আড়াইহাজারে নাদিম হত্যা: ৬ ঘণ্টার মধ্যে প্রধান আসামি গ্রেপ্তার
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে বস্তাবন্দি অবস্থায় নাদিম আকন্দ (৩৫) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনার ছয় ঘণ্টার মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে মো. হাকিম মোল্লাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ১৬ অক্টোবর শুক্রবার সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে আড়াইহাজার উপজেলার দুপ্তারা ইউনিয়নের দড়ি সত্যবান্দি এলাকার একটি ভাড়াবাসা থেকে বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাড়িটি বাতেনের এবং ঘরটি হাকিম মোল্লার ভাড়া নেওয়া বলে জানানো হয়েছে। সেমিপাকা টিনশেড ঘরের ভেতরে তালাবদ্ধ অবস্থায় মরদেহটি পাওয়া যায়।
পরে মরদেহটি কিশোরগঞ্জের উত্তর জাঙ্গালিয়ার বাসিন্দা নাদিম আকন্দের বলে শনাক্ত করা হয়। তাঁর বাবা মো. জসিম উদ্দিন এবং মা পান্না আক্তার। এ ঘটনায় নাদিমের বড় ভাই মো. জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে আড়াইহাজার থানায় মামলা করেন।
তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গ্রেপ্তার
ঘটনাটিকে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত শুরু করে আড়াইহাজার থানা পুলিশ। নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান পিপিএম-সেবার নির্দেশনায়, সহকারী পুলিশ সুপার ‘গ’ সার্কেল মেহেদী ইসলামের তত্ত্বাবধানে এবং আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সবজেল হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযানে নামে।
তদন্তের একপর্যায়ে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে মামলার প্রধান আসামি হাকিম মোল্লাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর বাবার নাম মো. মাহাবুব মোল্লা। তাঁর বাড়ি নড়াইল জেলার নড়াগাতী থানার গাছবাড়িয়া এলাকায়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার কথা স্বীকারের দাবি পুলিশের
পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হাকিম মোল্লা নাদিমকে শিলপাটা দিয়ে মাথায় আঘাত এবং শ্বাসরোধ করে হত্যার কথা জানিয়েছেন। পরে তাঁকে আদালতে হাজির করা হলে তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।
পুলিশের প্রাথমিক অনুসন্ধানে পরকীয়া ও পারিবারিক বিরোধকে হত্যাকাণ্ডের সম্ভাব্য কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ঘটনার পেছনের বিষয়গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ অক্টোবর ২০২৬
আড়াইহাজারে নাদিম হত্যা: ৬ ঘণ্টার মধ্যে প্রধান আসামি গ্রেপ্তার
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে বস্তাবন্দি অবস্থায় নাদিম আকন্দ (৩৫) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনার ছয় ঘণ্টার মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে মো. হাকিম মোল্লাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ১৬ অক্টোবর শুক্রবার সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে আড়াইহাজার উপজেলার দুপ্তারা ইউনিয়নের দড়ি সত্যবান্দি এলাকার একটি ভাড়াবাসা থেকে বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাড়িটি বাতেনের এবং ঘরটি হাকিম মোল্লার ভাড়া নেওয়া বলে জানানো হয়েছে। সেমিপাকা টিনশেড ঘরের ভেতরে তালাবদ্ধ অবস্থায় মরদেহটি পাওয়া যায়।
পরে মরদেহটি কিশোরগঞ্জের উত্তর জাঙ্গালিয়ার বাসিন্দা নাদিম আকন্দের বলে শনাক্ত করা হয়। তাঁর বাবা মো. জসিম উদ্দিন এবং মা পান্না আক্তার। এ ঘটনায় নাদিমের বড় ভাই মো. জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে আড়াইহাজার থানায় মামলা করেন।
তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গ্রেপ্তার
ঘটনাটিকে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত শুরু করে আড়াইহাজার থানা পুলিশ। নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান পিপিএম-সেবার নির্দেশনায়, সহকারী পুলিশ সুপার ‘গ’ সার্কেল মেহেদী ইসলামের তত্ত্বাবধানে এবং আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সবজেল হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযানে নামে।
তদন্তের একপর্যায়ে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে মামলার প্রধান আসামি হাকিম মোল্লাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর বাবার নাম মো. মাহাবুব মোল্লা। তাঁর বাড়ি নড়াইল জেলার নড়াগাতী থানার গাছবাড়িয়া এলাকায়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার কথা স্বীকারের দাবি পুলিশের
পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হাকিম মোল্লা নাদিমকে শিলপাটা দিয়ে মাথায় আঘাত এবং শ্বাসরোধ করে হত্যার কথা জানিয়েছেন। পরে তাঁকে আদালতে হাজির করা হলে তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।
পুলিশের প্রাথমিক অনুসন্ধানে পরকীয়া ও পারিবারিক বিরোধকে হত্যাকাণ্ডের সম্ভাব্য কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ঘটনার পেছনের বিষয়গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন