ঘ সময় পার হলেও সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি অভিযোগ করেন, এর মধ্যে ফোরামের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা এবং মহানগর বিএনপির দায়িত্বশীল পদে থাকা আইনজীবীদের একটি অংশ সংগঠনের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে উপদলীয় বিরোধে জড়িয়ে পড়েছেন। তাঁর দাবি, এ ধরনের পরিস্থিতির নেতিবাচক প্রভাব শুধু আইনজীবী ফোরামের ওপরই নয়, বিএনপির ভাবমূর্তির ওপরও পড়ছে।
পদত্যাগপত্রে বাঁধন আরও বলেন, নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির কর্মকর্তা এবং পাবলিক প্রসিকিউটরসহ (পিপি) বিভিন্ন দায়িত্বশীল ব্যক্তিকে বিভিন্নভাবে নাজেহাল ও অপদস্থ হওয়ার পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে। বিষয়টিকে তিনি দুঃখজনক বলে উল্লেখ করেন।
বাঁধনের ভাষ্য, সংগঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থেকেও বর্তমান পরিস্থিতিতে তিনি গঠনমূলকভাবে কোনো ভূমিকা রাখতে পারছেন না। বরং চলমান সাংগঠনিক অবস্থায় নিজেকে অসহায় মনে করছেন।
এ কারণে তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী ফোরামে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এবং সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
তবে আইনজীবী ফোরামের পদ ছাড়লেও বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন সামছুন নূর বাঁধন।
পদত্যাগপত্রে তিনি বলেন, “ফোরামের পদ থেকে পদত্যাগ করলেও আমি জন্মলগ্ন থেকে বিএনপি পরিবারের একজন সদস্য ছিলাম এবং আমৃত্যু তা-ই থাকব।”
তাঁর পদত্যাগের মধ্য দিয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী ফোরামের অভ্যন্তরীণ সাংগঠনিক পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন