বন্দরে আড়াই হাজার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন, উচ্ছেদ চুন কারখানার লাইন
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে অবৈধভাবে গ্যাস ব্যবহারের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে প্রায় আড়াই হাজার ডাবল বার্নারের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ। এ সময় একটি চুন কারখানায় মূল সরবরাহ লাইন থেকে নেওয়া অবৈধ সংযোগও অপসারণ করা হয়। চারটি এলাকায় পরিচালিত এ অভিযানে বিপুল পরিমাণ পাইপ ও সংযোগের সরঞ্জাম সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার সুহা তাবিলের নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালিত হয়। তিতাস গ্যাসের জোনাল বিক্রয় অফিস-বন্দর এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে। বন্দর উপজেলার জাঙ্গাল ও মালিবাগ বাসস্ট্যান্ডের আশপাশের চারটি স্থানে অভিযান চালানো হয়।
অভিযানের প্রথম পর্যায়ে জাঙ্গাল বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একটি চুন কারখানায় অবৈধ গ্যাস সংযোগের সন্ধান পাওয়া যায়। পরিদর্শনের সময় কারখানাটি বন্ধ থাকলেও মূল গ্যাস সরবরাহ লাইনের সঙ্গে দুই ইঞ্চি ব্যাসের একটি অবৈধ ভালভের মাধ্যমে সংযোগ নেওয়া হয়েছিল। পরে চার ফুট এমএস পাইপ ও ভালভটি খুলে সংযোগটি মূল লাইন থেকে বিচ্ছিন্ন করা হয়।
এরপর জাঙ্গাল বাসস্ট্যান্ডের প্রধান সড়কের পাশে প্রায় এক হাজার ডাবল বার্নারের আবাসিক গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। তিতাসের হিসাব অনুযায়ী, এসব সংযোগের মাধ্যমে প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ২১ হাজার ঘনফুট গ্যাস ব্যবহারের সক্ষমতা ছিল। এ স্থান থেকে ৬০ ফুট হোস পাইপ, ১০ ফুট এমএস পাইপ ও একটি ভালভ জব্দ করা হয়।
একই এলাকার বন্দর খাল ব্রিজের কাছে আরও এক হাজার ডাবল বার্নারের অবৈধ সংযোগ অপসারণ করা হয়। সেখানে অভিযান চালিয়ে ১৭০ ফুট এমএস পাইপ, ১০০ ফুট প্লাস্টিক কেসিং পাইপ এবং তিনটি রেগুলেটর সরিয়ে নেওয়া হয়।
অভিযানের আরেকটি অংশ পরিচালিত হয় মালিবাগ বাসস্ট্যান্ডের পাশে এস এইচ ক্যাসেল অ্যান্ড রিসোর্ট-সংলগ্ন এলাকায়। সেখানে প্রায় ৫০০ ডাবল বার্নারের গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। এসব সংযোগে প্রতি ঘণ্টায় আনুমানিক ১০ হাজার ৫০০ ঘনফুট গ্যাস ব্যবহারের সক্ষমতা ছিল। এ সময় ১৫০ ফুট এমএস পাইপলাইনও উচ্ছেদ করা হয়।
তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, চারটি স্থানে অভিযান চালিয়ে প্রতি ঘণ্টায় মোট ৫২ হাজার ৫০০ ঘনফুট গ্যাস ব্যবহারের সক্ষমতাসম্পন্ন প্রায় আড়াই হাজার অবৈধ ডাবল বার্নারের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। পাশাপাশি চুন কারখানাটির অবৈধ সংযোগও মূল সরবরাহ লাইন থেকে অপসারণ করা হয়।
তিতাসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, অবৈধ গ্যাস ব্যবহার বন্ধ করা, জাতীয় সম্পদের অপচয় রোধ এবং সরকারি রাজস্ব সুরক্ষার লক্ষ্যে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ অক্টোবর ২০২৬
বন্দরে আড়াই হাজার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন, উচ্ছেদ চুন কারখানার লাইন
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে অবৈধভাবে গ্যাস ব্যবহারের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে প্রায় আড়াই হাজার ডাবল বার্নারের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ। এ সময় একটি চুন কারখানায় মূল সরবরাহ লাইন থেকে নেওয়া অবৈধ সংযোগও অপসারণ করা হয়। চারটি এলাকায় পরিচালিত এ অভিযানে বিপুল পরিমাণ পাইপ ও সংযোগের সরঞ্জাম সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার সুহা তাবিলের নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালিত হয়। তিতাস গ্যাসের জোনাল বিক্রয় অফিস-বন্দর এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে। বন্দর উপজেলার জাঙ্গাল ও মালিবাগ বাসস্ট্যান্ডের আশপাশের চারটি স্থানে অভিযান চালানো হয়।
অভিযানের প্রথম পর্যায়ে জাঙ্গাল বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একটি চুন কারখানায় অবৈধ গ্যাস সংযোগের সন্ধান পাওয়া যায়। পরিদর্শনের সময় কারখানাটি বন্ধ থাকলেও মূল গ্যাস সরবরাহ লাইনের সঙ্গে দুই ইঞ্চি ব্যাসের একটি অবৈধ ভালভের মাধ্যমে সংযোগ নেওয়া হয়েছিল। পরে চার ফুট এমএস পাইপ ও ভালভটি খুলে সংযোগটি মূল লাইন থেকে বিচ্ছিন্ন করা হয়।
এরপর জাঙ্গাল বাসস্ট্যান্ডের প্রধান সড়কের পাশে প্রায় এক হাজার ডাবল বার্নারের আবাসিক গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। তিতাসের হিসাব অনুযায়ী, এসব সংযোগের মাধ্যমে প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ২১ হাজার ঘনফুট গ্যাস ব্যবহারের সক্ষমতা ছিল। এ স্থান থেকে ৬০ ফুট হোস পাইপ, ১০ ফুট এমএস পাইপ ও একটি ভালভ জব্দ করা হয়।
একই এলাকার বন্দর খাল ব্রিজের কাছে আরও এক হাজার ডাবল বার্নারের অবৈধ সংযোগ অপসারণ করা হয়। সেখানে অভিযান চালিয়ে ১৭০ ফুট এমএস পাইপ, ১০০ ফুট প্লাস্টিক কেসিং পাইপ এবং তিনটি রেগুলেটর সরিয়ে নেওয়া হয়।
অভিযানের আরেকটি অংশ পরিচালিত হয় মালিবাগ বাসস্ট্যান্ডের পাশে এস এইচ ক্যাসেল অ্যান্ড রিসোর্ট-সংলগ্ন এলাকায়। সেখানে প্রায় ৫০০ ডাবল বার্নারের গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। এসব সংযোগে প্রতি ঘণ্টায় আনুমানিক ১০ হাজার ৫০০ ঘনফুট গ্যাস ব্যবহারের সক্ষমতা ছিল। এ সময় ১৫০ ফুট এমএস পাইপলাইনও উচ্ছেদ করা হয়।
তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, চারটি স্থানে অভিযান চালিয়ে প্রতি ঘণ্টায় মোট ৫২ হাজার ৫০০ ঘনফুট গ্যাস ব্যবহারের সক্ষমতাসম্পন্ন প্রায় আড়াই হাজার অবৈধ ডাবল বার্নারের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। পাশাপাশি চুন কারখানাটির অবৈধ সংযোগও মূল সরবরাহ লাইন থেকে অপসারণ করা হয়।
তিতাসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, অবৈধ গ্যাস ব্যবহার বন্ধ করা, জাতীয় সম্পদের অপচয় রোধ এবং সরকারি রাজস্ব সুরক্ষার লক্ষ্যে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন