নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সীগঞ্জ অঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ সহজ করতে চলমান পঞ্চবটি-মুক্তারপুর সড়ক প্রকল্পের কাজ দ্রুত শেষ করার তাগিদ দিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, এমপি। তিনি জানিয়েছেন, আগামী ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে সড়কটি যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ফতুল্লার পঞ্চবটি মোড়ে ফ্লাইওভারের নির্মাণকাজ এবং পঞ্চবটি থেকে মুক্তারপুর সেতু পর্যন্ত সড়ক প্রশস্তকরণ ও দোতলা সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের অগ্রগতি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন মন্ত্রী। এ সময় নির্মাণকাজের বিভিন্ন দিক পর্যবেক্ষণ করে তিনি প্রকল্পের ত্রুটিগুলো সংশোধন এবং কাজের মান নিশ্চিত করে তা সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেন।
পরিদর্শনকালে পঞ্চবটি মোড়ে মন্ত্রীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) রিনাত ফৌজিয়া। এ সময় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শনের একপর্যায়ে নারায়ণগঞ্জের যানজট পরিস্থিতি তুলে ধরে পঞ্চবটি ফ্লাইওভার চাষাঢ়া মোড় পর্যন্ত সম্প্রসারণের প্রস্তাব দেন পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান। তাঁর মতে, ফ্লাইওভারটি চাষাঢ়া পর্যন্ত বিস্তৃত করা গেলে নগরীর যানজট কমাতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে।
এসপি হাবিবুর রহমান বলেন, পঞ্চবটি-বিসিক এলাকা নারায়ণগঞ্জের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চল। এখানে অসংখ্য পোশাক কারখানা রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের পণ্য পরিবহনে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক মালবাহী যানবাহন এই সড়ক ব্যবহার করে। কিন্তু যানজটের কারণে পরিবহন কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সাধারণ যাত্রীদেরও দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
তিনি মনে করেন, পঞ্চবটি ফ্লাইওভার চাষাঢ়া মোড় পর্যন্ত সম্প্রসারণ করা হলে শিল্পাঞ্চলের যানবাহন চলাচল আরও সহজ হবে। একই সঙ্গে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে যানবাহনের চাপ কমিয়ে জনদুর্ভোগ লাঘব করা সম্ভব হবে।
প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, পঞ্চবটি থেকে মুক্তারপুর সেতু পর্যন্ত সড়ক প্রশস্তকরণ ও দোতলা সড়ক নির্মাণের কাজ শেষ হলে নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সীগঞ্জ অঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। এতে শিল্পকারখানার পণ্য পরিবহনে সময় কম লাগবে এবং যানজটের কারণে সৃষ্ট ভোগান্তিও অনেকাংশে কমতে পারে।
সড়কটি চালুর লক্ষ্যমাত্রা সামনে রেখে নির্মাণকাজের মান বজায় রাখা এবং চিহ্নিত ত্রুটিগুলো সংশোধনের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে মন্ত্রীর পরিদর্শনে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে শিল্পাঞ্চলের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের যাতায়াতেও স্বস্তি আসবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ অক্টোবর ২০২৬
নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সীগঞ্জ অঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ সহজ করতে চলমান পঞ্চবটি-মুক্তারপুর সড়ক প্রকল্পের কাজ দ্রুত শেষ করার তাগিদ দিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, এমপি। তিনি জানিয়েছেন, আগামী ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে সড়কটি যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ফতুল্লার পঞ্চবটি মোড়ে ফ্লাইওভারের নির্মাণকাজ এবং পঞ্চবটি থেকে মুক্তারপুর সেতু পর্যন্ত সড়ক প্রশস্তকরণ ও দোতলা সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের অগ্রগতি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন মন্ত্রী। এ সময় নির্মাণকাজের বিভিন্ন দিক পর্যবেক্ষণ করে তিনি প্রকল্পের ত্রুটিগুলো সংশোধন এবং কাজের মান নিশ্চিত করে তা সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেন।
পরিদর্শনকালে পঞ্চবটি মোড়ে মন্ত্রীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) রিনাত ফৌজিয়া। এ সময় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শনের একপর্যায়ে নারায়ণগঞ্জের যানজট পরিস্থিতি তুলে ধরে পঞ্চবটি ফ্লাইওভার চাষাঢ়া মোড় পর্যন্ত সম্প্রসারণের প্রস্তাব দেন পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান। তাঁর মতে, ফ্লাইওভারটি চাষাঢ়া পর্যন্ত বিস্তৃত করা গেলে নগরীর যানজট কমাতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে।
এসপি হাবিবুর রহমান বলেন, পঞ্চবটি-বিসিক এলাকা নারায়ণগঞ্জের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চল। এখানে অসংখ্য পোশাক কারখানা রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের পণ্য পরিবহনে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক মালবাহী যানবাহন এই সড়ক ব্যবহার করে। কিন্তু যানজটের কারণে পরিবহন কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সাধারণ যাত্রীদেরও দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
তিনি মনে করেন, পঞ্চবটি ফ্লাইওভার চাষাঢ়া মোড় পর্যন্ত সম্প্রসারণ করা হলে শিল্পাঞ্চলের যানবাহন চলাচল আরও সহজ হবে। একই সঙ্গে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে যানবাহনের চাপ কমিয়ে জনদুর্ভোগ লাঘব করা সম্ভব হবে।
প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, পঞ্চবটি থেকে মুক্তারপুর সেতু পর্যন্ত সড়ক প্রশস্তকরণ ও দোতলা সড়ক নির্মাণের কাজ শেষ হলে নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সীগঞ্জ অঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। এতে শিল্পকারখানার পণ্য পরিবহনে সময় কম লাগবে এবং যানজটের কারণে সৃষ্ট ভোগান্তিও অনেকাংশে কমতে পারে।
সড়কটি চালুর লক্ষ্যমাত্রা সামনে রেখে নির্মাণকাজের মান বজায় রাখা এবং চিহ্নিত ত্রুটিগুলো সংশোধনের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে মন্ত্রীর পরিদর্শনে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে শিল্পাঞ্চলের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের যাতায়াতেও স্বস্তি আসবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন