অসহায় আশা মনির স্বাবলম্বী হওয়ার পথে পাশে দাঁড়ালেন ডিসি রায়হান কবির
পরিবারের আর্থিক সংকট কাটিয়ে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখেন নারায়ণগঞ্জের আশা মনি। তাঁর বাবা দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হওয়ায় কাজ করতে পারেন না। এমন পরিস্থিতিতে পরিবারের পাশে দাঁড়াতে সেলাইয়ের কাজ শেখা ও তা করে আয় করার জন্য জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেছিলেন তিনি। সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে তাঁকে একটি নতুন সেলাই মেশিন দিয়েছে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আশা মনির হাতে সেলাই মেশিনটি তুলে দেন জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির।
আশা মনি নগরীর খানপুর এলাকার বাসিন্দা। তিনি নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ১১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা হিসেবে গত ৭ অক্টোবর জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করেন। আবেদনে তিনি জানান, তাঁর বাবা আবদুস সামাদ দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হওয়ায় কোনো কাজ করতে পারেন না। ফলে অন্য মানুষের আর্থিক সহায়তার ওপর নির্ভর করেই তাঁদের সংসার চলে।
এ অবস্থায় একটি সেলাই মেশিন পেলে পোশাক তৈরি করে আয় করতে পারবেন বলে আবেদনে উল্লেখ করেন আশা মনি। এতে পরিবারের আর্থিক সংকট কিছুটা হলেও কাটানো সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
বিষয়টি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করে জেলা প্রশাসক তাঁর হাতে সেলাই মেশিন তুলে দেন।
এ সময় জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির বলেন, অসহায় ও দুস্থ মানুষের সহায়তায় জেলা প্রশাসন সব সময় পাশে রয়েছে। আশা মনির মতো উদ্যমী তরুণীদের স্বাবলম্বী করে তুলতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার কথাও জানান তিনি।
সেলাই মেশিনটি কাজে লাগিয়ে আশা মনি নিজের উপার্জনের মাধ্যমে পরিবারের দায়িত্ব নিতে পারবেন—এমন প্রত্যাশার কথা জানান জেলা প্রশাসক।
সেলাই মেশিন পেয়ে আবেগাপ্লুত আশা মনি জেলা প্রশাসকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ অক্টোবর ২০২৬
অসহায় আশা মনির স্বাবলম্বী হওয়ার পথে পাশে দাঁড়ালেন ডিসি রায়হান কবির
পরিবারের আর্থিক সংকট কাটিয়ে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখেন নারায়ণগঞ্জের আশা মনি। তাঁর বাবা দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হওয়ায় কাজ করতে পারেন না। এমন পরিস্থিতিতে পরিবারের পাশে দাঁড়াতে সেলাইয়ের কাজ শেখা ও তা করে আয় করার জন্য জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেছিলেন তিনি। সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে তাঁকে একটি নতুন সেলাই মেশিন দিয়েছে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আশা মনির হাতে সেলাই মেশিনটি তুলে দেন জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির।
আশা মনি নগরীর খানপুর এলাকার বাসিন্দা। তিনি নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ১১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা হিসেবে গত ৭ অক্টোবর জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করেন। আবেদনে তিনি জানান, তাঁর বাবা আবদুস সামাদ দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হওয়ায় কোনো কাজ করতে পারেন না। ফলে অন্য মানুষের আর্থিক সহায়তার ওপর নির্ভর করেই তাঁদের সংসার চলে।
এ অবস্থায় একটি সেলাই মেশিন পেলে পোশাক তৈরি করে আয় করতে পারবেন বলে আবেদনে উল্লেখ করেন আশা মনি। এতে পরিবারের আর্থিক সংকট কিছুটা হলেও কাটানো সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
বিষয়টি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করে জেলা প্রশাসক তাঁর হাতে সেলাই মেশিন তুলে দেন।
এ সময় জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির বলেন, অসহায় ও দুস্থ মানুষের সহায়তায় জেলা প্রশাসন সব সময় পাশে রয়েছে। আশা মনির মতো উদ্যমী তরুণীদের স্বাবলম্বী করে তুলতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার কথাও জানান তিনি।
সেলাই মেশিনটি কাজে লাগিয়ে আশা মনি নিজের উপার্জনের মাধ্যমে পরিবারের দায়িত্ব নিতে পারবেন—এমন প্রত্যাশার কথা জানান জেলা প্রশাসক।
সেলাই মেশিন পেয়ে আবেগাপ্লুত আশা মনি জেলা প্রশাসকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

আপনার মতামত লিখুন